ম্যানহাটানের ম্যাডম্যান (একেনবাবু) – সুজন দাশগুপ্ত

শেয়ার করুনঃ

(৮)

শুক্রবার মে ২০, ২০১১

 

[একেনবাবুর কাহিনি আমি আমার ডায়রির নোটগুলো দেখে লিখি। লিখতে বসে দেখছি সোমবারের পরে কোনো এন্ট্রি নেই। পরের এন্ট্রি শুক্রবার থেকে আরম্ভ হয়েছে। এখন মনে পড়ছে একেনবাবু দিন চারেক অন্য একটা কাজে বাইরে গিয়েছিলেন।]

 

আমাদের ডিপার্টমেন্টে দু’জন অফিস অ্যাসিস্টেন্ট। যে সিনিয়র, তার নাম হেলেন ওয়েবার। পঞ্চাশ পঞ্চান্ন বছরের ব্রুনেট, মোটাসোটা মেট্রন টাইপ। অসম্ভব এফিশিয়েন্ট। ডিপার্টমেন্টের সবকিছু ওর নখদর্পণে। মাস চারেক হল একটি নতুন মেয়ে কাজে ঢুকেছে, নাম বেভার্লি বেসিমার। বেভার্লি বা বেভের বয়স তেইশ কি চব্বিশ। সোনালি চুল, নীল চোখ, সুন্দর ফিগার, অ্যাট্রাক্টিভ চেহারা। লোকাট টপ আর শর্ট স্কার্ট ছাড়া কখনো ওকে দেখিনি। আগে ম্যাথমেটিক্স ডিপার্টমেন্টে ছিল, সেখান থেকে বোধহয় তাড়িত হয়ে এখানে এসেছে। সবসময়েই দেখি চেয়ারে বসে নানারকম খুটখাট করে নিজেকে আরও সুন্দরী করার চেষ্টা করছে। কোনও কাজ করতে বললেই মুখটা ভারী হয়ে যায়। ফলে যা দরকার তা হেলেনকেই বলি। এর ওর মুখে শুনি বেভ নাকি ভীষণ পার্টি গার্ল, হাজার হাজার ছেলেকে নাচায়। কথাটায় সত্যতা কিছুটা নিশ্চয় আছে। আমাদের ডিপার্টমেন্টে আসছে জেনে ম্যাথমেটিক্স ডিপার্টমেন্টের রামসুন্দর রেড্ডী আমাকে সাবধান করেছিল, “অ্যাভয়েড হার লাইক এ প্লেগ। এটা আমি অক্ষরে অক্ষরে পালন করি। আমার এক সিনিয়র কলিগ বেভকে ফাদারলি অ্যাডভাইস দিতে গিয়েছিল। বলেছিল, “তুমি এত লো-কাট টপ পরে এসো না, এটা অ্যাকাডেমিক ইনস্টিট্যুশন– অনেকে এতে অসুবিধা বোধ করে।

 

“ডিস্ট্রাক্টেড হয়’ কথাটা বোধহয় বলেনি। বেভ নাকি মুচকি হেসে উত্তর দিয়েছিল, ‘আমাকে কেন বদলাতে বলছ, প্রব্লেমটা তো ওদের।

 

