অতীন বন্দ্যোপাধ্যায়

আত্মসম্মান – অতীন বন্দ্যোপাধ্যায়

সঞ্চারী বাস থেকে নেমে গেল। এই স্টপেই সে নামে। গাছের ছায়ায় দাঁড়িয়ে সে কাউকে যেন খুঁজছে। শরঙ্কাল, এবং আকাশ নীল অর্থাৎ শরৎকালে যেমনটা হয়ে থাকে। ভ্যাপসা গরম আবার রাতের দিকে ঠান্ডা বাতাসের আমেজ। নাকে কপালে বিন্দু বিন্দু ঘাম। বাসের ভিড়ে…

Read Moreআত্মসম্মান – অতীন বন্দ্যোপাধ্যায়

অন্নপূর্ণা – অতীন বন্দ্যোপাধ্যায়

প্রণাম করো। তোমার দিদিশাশুড়ি। ভিড় থেকে আত্মীয়-পরিজনের কে কথাটা বললেন চাঁপা বুঝতে পারল না। প্রায় অন্ধকার ঘরে তিনি শুয়ে আছেন। ঘরে ওষুধের গন্ধ। ডেটলের গন্ধ কিংবা ফিনাইলের গন্ধ, ঠিক কীসের গন্ধ সে বুঝতে পারছে না। সারা রাস্তায় ট্রেনের ধকল গেছে,…

Read Moreঅন্নপূর্ণা – অতীন বন্দ্যোপাধ্যায়

টটনের কুকুর – অতীন বন্দ্যোপাধ্যায়

টটনের বাবা খুব গরিব। কিছু জমিজমা, পুকুর ছাড়া টটনের বাবা মনমোহন বলতে গেলে ফকির। টটনের ভাইবোন মেলা। মা-ঠাকুমা তো আছেনই। জমিজমায় চলে না। প্রথমে কোপটা পড়ল উটনের ওপর। ওর লেখাপড়া বন্ধ। জমির কাজে লেগে গেলে সংসারে দু-পয়সা আসে। গোরু-বাছুর সামলালে…

Read Moreটটনের কুকুর – অতীন বন্দ্যোপাধ্যায়

ফুলের বাস – অতীন বন্দ্যোপাধ্যায়

গল্পের কোনো কোনো চরিত্র আমাকে কুহকে ফেলে দেয়। গল্পে সে কিছুতেই ঠিকঠাক উঠে আসে না। তাকে ঠিক ধরা যায় না। কাহিনি হয়, কিন্তু সত্য প্রকাশ হয় না। আমার সৃষ্ট চরিত্র বাদশা মিঞা মাঝে মাঝে এভাবে তাড়া করে। তখনই মনে হয়…

Read Moreফুলের বাস – অতীন বন্দ্যোপাধ্যায়

ট্রেন বে-লাইন হলে – অতীন বন্দ্যোপাধ্যায়

স্কুল ছুটি হয়ে গেছে অথচ সে ফিরে যায়নি। বনলতা বিড়বিড় করে বকছে। কেমন হিম হয়ে গেছে শরীর। দারোয়ানকে রিকশা ডেকে দিতে বলার জন্যও যে শক্তির দরকার তাও সে হারিয়েছে। অংশু তো কোথাও যায় না। স্কুল ছুটি হয়ে গেছে, সে গেল…

Read Moreট্রেন বে-লাইন হলে – অতীন বন্দ্যোপাধ্যায়

হরিচরণবাবু – অতীন বন্দ্যোপাধ্যায়

ঈশ্বর যখন আছেন, তখন ভূতও থাকবেন। হরিচরণবাবু আমাকে এমন বলতেন। আমরা একসঙ্গে তখন একটা কারখানায় কাজ করি। হরিচরণবাবুকে কারখানায় আমি কাজ দিয়েছিলাম। মাথায় টাক, বয়স হয়েছে, বেকার ছিলেন, বাবা ডাকসাইটে ফুটবলার ছিলেন এবং বলতে গেলে আমার কাছে চাকরির উমেদারিতে যখন…

Read Moreহরিচরণবাবু – অতীন বন্দ্যোপাধ্যায়