অতীন বন্দ্যোপাধ্যায়

অ্যালবাম অতীন বন্দ্যোপাধ্যায়

আমাদের কিছুই আর ভালো লাগছিল না। জাহাজ কবে দেশে ফিরবে জানি না। মাসের পর মাস দরিয়ার ভাসছি। বন্দরে মাল নামাচ্ছি। মাল তুলছি। জাহাজঘাটায় তবু দিন কেটে যায়। জাহাজে নানা কিসিমের কিনারার মানুষ উঠে আসে। তাদের সঙ্গে আলাপ হয়। কেউ আসে—সস্তায়…

Read Moreঅ্যালবাম অতীন বন্দ্যোপাধ্যায়

স্বপ্নবৎ – অতীন বন্দ্যোপাধ্যায়

শৈশবে সাঁকো পারাপার ছিল আমাদের প্রিয় খেলা। অবশ্য শৈশব না কৈশোরকাল এখন আর তা ঠিক মনে করতে পারছি না। আমি, কুট্টি মাসি, কুট্টি মামা, ছোটন দাদু সবার ছিল এটা বড়ো প্রিয় খেলা। শীত গ্রীষ্মে মামার বাড়ি যাবার এই এক আগ্রহ…

Read Moreস্বপ্নবৎ – অতীন বন্দ্যোপাধ্যায়

মৃত্যুচিন্তা – অতীন বন্দ্যোপাধ্যায়

বয়সটা তাঁর বড়ো খারাপ প্রিয়তোষ বোঝেন। এই বয়সে একা থাকলেই তাঁর যত মৃত্যুচিন্তা মাথায় ঢুকে যায়।   কেবল ভাবেন আর কত দিন!   প্রশ্নটা নানাভাবে তাঁকে তাড়া করে। মৃত্যুচিন্তা তাঁকে বড়োই পীড়া দেয়। মায়ের মৃত্যুর পরই এটা তাঁর বেশি হয়েছে।…

Read Moreমৃত্যুচিন্তা – অতীন বন্দ্যোপাধ্যায়

আত্মরতি – অতীন বন্দ্যোপাধ্যায়

এই যাবি টুম্পা।   কোথায়?   মিডনাইট ফ্যাশন শোতে।   ওরে বাপস, এত রাতে।   তোদের ফ্ল্যাট থেকে বেশি দূর না, হেঁটেই যাওয়া যাবে। তুই আমি পালিয়ে যাবি!   মরতে চাস নাকি।   এখন তো আমাদের মরারই বয়স রে। গেলে…

Read Moreআত্মরতি – অতীন বন্দ্যোপাধ্যায়

মণিমালা – অতীন বন্দ্যোপাধ্যায়

তপোময়ের লেখালিখি মাথায় উঠেছে। কিছুই লিখতে পারছেন না। কিছুটা হতাশাও। বয়স হয়ে গেলে এমনই বুঝি হয়। গত তিন-চার মাসে তিনি একটা লাইনও লেখেননি। লেখার কোনো প্রেরণা পাচ্ছেন না— প্রেক্ষিতবিহীন এক শূন্যতার মধ্যে তিনি ডুবে যাচ্ছেন। তিনি চুপচাপ বসে থাকেন জানালায়।…

Read Moreমণিমালা – অতীন বন্দ্যোপাধ্যায়

বিদ্যুৎলতা – অতীন বন্দ্যোপাধ্যায়

আমাদের দেশকালের এবং জীবনযাপনের যাবতীয় দৃশ্য উল্লেখ করা দরকার, এই কারণে যে তার একটা চালচিত্র ইতিহাসের পক্ষে অত্যন্ত জরুরি। যেমন আমাদের একান্নবর্তী পরিবার এবং বাবা-জ্যাঠা-কাকারা প্রবাস থেকে ফিরে বড়ো ঘরে প্রথমে মাথা ঠুকে তারপর গৃহদেবতার বারান্দায় প্রণাম করতেন। বড়ো ঘরে…

Read Moreবিদ্যুৎলতা – অতীন বন্দ্যোপাধ্যায়