কথাটা যে খুব ভুল তা নয়। প্রাচীন কালে অপ্সরাদের দেখে মুনিঋষিদের যখন পদস্খলন হত, তখন পাপ বা দোষটা মুনিঋষিদের ওপরেই বর্তাত, অপ্সরাদের ওপরে নয়। যাক সে কথা, আমার এক পুরানো ক্লাস ফ্রেন্ড কিশোর রাও হঠাৎ বেভের প্রেমে পড়েছে। একদিন আমার সঙ্গে দেখা করতে এসেছিল, তখনই নিশ্চয় পরিচয় হয়েছিল—ডিটেলটা আমি জানি না। যেটা জানি, কিশোরের অবস্থা এখন বেশ শোচনীয়। বেভ নিশ্চয় প্রেমের ব্যাপারে উদারপন্থী। একজনের সঙ্গে প্রেম করছে বলে, অন্য কারো প্রেম ফিরিয়ে দেবে, এমন সঙ্কীর্ণমনা সে নয়। ফলে জটিলতা দেখা দিয়েছে। এই জটিলতার মধ্যে অনিচ্ছাসত্বেও আমি জড়িয়ে পড়েছি। প্রেমের ব্যাপারে আমি যে কমপ্লিট ফেইলিওর, বার বার জানিয়েও কিশোরের হাত থেকে নিষ্কৃতি পাইনি। ওর ধারণা আমি খুব ধীরস্থির বিচক্ষণ লোক, নিরপেক্ষ দৃষ্টিতে সব কিছু যাচাই করতে পারি। তার ওপর বেভকে আমি চিনি, তাই তার কথা বা হাবভাবের পেছনে সত্যিকারের যে সঙ্কেত লুকিয়ে আছে সেটা আমিই একমাত্র ধরতে পারব। কোয়ায়েট এ কমপ্লিমেন্ট, যদিও রংলি প্লেস্ট। এই চারমাসে আমি বেভের সঙ্গে সব মিলিয়ে আধ ঘণ্টা সময় ব্যয় করেছি কিনা সন্দেহ। যখন করেছি, নিতান্ত দায় ঠেকে। কিন্তু সেগুলো সবিস্তারে জানিয়েও নিষ্কৃতি পাইনি। আমার ধারণা কিশোর একজন শ্রোতা চায়। ইদানীং তাই ওর সঙ্গে বসে মাঝেমাঝেই আমায় কফি খেতে হয়।

 

.

 

কিশোরের সঙ্গে কফি খাব বলেই বেরিয়েছিলাম। কফি কর্নারটা আমাদের অ্যাপার্টমেন্টে যাবার পথেই পড়ে, কলেজ থেকে মাত্র দু’ব্লক দূরে। হাঁটতে হাঁটতে হঠাৎ দোকানটা নজরে পড়ল। এতদিন এই পথে কত হেঁটেছি, কিন্তু চোখে পড়েনি। চোখে না পড়ারই মতো। ঢোকার মুখটা সরু, সাইনবোর্ডটাও সাদামাটা। ফিলাটেলিস্ট কর্নার এমন ভাবে লেখা, সেটা উদ্ধার করতে যে সময়টা লাগবে ম্যানহাটানের ব্যস্ত পথচারীদের তা নেই। আজকেও নজরে পড়ত না, যদি না সেখান থেকে এক ভদ্রলোক বেরিয়ে আমার সামনে এসে দাঁড়াতেন!

 

“হ্যালো দেয়ার, আপনাকেই খুঁজছি, আপনার স্ট্যাম্পের একজন কাস্টমার পাওয়া গেছে।”

 

আমি অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করলাম, “আমার স্ট্যাম্পের কাস্টমার? কী বলছেন আপনি?”

 

ভদ্রলোক একটু যেন থতমত খেয়ে গেলেন। “আপনি যে স্ট্যাম্পটা বিক্রি করতে এনেছিলেন, সেটার কথা বলছি।”

 

“আপনি নিশ্চয় লোক ভুল করছেন।”

 

“ও, আই অ্যাম সো সরি, কিছু মনে করবেন না”, ভদ্রলোক লজ্জা পেয়ে দ্রুত দোকানে ঢুকে গেলেন।

 

.

 

পাঁচটার সময় কিশোরকে বলেছি কফি কর্নারে আসব, কী একটা নতুন ডেভালপমেন্ট হয়েছে সেটা নিয়ে আলোচনা করতে চায়! কফি হাউসে পৌঁছে দেখলাম কিশোর নেই। ঘড়িতে পাঁচটা কুড়ি। নিশ্চয় অধৈর্য হয়ে চলে গেছে। যাবার আগে আমাকে একটা ফোন করতে পারল না?

