আট
একেনবাবু দু-জন ইন্টারেস্টিং লোকের সঙ্গে দেখা হবার কথা বলেছিলেন, কিন্তু আমাদের কথার মাঝখানে দ্বিতীয় জনের প্রসঙ্গই চাপা পড়ে যাচ্ছিল। কফি নিয়ে বসে বললাম, “এবার আপনার দ্বিতীয় ইন্টারেস্টিং লোকের কথা বলুন।”
“ও হ্যাঁ, স্যার, এটাই হচ্ছে রিয়েল ইন্টারেস্টিং। হঠাৎ করে দেখা হয়ে গেল ক্যাপ্টেন স্টুয়ার্টের পরিচিত নেভাডার এক ডিটেকটিভ, জ্যাক হোল্ডব্রুক-এর সঙ্গে।”
এখানে বলি, এই ‘হঠাৎ’ করে কথাটা সত্যি নয়। নিশ্চয় উনি তলে তলে খোঁজ করে যাচ্ছিলেন নেভাডার কোনো পুলিশ-গোয়েন্দার। এসব ব্যাপারে ক্যাপ্টেন স্টুয়ার্ট অনেক সাহায্য করেন ওঁকে। আমার ধারণা ড্রামাটিক করার জন্য একেনবাবু ভাব দেখান সব কিছুই কাকতালীয়! যাইহোক, একেনবাবুর কথা শুনে বুঝলাম বছর পাঁচেক আগে নেভাডার ক্লার্ক কাউন্টির পুলিশ ফোর্স থেকে এই ভদ্রলোক অবসর নিয়েছেন। ওঁর জন্ম ও বড়ো হওয়া নিউ ইয়র্কে। নেভাডার একটি মেয়ের প্রেমে হাবুডুবু খেয়ে ‘ওয়াইল্ড ওয়েস্টে’ গিয়ে থিতু হয়েছিলেন। রিটায়ার করার পরও বছর দুই ওখানেই ছিলেন। কিন্তু প্রেমের তাগিদে নিউ ইয়র্ক থেকে চলে যেতে হলেও হোল্ডব্রুক সাহেব মনেপ্রাণে ছিলেন নিউ ইয়র্কার। স্ত্রীর মৃত্যুর পর ফিরে এসেছেন ‘স্বস্থানে।’ আসার পর একা একা কর্মহীন এই জীবন আর ভালো লাগছিল না। হালকা কাজ খুঁজছিলেন যেখানে ওঁর অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে পারেন। সেই সূত্রেই একেনবাবুর সঙ্গে যোগাযোগ।
“ওশন অফ নলেজ স্যার, উনি আসায় জটটা মনে হয় এবার খুলবে।”
“কোন জটের কথা বলছেন?” আমি জিজ্ঞেস করলাম।
“ক-দিন ধরে র্যান্ডো সাহেবের কথা খুব মনে হচ্ছিল স্যার। মনের ভিতরটা খচ খচ করছিল। এত টাকা দিলেন, কিন্তু কাজটা করা হল না।”
“র্যান্ডো জোচ্চুরি করে টাকা কামিয়েছেন। সৎভাবে উপার্জন করা টাকা নিলে তবু আপনার গিল্টি ফিল করার মানে হত!” প্রমথ দাবড়ানি দিল!
