শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

রাজার মন ভালো নেই (মজার গল্প) – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

রাজার মন আর কিছুতেই ভালো হচ্ছে না। মন ভালো করতে লোকেরা কম মেহনত করেনি। রাজাকে গান শোনানো হয়েছে, নাচ দেখানো হয়েছে, বিদূষক এসে হাজার রকমের ভাঁড়ামি করেছে, যাত্রা, নাটক, মেলা—মচ্ছব, যাগ—যজ্ঞ পুজো—পাঠ সব হল। পুবের রাজ্য থেকে আনারস, উত্তরের হিমরাজ্য…

Read Moreরাজার মন ভালো নেই (মজার গল্প) – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

লেজ (মজার গল্প) – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

বাসা বদলানোর পর বদ্যিনাথ কিছু ফাঁপরে পড়ে গেল। যে বাড়িতে এল সে—বাড়ি না হোক তো এক—দেড়শো বছরের পুরোনো। নতুন চুনকাম করা সত্ত্বেও নোনাধরা দেওয়ালের চুনবালি খসে পড়ছে, গত বর্ষার জলের ছাপ এখনও দেয়াল থেকে মোছেনি। তার ওপর বড্ড ঘুপচি আর…

Read Moreলেজ (মজার গল্প) – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

রুণু – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

লালটু বৈরাগী ছিল জমিদারের মাহুত। বেশি বয়স নয় তার। বাইশ—তেইশ হবে, আর যে হাতিটায় সে মাহুত হয়ে চাপত সেটা ছিল বিশাল আকারের। রাস্তা দিয়ে যখন চলত মনে হত একটা পাহাড় হেঁটে যাচ্ছে।   বারবাড়ির মাঠে আমরা খেলতাম, খেলুড়িদের মধ্যে সবচেয়ে…

Read Moreরুণু – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

কেনারাম – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

গিরিজাবাবু নাকি?   যে আজ্ঞে। আমি গিরিজা পুততুণ্ডই বটে। তা আপনি? আমাকে চিনবেন না। আমার নাম করালী ঘোষ। ভীমপুরে সাত পুরুষের বাস।   অ, তা ভালো কথা। এখানে কী কাজে আগমন?   কাজে তেমন কিছু নয়। গোরু খুঁজতে বেরিয়েছি।  …

Read Moreকেনারাম – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

পরাণের ঘোড়া – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

ঘোড়ার মতো জিনিস হয় না। দেখতে যেমন বাহারের, ক্ষ্যামতাও তেমনি দশ মুখে বলার মতো। পরাণ সেই ছেলেবেলা থেকে ঘোড়া দেখে আসছে। তার বাবা গড়ান মণ্ডল ছিল শশীবাবুর আস্তাবলের ছোটো সহিস। মস্ত জমিদার শশীবাবুর ভারি ঘোড়ার শখ। মেলা টাকা খরচ করে…

Read Moreপরাণের ঘোড়া – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

বাঘের দুধ (ছোটদের মজার গল্প) – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

তদানীন্তনবাবুর যে বাঘের সঙ্গে দিব্যি খাতির, তা লোকে জানে। খাতির মাগনা হয়নি। একবার নাকি পাতানাতা খুঁজতে ভুটভুটের জঙ্গলে ঢুকে ভারি ফ্যাসাদে পড়েছিলেন। কানাওলা নামে একরকম ভূত আছে, তারা এমনিতে ফট করে কারও সামনে আসে না কিংবা শব্দ—সাড়াও করে না। তাদের…

Read Moreবাঘের দুধ (ছোটদের মজার গল্প) – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়