 

শেষবারের মতো উঁকিঝুঁকি মেরে বেরোতে যাব, দেখি রাজু আর তার বর হেমন্ত এক বৃদ্ধ ভদ্রলোককে নিয়ে কফি খাচ্ছেন। আমাকে দেখে রাজু হাত নেড়ে ডাকলেন।

 

“আপনার ফোন তো সুইচড অফ?”

 

সুইচড অফ! ফোনটা পকেট থেকে বার করতে করতেই মনে পড়ল দুপুরে একটা সেমিনারে ঢোকার আগে ওটা বন্ধ করেছিলাম, তারপর চালু করা হয়নি। জিজ্ঞেস করলাম, “আপনি এই গোপন তথ্যটা জানলেন কী করে?”

 

মুচকি হাসলেন রাজু। “কিশোর আমাদের সঙ্গেই এতক্ষণ বসে ছিল, আপনাকে ধরার চেষ্টা করছিল।”

 

“আপনি কিশোরকে চেনেন?”

 

“কিশোর আমার দাদার ছেলেবেলার বন্ধু। যেটা জানতাম না, সেটা হল কিশোরভাই আপনার এত বন্ধু।”

 

“স্মল ওয়ার্ল্ড।”

 

হেমন্ত বললেন, “বসুন না, একটু কফি খান আমাদের সঙ্গে।” বলে কফির অর্ডার করলেন।

 

খুব একটা বসার ইচ্ছে ছিল না, তাও বসলাম। “মিস্টার সেন কি নীলার আংটি কিনেছেন?” হেমন্ত জিজ্ঞেস করলেন।

 

“ইন্টারনেটে সেদিন খুঁজছিলেন দেখেছি, কিন্তু আঙ্গুলে ফিট করবে কি না, সে নিয়ে দুশ্চিন্তা করছিলেন।”

 

“আপনারা সেদিন চলে যাবার পর রাজু রাগ করল। বলল, আমার আরও হেল্পফুল হওয়া উচিত ছিল। একশো দু’শো ডলারের মধ্যে আর্টিফিশিয়াল নীলা নিশ্চয় জোগাড় করে দিতে পারতাম। কিন্তু মুশকিল কি জানেন? শনির দশা কাটাতে চাইলে জেনুইন জিনিসের উপরই ভরসা করা উচিত।”

 

আমি একটু ইতস্তত করে বললাম, “সেদিন অবশ্য এ নিয়ে একবার কথা হয়েছে, তাও আরেকবার জিজ্ঞেস করছি, আপনি কি সত্যি সত্যি নীলার এফেক্টে বিশ্বাস করেন?”

 

“করি। আমি জুয়েল বেচে খাই, এগুলো বিশ্বাস না করলে বেচব কেন? ওই যা, আপনার সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়নি। ইনি আমার আঙ্কল মিস্টার বিলাস চুগানি। ইন্ডিয়া থেকে বেড়াতে এসেছেন। আর ইনি প্রফেসর দে, রাজুর ইউনিভার্সিটিতে পড়ান।”

 

.

 

বৃদ্ধ ভদ্রলোক এতক্ষণ ব্লু-লেস মুখ করে আমাদের কথা শুনছিলেন। হেমন্ত পরিচয় করিয়ে দিতেই হাত জোড় করে বললেন, “নমস্তে।”

 

আমিও নমস্কার করলাম।

 

হেমন্ত ওঁর আঙ্কলকে সংক্ষেপে আমাদের কথাগুলোর সূত্র ধরিয়ে দিলেন। সেটা শুনে মিস্টার চুগানি বললেন, “তুমি ঠিকই করেছ হেমন্ত, নীলা নিয়ে ছেলেখেলা নয়। সবাইকে।

 

ওটা বিক্রি করা ঠিক নয়, দেখলে তো জন হেক্টারের কী হল?”

 

আমি জিজ্ঞেস করলাম, “আপনি জন হেক্টারকে চিনতেন?”