“তাও ওঁকে জিজ্ঞেস করলাম স্যার, ম্যাডাম লুসি আর তাঁর বয়ফ্রেন্ডকে পুড়িয়ে হত্যা করার কেসটা। প্রথমে উনি মনে করতে পারছিলেন না কার কথা জিজ্ঞেস করছি। লাকিলি ওঁর বন্ধু ছিল জনি বেত্তো, ক্লার্ক কাউন্টির এক ফায়ার চিফ। আমার সামনেই তাঁকে ফোন করলেন। মিস্টার বেত্তোর কেসটা মনে আছে। ঘটনাটা ঘটেছিল ক্লার্ক কাউন্টিরই বোল্ডার সিটি-তে- লাস ভেগাস থেকে মাইল কুড়ি দূরে। প্রথমে আর্সন বলে সন্দেহ হয়েছিল। পরে অবশ্য আসন না-হওয়ার সম্ভাবনাও জোরদার হয়। এইসব শুনতে শুনতে হোল্ডব্রুক সাহেবের কেসটা মনে পড়ে গেল। আসলে কে বা কারা লুসি আর তার বয়ফ্রেন্ডকে ওইভাবে পুড়িয়ে মারতে চাইবে সেটা বার করা যায়নি। তবে আসন না হলে তো সে নিয়ে প্রশ্নও ওঠে না। আমার এ ব্যাপারে একটা ইন্টারেস্ট আছে দেখে হোল্ডব্রুক সাহেব বললেন, ওঁর কাছে কতগুলো পুরোনো কেস ফাইলের কপি আছে। একবার খুঁজে দেখবেন, ওই কেস নিয়ে কিছু আছে কিনা।”
“বাঃ। তাহলে তো বেগার খাটনির মশলাপত্রও পেয়ে যেতে পারেন!”
প্রমথর শেষটা গায়ে মাখলেন না একেনবাবু। “বেগার বলছেন কেন স্যার, ইমেল রহস্যটা তো উদ্ধার করা হয়নি— দুটো খাতা আর ছবি-ভরতি খামটাও তো পাওয়া যায়নি!”
“আপনি মশাই সামথিং!” প্রমথ বিরক্ত হয়ে বলল। “দুটো ফালতু খাতা, আর কয়েকটা পর্নোগ্রাফিক ছবি— এগুলোর জন্য আপনার মহা-মূল্যবান সময় আপনি নষ্ট করবেন? আর কে ইমেল পাঠিয়েছে বার করতে পারলেও আপনাকে টাকাটা দিচ্ছে কে?”
“না, না, স্যার, সেটা পাব। র্যান্ডো সাহেবের অ্যাটর্নি, বার্ড সাহেবের সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। তিনি টাকাটা রিলিজ করবেন।”
“যাক, আপনার ক্যারেক্টারে যে অসঙ্গতি ছিল সেটা চলে যাচ্ছে দেখে ভালো লাগছে।”
“তার মানে স্যার?”
“এই যে, এদিকে আপনি হাড়-কেপ্পন, টু-পাইস ফাদার-মাদার। অন্যদিকে নিজের ফি নিয়ে মাথা ঘামাচ্ছেন না— তাই বলছিলাম…”
একেনবাবু আমার দিকে তাকিয়ে বললেন, “প্রমথবাবু না স্যার, সত্যি!”
প্রমথ বলল, “শুনুন একেনবাবু, আমি সত্যি না মিথ্যে জানি না, কিন্তু আপনি আরও একটা অ্যাঙ্গেল নিয়ে ভাবুন। ছবিগুলো তুলেছিল র্যান্ডো সাহেবেরই এক বন্ধু টোনি না কী জানি তার নাম। র্যান্ডো এখন বড়োলোক জেনে সে ব্যাটাও তো ব্ল্যাকমেল করতে পারে! ছবিগুলোর কথা সে জানে। ধরে নিচ্ছি সে-ই ছিল ফোটোগ্রাফার, সুতরাং ছবিতে সে নেই, আছে শুধু র্যান্ডো অ্যান্ড কোম্পানি। সেই টোনি ব্যাটাই এখন বেনামে ইমেল পাঠাচ্ছে র্যান্ডোকে।”
একেনবাবু একটু চুপ করে থেকে বললেন, “সবই সম্ভব স্যার, সবই সম্ভব। কিন্তু ওই খাতাগুলোর কথা তিনি জানবেন কী করে?”
