বুদ্ধদেব গুহ

ঋজুদার সঙ্গে ম্যাকক্লাস্কিগঞ্জে – বুদ্ধদেব গুহ

ম্যাকক্লাস্কিগঞ্জে গেছিস কখনও? ঋজুদা জিজ্ঞেস করল আমাদের। প্রতি সপ্তাহান্তে শনিবার রাতে ঋজুদার বিশপ লেফ্রয় রোডের ফ্ল্যাটে আমাদের যে জমায়েত হয়, সেই জমায়েত জমে উঠতেই। তিতির বলল, যাইনি, তবে জায়গাটা সম্বন্ধে অনেক কিছুই জানি। ভটকাই বলল, ‘ভ্রমণ’ পত্রিকাতে পড়েছি আমিও কৌশিক…

Read Moreঋজুদার সঙ্গে ম্যাকক্লাস্কিগঞ্জে – বুদ্ধদেব গুহ

ঋজুদার সঙ্গে স্যেশেলসে – বুদ্ধদেব গুহ

স্কুল থেকে ফিরতেই মা বললেন, ঋজু ফোন করেছিল। তোদের সকলকে যেতে বলেছে আগামীকাল সন্ধেবেলা। রাতে ওখানেই খেয়ে আসতে বলেছে। সন্ধেবেলা? হ্যাঁ। সিক্স-ও-ক্লক শার্প। সেটা না বললেও হত। মনে মনে বললাম। ঋজুদার সঙ্গে এতদিন ঘুরছি আর সময়জ্ঞান হয়নি কি আর! পারলে,…

Read Moreঋজুদার সঙ্গে স্যেশেলসে – বুদ্ধদেব গুহ

কাঙ্গপোকপি (ঋজুদা) – বুদ্ধদেব গুহ

ঋজুদা নেই? গদাধরদা দরজা খুলতেই আমি জিজ্ঞেস করলাম। তা তিনি নেই তো কী, আমি তো আচি। ভিতরে এইস্যে বইস্যো দিকি। তা এতদিন কোতায় পাইলে গেচিলে তুমি, রুদ্দ বাবু? পাইলে কেন যাব? ময়না মাসি তো এখন মাইসোরে থাকে। তিতিমিতির জঙ্গলে ঘুরে…

Read Moreকাঙ্গপোকপি (ঋজুদা) – বুদ্ধদেব গুহ

ঋজুদার সঙ্গে অচানকমার-এ – বুদ্ধদেব গুহ

বেলা যদিও হয়েছে, কিন্তু যেখানে দাঁড়িয়েছিলাম তার পুবে একটি পাহাড় ছিল। সেটি ডিঙিয়ে আসতে সূর্যের সময় লাগল প্রায় ঘণ্টাখানেক। আমরা বাংলা থেকে অনেকক্ষণ হলই বেরিয়েছি। সূর্যটা সবে উঠছে পাহাড়ের ওপাশে। এখনও এই অচানমারে শীত শীত ভাব আছে এই মার্চ মাসের…

Read Moreঋজুদার সঙ্গে অচানকমার-এ – বুদ্ধদেব গুহ

ঋজুদার সঙ্গে বক্সার জঙ্গলে – বুদ্ধদেব গুহ

এক কী রে রুদ্র! ভটকাই মনমরা হয়ে বলল, ঋজুদা কি শুধু শুধুই বেড়াতে যাবে! এবারেও? সেবারে বলল, ভীরাপ্পানের খোঁজে যাবে নীলগিরি পাহাড়ে কর্ণাটক আর তামিলনাড়ুর সীমান্তে, শেষ অবধি তাও গেল না, মধ্যে দিয়ে আমার মাথাটাই ন্যাড়া করতে হল। মিছিমিছি। ছিঃ।…

Read Moreঋজুদার সঙ্গে বক্সার জঙ্গলে – বুদ্ধদেব গুহ

ল্যাংড়া পাহান (ঋজুদা) – বুদ্ধদেব গুহ

এক গরমের ছুটিতে বহু বছর পরে একসঙ্গে কোথাও এলাম আমরা। তাই না? তিতির বলল। যা বলেছ। আমি বললাম। পাশের কটেজ থেকে ঋজুদাও এসে যে কটেজে আমি আর ভটকাই রাতে ছিলাম তার বারান্দাতে উঠল, পাজামা-পাঞ্জাবি পরে। লংক্লথের পাজামা আর আদ্দির পাঞ্জাবি।…

Read Moreল্যাংড়া পাহান (ঋজুদা) – বুদ্ধদেব গুহ