সমরেশ মজুমদার

হাঙরের পেটে হিরে (অর্জুন) – সমরেশ মজুমদার

এক  আজ ব্রেকফাস্টের পর অনেকটা সময় গেল শুধু মিটিং করতে। মেজরের মানহাটান ফ্ল্যাটে এসেছিলেন এফবিআই-এর দু’জন বড় অফিসার। লাইটার উদ্ধার করার পর অর্জুনের নিরাপত্তা নিয়ে তারা বেশ চিন্তিত। যে দলটা ওই লাইটার-চক্রান্তে সক্রিয় ছিল, তারা এখন গা ঢাকা দিয়েছে বটে,…

Read Moreহাঙরের পেটে হিরে (অর্জুন) – সমরেশ মজুমদার

খিলজির গুহায় অর্জুন – সমরেশ মজুমদার

এক  ধুলোর ঝড়টা সমানে সামনে এগিয়ে যাচ্ছে। আঠারো ঘোড়ার খুর মাটি থেকে ধুলো তুলে ছুঁড়ে দিচ্ছিল আকাশে। সেই সঙ্গে তাদের মিলিত শব্দ এত তীব্র যা দু’পাশের গ্রামের মানুষ কখনও শোনেনি। আঠারোটা ঘোড়ার গতি ছিল বিদ্যুতের মতো। ঘোড়ার পিঠে যারা লাগাম…

Read Moreখিলজির গুহায় অর্জুন – সমরেশ মজুমদার

অর্জুন এবার বাংলাদেশে – সমরেশ মজুমদার

এক  অমল সোম এখন মানেভঞ্জনে। ঘুম স্টেশন থেকে সান্দাকফু যাওয়ার পথে যে ছোট্ট পাহাড়ি শহর পড়ে তার নাম মানেভঞ্জন। দার্জিলিং থেকে বাসে চেপে এককালে মানেভঞ্জন পর্যন্ত যাওয়া যেত, এখন তো গাড়ি সান্দাকফুতে পৌঁছে যাচ্ছে।   বয়স বাড়ার পরে অমল সোমের…

Read Moreঅর্জুন এবার বাংলাদেশে – সমরেশ মজুমদার

রক্তের আততায়ী (অর্জুন) – সমরেশ মজুমদার

এক  তিস্তার বিশাল চর জুড়ে কাশের বন, একেবারে উলটোদিকে বার্নিশের গা ঘেঁষে হাঁটু অবধি জলের ধারা বয়ে যাচ্ছে। নৌকা চলে না যখন, যারা ওপারে যায় তারা হেঁটেই পারাপার করে। তিস্তার চরে মিহি সাদা বালি দুধের সরের মতো পড়ে থাকে, জোরে…

Read Moreরক্তের আততায়ী (অর্জুন) – সমরেশ মজুমদার

শুকনাঝাড়ে অর্জুন – সমরেশ মজুমদার

এক তিনঘণ্টা দেরিতে দেরিতে চলছে ট্রেন, দোলগোবিন্দবাবু বললেন, এই দেরি নিয়ে চিন্তা করে লাভ নেই ভাই। তিনটা বেড়ে ছয় থেকে নয় ঘণ্টা হলেও যখন মেনে নেওয়া ছাড়া কোনও উপায় নেই তখন যতটা পারো ঘুমিয়ে নাও।   বাইরে বৃষ্টি পড়ছে অঝোরে।…

Read Moreশুকনাঝাড়ে অর্জুন – সমরেশ মজুমদার

আদিম অন্ধকারে অর্জুন – সমরেশ মজুমদার

এক কুলদীপ সিং-এর সঙ্গে অর্জুনের পরিচয় হয়েছিল একটু অদ্ভুতভাবে। গয়েরকাটা হয়ে নাথুয়াতে যাচ্ছিল সে তার বাইকে চেপে। নাথুয়া থেকে চিঠি লিখেছিলেন দিবাকরবাবু। জলপাইগুড়ির জেলা স্কুলে পড়ার সময় যেসব শিক্ষক খুব ছাত্রপ্রিয় ছিলেন দিবাকরবাবু তাঁদের একজন। বিয়ে-থা করেননি। স্কুলের পাশেই একটা…

Read Moreআদিম অন্ধকারে অর্জুন – সমরেশ মজুমদার