এ নিয়ে আর কোনো কথা হল না। তবে হেলেন জনসন নিউ ইয়র্কে এলে একেনবাবু যে শান্তিনিকেতনের কথা জিজ্ঞেস করবেন সে নিয়ে আমার কোনো সন্দেহ নেই। কেন হেলেন শান্তিনিকেতনে গিয়েছিলেন, সেই রহস্যটাও উদ্ধার হবে। যদিও আমার মনে হল কাজটা নিশ্চয় রবীন্দ্র মিউজিয়াম সংক্রান্তই হবে। শুনেছিলাম বেশ কিছু পুরোনো চিঠি কার লেখা, সে নিয়ে কিছু কনফিউশন আছে, সেগুলো প্রদর্শনীতে তোলার আগে কর্তৃপক্ষ হয়তো নিঃসন্দেহ হতে চায়।
.
পরের দিন সকালে কলেজে গেছি। সপ্তাহে একটা দিন আমার কোনো ক্লাস থাকে না, আজকে সেই দিন। আজকে আমার পড়ানো নেই। এগারোটা নাগাদ একেনবাবু এলেন, সঙ্গে হেলেন!
“আসুন, আসুন,” বলতেই হেলেন বললেন, “ইটস আ স্মল ওয়ার্ল্ড, আমি একেনের সঙ্গে একটা প্রজেক্টে গত কয়েক দিন ধরে কাজ করছিলাম, কিন্তু জানতাম না ওঁর স্ত্রীর সঙ্গে আগেই আমার পরিচয় হয়েছে।”
আমি হেসে জিজ্ঞেস করলাম, “সেদিন আপনার পছন্দসই স্কার্ফ পেয়েছিলেন?”
“ইয়েস, থ্যাংকস টু ইউ। বাই দ্য ওয়ে, আপনার ডিরেকশন একেবারে পারফেক্ট ছিল।”
“থ্যাংক ইউ।”
একেনবাবু বললেন, “বুঝলেন স্যার, হেলেন ম্যাডামের সঙ্গে একটু আগে কথা হচ্ছিল। উনিও র্যান্ডো সাহেবের জন্যে একটা কাজ করছিলেন, কিন্তু ওঁর সঙ্গে দেখা হবার আগেই শুনলেন র্যান্ডো সাহেব অ্যারেস্টেড!”
করা।’
একেনবাবুর কথা বলার ধরনে হেলেন মুচকি মুচকি হাসছিলেন।
“কী কাজ?” আমি জিজ্ঞেস করলাম।
“একটা ডকুমেন্টের কয়েকটা পাতা থেকে সেগুলো কার লেখা আইডেন্টিফাই
“সেটা কী করে সম্ভব?”
“এক্স্যাক্টলি, সেই নিয়েই একটু আগে একেনের সঙ্গে কথা হচ্ছিল। আমি দুটো লেখা একজন লিখেছেন কি না বলার চেষ্টা করি। কিন্তু একটা লেখা দেখে কে সেটা লিখেছেন বলার ক্ষমতা তো আমার নেই।”
“এই কাজটা আপনাকে মিস্টার র্যান্ডো দিয়েছিলেন?”
“না, না, দিয়েছিলেন ওঁর এক অ্যাটর্নি- জ্যাক বার্ড। আরও কিছু ইনফর্মেশন ছাড়া এ কাজ আমি নিতে পারব না বলায় জ্যাক বললেন, ‘ভদ্রলোক ইন্ডিয়াতে থাকেন। ক-দিন আগে এই পাতাগুলো দিয়ে চলে গেছেন! উনি এখন থাকেন শান্তিনিকেতনের কাছে একটা জায়গায়।’ মজার ব্যাপার, আমি শান্তিনিকেতনেই যাচ্ছিলাম টেগোর মিউজিয়ামের কয়েকটা ডকুমেন্ট আইডেন্টিফিকেশনের কাজে। জ্যাককে সেটা জানিয়ে বললাম, “ওঁর সঙ্গে দেখা করে আমার প্রশ্নের জবাবগুলো পেলেই কাজটা নেব।’ তখনই জানলাম ভদ্রলোক একসময় স্বনামে-বেনামে হলিউডে স্ক্রিপ্ট লিখতেন, আর আঙ্কলের রেখে যাওয়া টাকায় এখন বড়োলোক। অ্যাটর্নি জ্যাক অবশ্য আমাকে সতর্ক করেছিলেন মিস্টার র্যান্ডো একটু খেপা লোক বলে। যাইহোক, উনি আমার সঙ্গে দেখা করেননি। ওঁর লোকেরাও হেল্পফুল নয়। সুতরাং কাজটা নিয়ে আমি আর এগোইনি।”
“আপনার টেগোর মিউজিয়ামের কাজগুলো শেষ হয়ে গেছে?”
