ছোটদের গল্প

সমানে সমান – জসীম উদ্দিন

ছোট্ট একটা নদী, হাঁটিয়াই পার হওয়া যায়। তার পশ্চিম পারে থাকে এক ট্যাটন, নাম ধূলি । পুব পারে থাকে আর এক ট্যাটন । তার নাম বালি । ট্যাটন মানে অতি চালাক। লোক ঠকাইয়া বেড়ানোই তাহার পেশা । বালি এক ছালা বিচেকলার বীজ মাথায় লইয়া…

Read Moreসমানে সমান – জসীম উদ্দিন

ফিঙে আর কুঁকড়ো – উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী

একটা দানব ছিল, তার নাম ছিল ফিঙে, সে দেড়শো হাত লম্বা শালগাছে ছড়ি হাতে নিয়ে বেড়াত। আর-একটা দানব ছিল, তার নাম কুঁকড়ো। সে ঘুঁষো মেরে লোহার মুগুর থেঁতলা করে দিত। আর যত দানব ছিল, তাদের সকলকেই কুঁকড়ো ঠেঙিয়ে ঠিক করে…

Read Moreফিঙে আর কুঁকড়ো – উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী

কুঁজো আর ভূত – উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী

কানাই বলে একটি লোক ছিল, তার পিঠে ছিল ভয়ংকর একটা কুঁজ। বেচারা বড্ড ভালমানুষ ছিল, লোকের অসুখ-বিসুখে ওষুধপত্র দিয়ে তাদের কত উপকার করত। কিন্তু কুঁজো বলে তাকে কেউ ভালবাসত না। কানাইয়ের ঝুড়ির দোকান ছিল; আর কোনো ঝুড়িওয়ালা তার মত ঝুড়ি…

Read Moreকুঁজো আর ভূত – উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী

গোয়েন্দা বরদাচরণ – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

গোয়েন্দা বরদাচরণ একটা লাউ চুরির কেস নিয়ে খুবই চিন্তিত ছিলেন। কে বা কারা পরশু দিন ন’পাড়ার মোক্ষদা দিদিমার ঘরের চাল থেকে একটি নধর লাউ চুরি করে নিয়ে গেছে। মোক্ষদা দিদিমার নাতি নাড়ুগোপাল বাইরে চাকরি করে, সে বড় লাউয়ের ডাল ভালবাসে।…

Read Moreগোয়েন্দা বরদাচরণ – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

দুঃখীরাম গল্প – উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী

দুঃখীরাম খুব গরীবের ছেলে। সকলে তাহাকে দুঃখীরাম বলিয়া ডাকিত, কিন্তু তাহার এর চাইতে ঢের ভাল একটা নাম ছিল—সেটা আমি ভুলিয়া গিয়াছি। দুঃখীরামের যখন সবে দুই বছর বয়স, তখন তাহার মা-বাপ মরিয়া গেল। পৃথিবীতে তাহার আপনার বলিতে আর কেহই ছিল না,…

Read Moreদুঃখীরাম গল্প – উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী

কর্তার ভূত গল্প – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

  এক বুড়ো কর্তার মরণকালে দেশসুদ্ধ সবাই বলে উঠল, “তুমি গেলে আমাদের কী দশা হবে।” শুনে তারও মনে দুঃখ হল। ভাবলে, “আমি গেলে এদের ঠাণ্ডা রাখবে কে?” তা ব’লে মরণ তো এড়াবার জো নেই। তবু দেবতা দয়া করে বললেন, “ভাবনা…

Read Moreকর্তার ভূত গল্প – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর