ভূতের গল্প

দামুকাকার বিপত্তি – লীলা মজুমদার

অনেক দিন আগেকার কথা; আমাদের গাঁয়ের দামুকাকা সন্ধে করে হাট থেকে বাড়ি ফিরছে। সেদিন বিক্রি ভালোই হয়েছে, দড়ির ঝোলাটা চাঁচাপোঁছা, ট্যাঁকটিও দিব্যি ভারী। কিন্তু তাই বলে যে দামুকাকার মুখে হাসি ফুটেছিল সে কথা যেন কেউ মনে না করে। ওর মতো…

Read Moreদামুকাকার বিপত্তি – লীলা মজুমদার

চোর – লীলা মজুমদার

আপনারা হয়তো চোরকে ঘৃণা করেন? তা করুন, তবু এসব কথা প্রকাশ না করে পারছি না। চোর বলতে যদি ভাবেন আমাদের একটা আস্তানা আছে, সেখান থেকে রোজ রাতে গায়ে তেল মেখে, সিঁদকাঠি বগলে আমি চুরি করতে বেরোই, তা হলে ভুল ভেবেছেন।…

Read Moreচোর – লীলা মজুমদার

মনের মতো বউ (ভূতনাথের ডায়েরি) – অনীশ দেব

‘পাওয়া ভারী দুষ্কর।’ পান চিবোতে-চিবোতে মন্তব্য করলেন বরেন মল্লিক। ‘কেন, মনের মতো বউ পাওয়া দুষ্কর কেন?’ চায়ের কাপে লম্বা চুমুক দিয়ে জানতে চাইলেন প্রিয়নাথ। সুপ্রকাশ পালিতের বৈঠকখানায় বসে কথা হচ্ছিল। সময়টা চৈত্র মাস। সামনের বৈশাখে বরেন মল্লিক তাঁর বড় ছেলের…

Read Moreমনের মতো বউ (ভূতনাথের ডায়েরি) – অনীশ দেব

কনে-দেখা আলোয় (ভূতনাথের ডায়েরি) – অনীশ দেব

‘সব মেয়েকেই ভালো দেখায়।’ ছোট হয়ে-আসা বিড়িতে জোরালো টান দিয়ে মন্তব্য করলেন জগৎ শ্রীমানী। ‘কনে-দেখা আলো কাকে বলে জানতে পারি কি?’ বরেন মল্লিক পান চিবোচ্ছিলেন—একটু খোঁচা দিয়েই প্রশ্নটা ছুড়ে দিলেন জগৎ শ্রীমানীর দিকে। আলোচনাটা শুরু হয়েছিল পাড়ার রবিশঙ্করবাবুর মেয়ের বিয়ে…

Read Moreকনে-দেখা আলোয় (ভূতনাথের ডায়েরি) – অনীশ দেব

সামান্য কুয়াশা ছিল (ভূতনাথের ডায়েরি) – অনীশ দেব

আগাম কোনও খবর না দিয়েই বর্ষা এবার সময়ের আগেই হাজির। আর শুধু হাজির নয়, ইনিংসের প্রথম বল থেকেই একেবারে ঝোড়ো ইনিংস খেলতে শুরু করেছে। যেমনই বৃষ্টির জোর তেমনই হাওয়ার দাপট। শুরুতে অবশ্য এতটা বোঝা যায়নি। বিকেল পড়ে আসার আগেই সুপ্রকাশ…

Read Moreসামান্য কুয়াশা ছিল (ভূতনাথের ডায়েরি) – অনীশ দেব

আঁধারে মায়ার খেলা (ভূতনাথের ডায়েরি) – অনীশ দেব

প্রিয়নাথ বসবার ঘরে ঢুকতেই ভদ্রলোক-ভদ্রমহিলা সোফা ছেড়ে উঠে দাঁড়ালেন। সৌজন্য দেখিয়ে হাতজোড় করে প্রিয়নাথ বললেন, ‘সরি, আপনাদের অনেকক্ষণ বসে থাকতে হল। আসলে এ-সময়টা আমি পুজো করি।’ ‘না, না—তাতে কী আছে!’ ভদ্রলোক হেসে বললেন, ‘আমরাই আধঘণ্টা আগে চলে এসেছি।’ ওঁরা সোফায়…

Read Moreআঁধারে মায়ার খেলা (ভূতনাথের ডায়েরি) – অনীশ দেব