“হ্যাঁ, কাজগুলো এখানে থাকতেই প্রায় শেষ করে ফেলেছিলাম, শুধু দুয়েকটা এক্সিবিটের অরিজিনাল নিজের চোখে না দেখে ফাইনাল রিপোর্ট লিখতে চাইনি। সেইজন্যেই যাওয়া। সত্যি কথা বলতে কী, সেটাও খানিকটা ছুতো, আসলে ইন্ডিয়া যেতে আমি খুবই ভালোবাসি। আমার বন্ধুরা অবাক হয়। জায়গাটা এত গরম, অপরিষ্কার রাস্তাঘাট, লোকজনের ভিড়, ডিসেন্ট ফেসিলিটির অভাব, হাজার রকমের কমপ্লেইন। এগুলো সবই ঠিক। কিন্তু ইন্ডিয়ার যে আলাদা একটা চার্ম আছে, সেটা ওরা মিস করে যায়।”
‘চার্ম’-টা ঠিক কী, জিজ্ঞেস করার আগেই একেনবাবু প্রশ্ন করলেন, “ম্যাডাম, আপনি ঠিক কী জানতে চেয়েছিলেন র্যান্ডো সাহেবের কাছে?”
“প্রশ্নটা ডেট এবং প্লেস সংক্রান্ত। লেখাগুলো কবে লেখা হয়েছিল এবং কোথায় লেখা হয়েছিল। এ ছাড়া অন্য কোনো সাপোর্টিং ডকুমেন্ট পাওয়া যাবে কি না— চিঠিপত্র, ডায়েরি, ইত্যাদি। যদি কোনো বিখ্যাত লোকের লেখা হয়ে থাকে, তাহলে স্থান এবং কাল দিয়ে অনেক কিছু বার করা যায়।”
“কীভাবে?”
“সমসাময়িক বিখ্যাত লোকেদের লেখা মিউজিয়াম, নেট, ইত্যাদি অনেক জায়গাতেই ছড়িয়ে আছে। খুঁজে খুজে সেগুলো বার করে মেলাতে হবে। প্রচুর খাটনি, কিন্তু কাজটা অসম্ভব নয়। কয়েকটা কম্পিউটার-বেসড রাফ সার্চিং টুলস আমাদের আছে।”
খুব ইন্টারেস্টিং তো, এটা আমার মাথায় আসেনি। র্যান্ডো সাহেবের সঙ্গে হেলেনের দেখা হলে, আর কাগজের লেখাগুলো বিখ্যাত কারোর হলে তাঁকে আইডেন্টিফাই করা যেত। আমি মোটামুটি বুঝতে পারছিলাম কাগজ দুটো ইমেল-এ উল্লেখ করা খাতার দুটো পাতার কপি। র্যান্ডো সাহেব মনে হয় অনুমান করতে পেরেছিলেন, এত বছর বাদে ইমেল-এ কেউ যখন ওটার খোঁজ করছে, ওটার মূল্য আছে। আর সেইজন্যেই মার্কিন মুলুকে এসে ওঁর অ্যাটর্নিকে কয়েকটা পাতার ফোটোকপি দিয়ে গেছেন। লোকটা অবশ্যই ঘোড়েল। খাতা দুটো কোথায় আছে ভালো করেই জানতেন, কিন্তু একেনবাবুর সঙ্গে কথা বলার সময় এমন ভাব দেখালেন যেন ভালো করে মনেও করতে পারছেন না, ইমেলে কীসের কথা বলা হয়েছে! যাইহোক, লোকটা এখন জেলে। পাপের শাস্তি ভোগ করছে, এ নিয়ে একেনবাবু কেন মাথা ঘামাচ্ছেন কে জানে! তবে একটা জিনিস, আমিও অনুমান করতে পারি পাতাগুলো কোন সময়ে লেখা। লুসির বয়স যদি র্যান্ডো সাহেবের কাছাকাছি হয়, তাহলে তাঁর ঠাকুরদার বয়স সম্পর্কে একটা অনুমান অন্তত করা যায়।