 

“খুব ভালো করে। সেকি আজকের কথা ১৯৭০ সাল থেকে চিনি। সাউথ ইন্ডিয়ার টেম্পেল আর্কিটেকচার নিয়ে একটা বই লিখবে বলে এসেছিলেন। মন্দিরের প্রচুর ছবি তুলেছিলেন। ত্রিচিতেও ছিলেন বেশ কিছুদিন, সেখানেই আমার আর হেমন্তের বাবার সঙ্গে ওঁর আলাপ। ত্রিচিতে থাকতে থাকতেই ইংল্যান্ডের একটা কাগজের স্টাফ রিপোর্টারের কাজ পেয়ে গিয়ে বেশ কয়েক বছর ইন্ডিয়াতে ছিলেন।”

 

“উনি মারা গেলেন কী ভাবে?”

 

“সেটাই রহস্য। কিছুদিন আগে উনি আবার ইন্ডিয়াতে এসেছিলেন। আমি যেদিন দেশ থেকে রওনা দিই, তার ঠিক দু’দিন আগে আমার বাড়ি এসে খুব হইচই করলেন। পুরোনো দিনের অনেক কথা হল। তখনই হেমন্তের কাছ থেকে কেনা আংটিটা দেখালেন। আমি অবশ্য সাবধান করলাম জ্যোতিষ না দেখিয়ে নীলা ধারণ করার ব্যাপারে। একেবারেই পাত্তা দিলেন না। যেদিন আমার ফ্লাইট, সেদিন সকালে নিউজে শুনি হোটেলে কেউ ওঁকে গুলি করেছে!”

 

“আশ্চর্য! আচ্ছা, ওঁর কথাবার্তায় এরকম যে কিছু ঘটতে পারে আঁচ করতে পেরেছিলেন কি?”

 

“একেবারেই নয়। সাউথে বহুদিন উনি কাটিয়েছেন, এসেছিলেন পুরানো বন্ধুদের সঙ্গে দেখা করতে। প্রথম দিনই ফোনে পরিচিত অনেকের খবর নেন। যাদের ফোন নম্বর আমার কাছে ছিল সেগুলো দিই। শুধু একজনের খবর আমি জানতাম না। জানতে চেয়েছিলেন, কল্পনা কোথায় আছে? প্রথমে বুঝিনি কার কথা বলছেন। তারপর মনে পড়ল বহু বছর আগের ঘটনা। ত্রিচিতে একটা টেম্পল মার্ডার কেসে যে কনভিক্টেড হয়েছিল তার কথাই নিশ্চয় হবে। কল্পনাকে আমি চিনতাম না। তবে ওর বাবাকে আমার বাবা চিনতেন। তিনি ছিলেন সেই মন্দিরের পুরোহিত।”

 

“মাই গড, টেম্পলে এরকম মার্ডার হয়?” আমি জিজ্ঞেস করলাম।

 

“আপনি সাউথ ইন্ডিয়ায় মন্দিরগুলো দেখেছেন কিনা জানি না, সেখানে ভক্তদের দেওয়া সোনাদানা হীরে জহরৎ যা থাকে, তা যে কোনও ব্যাঙ্কের ডোল্ট বা রাজা মহারাজার সিন্দুককে হার মানাতে পারে। চুরি-ডাকাতির বড় টার্গেট।”

 

“কিন্তু জন হেক্টার ওই মহিলার খোঁজ করছিলেন কেন? উনিও কি চুরি-ডাকাতি করার প্ল্যান করছিলেন? নিশ্চয় ওই নীলা-ধারণের ফল!” আমি একটু ফাজলামি করেই কথাটা বললাম।

 

মিস্টার চুগানি বোধহয় ঠাট্টাটা বুঝলেন না। এক মুহূর্ত চুপ থেকে বললেন, “তুমি ইয়ং ম্যান, তার ওপর বাঙালি– তুমি বা তোমরা হয়তো ভাব এগুলো কুসংস্কার। কিন্তু ট্রাস্ট মি, নীলা সবার স্যুট করে না, এটা নিয়ে ছেলেখেলা করা উচিত নয়, এর এফেক্ট কুড বি ডেঞ্জারাস।”

 

.

