ছোটদের গল্প

জসীম উদ্দীনের হাসির গল্প জিদ

এক তাঁতি আর তার বউ! তারা বড়ই গরিব। কোনদিন খায়-কোনদিন খাইতে পায় না। তাঁত খুঁটি চালাইয়া, কাপড় বুনাইয়া, কিইবা তাহাদের আয়? আগেরকার দিনে তারা বেশি উপার্জন করিত। তাহাদের হাতের একখানা শাড়ি পাইবার জন্য বাদশাজাদীরা, কত নবাবজাদীরা তাহাদের উঠানে গড়াগড়ি পাড়িত।…

Read Moreজসীম উদ্দীনের হাসির গল্প জিদ

সত্যজিৎ রায়ের গল্প বঙ্কুবাবুর বন্ধু

বঙ্কুবাবুকে কেউ কোনওদিন রাগতে দেখেনি। সত্যি বলতে কি, তিনি রাগলে যে কীরকম ব্যাপারটা হবে, কী যে বলবেন বা করবেন তিনি, সেটা আন্দাজ করা ভারী শক্ত। অথচ রাগবার যে কারণ ঘটে না তা মোটেই নয়। আজ বাইশ বছর তিনি কাঁকুড়গাছি প্রাইমারি…

Read Moreসত্যজিৎ রায়ের গল্প বঙ্কুবাবুর বন্ধু

জসীম উদ্দীনের গল্প নাপিত ডাক্তার

ঠোট্ট একটা শহর। সেখানে সবচাইতে বড় ডাক্তার হইয়া পড়িল এক নাপিত। ছোটখাট অসুখে এটা ও্টা ঔষধ দিয়াই নয়, ফোঁড়া কাটা হইতে আরম্ভ করিয়া রোগীর পেট চিরিয়া রোগীর পেট চিরিয়া পেট হইতে পুঁজ বাহির করিয়া দেওয়া পর্যন্ত বড় বড় কাটাছেঁড়ার কাজও…

Read Moreজসীম উদ্দীনের গল্প নাপিত ডাক্তার

একটা দুটো বেড়াল – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

চুষিদের বাড়িতে কোনও বেড়াল ছিল না। তবে বেড়ালদের আনাগোনা ছিল। সেসব চোর আর ছোঁচা বেড়ালদের কথা আর বলবার নয়। যতবার মেরে তাড়াও লজ্জা নেই—আবার আসবে। দেওয়ালে বাইবে। জানালায় উঁকিঝুঁকি দেবে। মিহি সুরে ভারী বিনয়ী ডাক ডাকবে। এমনকী শীতের লেপকাঁথা রোদে…

Read Moreএকটা দুটো বেড়াল – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

লক্ষ্মী ছেলে গল্প লীলা মজুমদার

এক বেজায় জ্যাঠা ছেলে ছিল। যতদিন বাবা বেঁচে ছিলেন, ততদিন সে লেখাপড়া ছেড়ে দিয়ে টো টো করে বেড়িয়েছে। শেষটায় যখন বাবা মারা গেলেন, তখন ছেলে ভারি বিপদে পড়ল। কী করে। লেখাপড়া তো আর বেশি জানে না, যে কাজ করে খাবে?…

Read Moreলক্ষ্মী ছেলে গল্প লীলা মজুমদার

ছোটদের গল্প নীল হাতি – হুমায়ূন আহমেদ

নীলুর যে মামা আমেরিকা থাকেন তাকে সে কখনও দেখেনি। নীলুর জন্মের আগেই তিনি চলে গিয়েছিলেন। আর ফেরেননি। নীলুর এই মামার কথা বাসার সবাই বলাবলি করে। মা প্রায়ই বলেন, আহ সঞ্জুটা একবার যদি দেশে আসত। কিন্তু নীলুর সেই মামা নাকি আর…

Read Moreছোটদের গল্প নীল হাতি – হুমায়ূন আহমেদ