হেলেন মিনিট পাঁচেকের জন্য যখন রেস্টরুমে গেলেন, আমি একেনবাবুকে জিজ্ঞেস করলাম, “আচ্ছা, সেদিন আপনি হঠাৎ কেন র্যান্ডো সাহেবকে জিজ্ঞেস করলেন আপনি শেষ কবে নিউ ইয়র্কে গিয়েছিলেন- ইমেল পাবার আগে না পরে?”
“আসলে স্যার, আমি ওঁর খাটের নীচে একটা বড়ো ব্যাগ দেখতে পেয়েছিলাম, তাতে এয়ারলাইনের একটা ট্যাগ-এ ছাপা ছিল JFKCCU। মানে নিউ ইয়র্ক সিটির কেনেডি এয়ারপোর্ট থেকে কলকাতার দমদম। ট্যাগটা মোটামুটি পরিষ্কার, সুতরাং খুব একটা পুরোনো হতে পারে না। তখনই মনে হল, ইমেল-টা দেখেই হয়তো খাতাগুলো খুঁজতে গিয়েছিলেন। এত বছর পরে কেউ যখন সেটা নিয়ে লিখেছে, সেটার কিছু মূল্য নিশ্চয় আছে। তাই ইমেল না দেখে নিউ ইয়র্কে যাবার কথাটা হয়তো সত্যি নয়। আমি স্যার ট্রাস্ট বাট ভেরিফাই-এ বিশ্বাসী।”
“কিন্তু উনি যে বললেন ইমেল খুলেছেন এদেশ থেকে ফিরে গিয়ে?”
“আপনি স্যার ওঁর সব কথা বিশ্বাস করেন?” একেনবাবুর মুখে মুচকি হাসি।
“প্রমথ ঠিকই বলে, আপনি অত্যন্ত ধুরন্ধর লোক মশাই।”
“কী যে বলেন স্যার!”
“আরেকটা কথা। আপনি কি হেলেনকে বলে দেবেন পাতাগুলো কোন সময়ের লেখা হতে পারে? মানে লুসির ঠাকুরদার আমলের লেখা যখন, একটা অনুমান তো করাই যায়।”
“তা অবশ্য যায়, কিন্তু এই কাজের জন্য কি ম্যাডাম আর সময় নষ্ট করবেন!”
ইতিমধ্যে হেলেন রেস্টরুম থেকে ফিরে এসেছেন। ব্রুকলিন-এর কেস নিয়ে আলোচনা করার জন্য একেনবাবু চলে গেলেন হেলেনকে নিয়ে। ক্লাস না থাকলেও রিসার্চের বেশ কিছু কাজ জমে ছিল। একেনবাবুর কাহিনি লিখে তো আমার চাকরি টিকে থাকবে না। ইন্টারন্যাশনাল জার্নালে নিয়মিত পেপার, মানে গবেষণাপত্র ছাপাতে হবে। এদেশে সেগুলো না করলে চলে না। বাড়ি ফিরতে ফিরতে বিকেল হয়ে গেল।