 

ইতিমধ্যে কফি এসে গেছে। আমি বৃদ্ধ ভদ্রলোকের বিশ্বাসে আর আঘাত করতে চাইলাম না, কফিতে চুমুক দিয়ে বললাম, “ইউ মে বি রাইট। কিন্তু একটা জিনিস এখনো স্ট্রেঞ্জ লাগছে, মিস্টার হেক্টার হঠাৎ ওই মহিলার প্রসঙ্গ তুললেন কেন, ওঁরা কি বন্ধু ছিলেন?”

 

“তা বলতে পারব না। পরিচয় নিশ্চয় থাকতে পারে, মন্দির নিয়ে যখন বই লিখছিলেন।”

 

এমন সময় আমাকে অবাক করে দিয়ে হেমন্ত বললেন, “আমি কিন্তু জানতাম জন হেক্টার কল্পনার খোঁজ করবেন। উনি ক্রিমিনালদের নিয়ে ফলো-আপ স্টোরি লিখছিলেন। অপরাধ করে দোষী ধরা পড়লে, তার শাস্তি না হওয়া পর্যন্ত খুব হইচই হয়। তারপরে তাদের কথা সবাই ভুলে যায়। জেল থেকে ছাড়া পেয়ে তারা কে কী করছে, সেই খবরটা আর পাওয়া যায় না। ওঁর লেখা সেই সব গল্প কাহিনি পত্রিকায় মাঝে মাঝে বেরোয়। যাবার আগে আমায় কল্পনার গল্পটা বলেছিলেন।”

 

“কী গল্প?” আমি প্রশ্ন করলাম।

 

“বিরাট কোনও গল্প নয়। আঙ্কল যা বললেন তাই… ইট ওয়াজ এ রবারি, সেটা আটকাতে গিয়ে একজন খুন হয়। তবে পুলিশ বুঝতে পেরেছিল কল্পনা একা কাজটা করেনি, কিন্তু দলে আর কারা জড়িত– সেটা উদ্ধার করা যায়নি। পুলিশের অনুমান অন্য যারা ছিল তাদের মধ্যে একজন কল্পনার বয়ফ্রেন্ড।” এটা বলে হেমন্ত ওর আঙ্কলকে জিজ্ঞেস করল, “তুমিও কি এটা শুনেছিলে?”

 

“হ্যাঁ, এরকমই কিছু একটা শুনেছিলাম। এও শুনেছিলাম জেলে কল্পনা খুব মানসিক কষ্টে ছিল, একবার আত্মহত্যার চেষ্টাও করেছিল। তখন নাকি জেলার আর জেলারের স্ত্রীর চেষ্টায় অবস্থার কিছু উন্নতি হয়। জেল থেকে মুক্তি পেয়ে মাঝেমাঝেই নাকি মাথায় গোলমাল হত, সত্যি কি না জানি না।”

 

“এটা আমি জানতাম না,” বলে ঘড়ির দিকে এক ঝলক তাকিয়ে হেমন্ত উঠে পড়লেন। “আই অ্যাম সরি, আমায় এখন দোকানে যেতে হবে, আপনারা বসে বসে গল্প করুন।”

 

আমি বললাম, “না, না, আমাকেও উঠতে হবে।”

 

কফির পয়সা দিতে চাইলাম হেমন্ত কোনও কথা কানে তুললেন না। বললেন, “আঙ্কল থাকতে থাকতেই একদিন বাড়িতে আসুন না, ভালো করে গল্প করা যাবে।”

 

‘‘আসব।”

 

“গুড, তাহলে রাজু আপনাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে সুবিধা মতো একটা দিন ঠিক করে নেবে।”

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *