অর্জুন এবার নিউইয়র্কে – সমরেশ মজুমদার
তেরো
জো-কে রশিদ দিয়ে ডি সিলভার বক্তব্য জানিয়ে বাড়ি ফিরে এল অর্জুন। তাকে দেখামাত্র মেজর হাসলেন, আগে হলে আমি খুব রাগারাগী করতাম। এখন তো ওই জীবনে নেই, তাই কিছু বলছি না।
অর্জুন বলল, আমি জো-এর কাছে গিয়েছিলাম। জো আমাকে ব্রঙ্কসে পাঠাল প্যাকেট ডেলিভারি করতে।
আবার ব্রঙ্কসে গিয়েছিলে? আর আমি তৈরি হয়ে বসে আছি তোমার সঙ্গে অভিযানে যাব বলে। না হয় আমি বুড়ো হয়েছি, তাই বলে…!
এই সময় ফোন বেজে উঠতে মেজর কথা থামিয়ে উঠে গেলেন রিসিভার তুলতে, হ্যালো! মেজর বলছি! আঁ? সে কী! কী করে হল? তাই নাকি? তবে দ্যাখো, তুমি আমার উপর ভরসা করতে পারোনি ওকে দেখার পর। নিশ্চয়ই নিশ্চয়ই, যখন ইচ্ছে চলে এসো জিম। বাই।
রিসিভার রেখে ঘুরে দাঁড়ালেন মেজর। ঠিক আগের মতো চিৎকার করে উঠলেন, তুমি, তুমি একটা যাচ্ছেতাই, একদম যাচ্ছেতাই!
মানে? অর্জুন অবাক।
এগিয়ে এসে দু’হাতে জড়িয়ে ধরলেন মেজর, থ্যাঙ্ক ইউ। টম এইমাত্র তার বাড়িতে পৌঁছেছে। দে আর সো হ্যাপি। হ্যাঁ, আজ আমি চিকেন রান্না করব আবার। জিম বলেছে কাল গালা লাঞ্চ খাওয়াবে।
চিকেন যখন খাবেন তখন দাড়িটাও রাখুন। হেসে অর্জুন বলল।
অ্যাঁ? অট্টহাস্যে ভেঙে পড়লেন মেজর, তুমি যাচ্ছেতাই রকমের ভাল!
