অ্যাডভেঞ্চার গল্প

ঋজুদার সঙ্গে বক্সার জঙ্গলে – বুদ্ধদেব গুহ

এক কী রে রুদ্র! ভটকাই মনমরা হয়ে বলল, ঋজুদা কি শুধু শুধুই বেড়াতে যাবে! এবারেও? সেবারে বলল, ভীরাপ্পানের খোঁজে যাবে নীলগিরি পাহাড়ে কর্ণাটক আর তামিলনাড়ুর সীমান্তে, শেষ অবধি তাও গেল না, মধ্যে দিয়ে আমার মাথাটাই ন্যাড়া করতে হল। মিছিমিছি। ছিঃ।…

Read Moreঋজুদার সঙ্গে বক্সার জঙ্গলে – বুদ্ধদেব গুহ

ঋজুদার সঙ্গে সুফকর-এ – বুদ্ধদেব গুহ

গত রাতেই ঋজুদার সঙ্গে তিতির আর আমি নাগপুর থেকে ঋজুদার ইন্ডিয়ান ফরেস্ট সার্ভিসের বন্ধু পরিহার সাহেবের এক পরিচিতর জীপে করে কানহারে মুক্কি ফরেস্ট লজ-এ এসে উঠেছি সন্ধ্যের পর। ফরেস্ট লজটা ইন্ডিয়ান ট্যুরিজম ডেভালাপমেন্ট কর্পোরেশনের, যেমন লজ ওঁরা নানা জঙ্গলেই বানিয়েছেন।…

Read Moreঋজুদার সঙ্গে সুফকর-এ – বুদ্ধদেব গুহ

ঋজুদার সঙ্গে লবঙ্গি বনে – বুদ্ধদেব গুহ

বহুদিন পরে এলাম রে। ভারী ভাল লাগছে। জানিস। ঋজুদা বলল। আমি বললাম, কত বছর পর? এই বাংলোতে? তা প্রায় কুড়ি-বাইশ বছর হবে। যদিও এর আশেপাশে এসেছি পনেরো বছর আগেও। ভটকাই বলল, জায়গার কী নাম রে বাবা! বাঘ্যমুণ্ডা। বাঘের মাথা নাকি?…

Read Moreঋজুদার সঙ্গে লবঙ্গি বনে – বুদ্ধদেব গুহ

অন্য শিকার (ঋজুদা) – বুদ্ধদেব গুহ

এদিকের জঙ্গলে কখনও আসিনি ঋজুদার সঙ্গে। ঋজুদাও যে এর আগে খুব বেশি এসেছে মধ্যপ্রদেশে, এমনও নয়। তবে, বার দশেক এসেছে। ঋজুদার ভালবাসার জায়গা ছিল হাজারিবাগ, পালামৌ, রাঁচি এবং ওড়িশার মহানদীর অববাহিকা। সুন্দরবন এবং আফ্রিকার কথা বাদ দিয়েই বলছি। এখন তাকে…

Read Moreঅন্য শিকার (ঋজুদা) – বুদ্ধদেব গুহ

বাঘের মাংস (ঋজুদা) – বুদ্ধদেব গুহ

আউ কেত্তে বাট্ট হব্ব দণ্ডধর টুল্লকা বাংলো? দণ্ডধরকে প্রশ্ন করলাম চলতে চলেতে। আমার দিকে মুখ না ফিরিয়েই, ডোন্ট কেয়ার উত্তর দিল দণ্ড, হব্ব, দ্বি কোশখণ্ডে। আউ কঁড়? বাপ্পালো বাপ্পা! দ্বি ক্বোশ? মু আউ চালি পারিবনি। হতাশ গলায় বললাম আমি। চালি…

Read Moreবাঘের মাংস (ঋজুদা) – বুদ্ধদেব গুহ

টাঁড়বাঘোয়া (ঋজুদা) – বুদ্ধদেব গুহ

তোমরা কেউ বাড়কাকানা থেকে চৌপান যে রেল লাইনটি চলে গেছে পালামৌর গভীর জঙ্গলের মধ্য দিয়ে সেই পথে গেছ কি না জানি না। না-গিয়ে থাকলে একবার যেও। দু’পাশে অমন সুন্দর দৃশ্যের রেলপথ খুব কমই আছে। শাল, মহুয়া, আসন, পন্নন, কেঁদ, পিয়াশাল,…

Read Moreটাঁড়বাঘোয়া (ঋজুদা) – বুদ্ধদেব গুহ