ঋজুদা সমগ্ৰ (সিরিজ)

ঋজুদা বুদ্ধদেব গুহের সৃষ্টি একটি কাল্পনিক চরিত্র। ঋজুদার সম্পূর্ণ নাম ঋজু বোস। তিনি একজন প্রাক্তন শিকারী, যিনি পরবর্তীতে পশুপাখি সংরক্ষণে কাজ করেন। ঋজুদা অনেকটা অ্যাডভেঞ্চারপ্রিয়, বিভিন্ন জঙ্গলে অভিযান করেন এবং তাঁর সঙ্গী থাকে রুদ্র, তিতির ও ভটকাই নামের চরিত্ররা। রুদ্র এই গল্পগুলির বর্ণনাকারী। কাহিনীগুলো প্রধানত পূর্ব ভারতের অরণ্যে ভিত্তি করে আবর্তিত হয়। ঋজুদার গল্পগুলোতে বনের জীবন, বন্যপ্রাণী, শিকার ও গোপন রহস্যের মিশ্রণ পাওয়া যায়। এছাড়া খাবারের বর্ণনাও গল্পের একটি আকর্ষণীয় দিক।

 

ঋজুদা সিরিজ প্রথম মুক্তি পায় ১৯৭৩ সালের এপ্রিল মাসে ‘ঋজুদার সঙ্গে জঙ্গলে’ উপন্যাসের মাধ্যমে। বুদ্ধদেব গুহের নিজস্ব জীবনের কিছু বৈশিষ্ট্য যেমন পুরোনো সঙ্গীতের প্রতি দুর্বলতা ও সুগন্ধি তামাকের পাইপ খাওয়া ঋজুদার চরিত্রে প্রতিফলিত হয়।

ঋজুদার সঙ্গে জঙ্গলমহলে (কিশোর গল্প) – বুদ্ধদেব গুহ

বিকেলে খেলে ফিরতেই ছোড়দি বলল, ‘এই রুদ্র, তোকে ঋজুদা ফোন করেছিল৷’   খেলার ঘেমো জামাকাপড় না ছেড়েই ঋজুদাকে ফোন করলাম৷ বললাম,‘হ্যালো, ঋজুদা আমি বলছি৷ ফোন করেছিলে কেন?’   ঋজুদা একটু চাপা হাসি হাসল৷ বলল, ‘স্কুল খুলছে কবে?’   ‘তেইশে জুন৷’…

Read Moreঋজুদার সঙ্গে জঙ্গলমহলে (কিশোর গল্প) – বুদ্ধদেব গুহ

ঋজুদার সঙ্গে সিমলিপালে (কিশোর গল্প) – বুদ্ধদেব গুহ

ভর-দুপুর৷ টাইগার প্রোজেক্টের ডিরেকটর সাঙ্খালা সাহেব, যশীপুরের খৈরী-খ্যাত চৌধুরী সাহেব ও আরো একজন দক্ষিণ ভারতীয় একোলজিস্ট, ওড়িশার ন্যাশনাল পার্ক সিমলিপালের পাহাড়ের মধ্যে বড়াকামড়ার ছোটো বাংলোর বারান্দায় বসে লাঞ্চ খাচ্ছিলেন৷   ঋজুদা তাঁদের টা-টা করে বেরিয়ে পড়লেন৷ জেনাবিলের দিকে৷ জিপের মুখটা…

Read Moreঋজুদার সঙ্গে সিমলিপালে (কিশোর গল্প) – বুদ্ধদেব গুহ

লিলি সিম্পসন-এর বাঘ (ঋজুদা) – বুদ্ধদেব গুহ

এক উরি বাবাঃ। একেবারে কাঁড়িয়া পিরেত মারা শীত। রুদ বাংলোর বসার ঘরের দরজাটা ফাঁক করে ট্রেতে করে এক থালা গরম পেঁয়াজি বাবুর্চিখানা থেকে এনেই দড়াম করে শালকাঠের পেল্লায় পাল্লাটাকে ভেতর থেকে বন্ধ করে ঘরের মধ্যে ঢুকল ভটকাই। ঢুকে, ট্রেটাকে সেন্টার…

Read Moreলিলি সিম্পসন-এর বাঘ (ঋজুদা) – বুদ্ধদেব গুহ

কেশকাল-এর বাঘিনী (ঋজুদা) – বুদ্ধদেব গুহ

চৈত্রের শেষ। এখনও কালবৈশাখীর সময় আসেনি তবু দুপুর থেকেই মেঘলা করেছিল। বিকেলের দিকে সেই মেঘের কালোতে সিঁদুরের ছোঁয়া লাগল আর শুরু হল তাণ্ডব। হাওয়ার এক দমকে বহুবর্ণ শুকনো পাতারা বৃন্তচ্যুত হয়ে একঝক বহুবর্ণ পাখির মতো একই সঙ্গে যেন ডাল ছেড়ে…

Read Moreকেশকাল-এর বাঘিনী (ঋজুদা) – বুদ্ধদেব গুহ

ছোটিডোঙ্গরির চিতা (ঋজুদা) – বুদ্ধদেব গুহ

সূর্য ডোবার দেরি আছে তখনও ঘণ্টাখানেক। আমরা একটা শালগাছের দুদিকে বসে আছি। এমন কখনও আগে করিনি কোথাওই শিকারে গিয়ে। একই গাছে উত্তরমুখো মাচাতে বসেছি আমি আর দক্ষিণদিকের মাচাতে বসেছে ঋজুদা। ডোঙ্গাজারি পাহাড়টা দেখা যাচ্ছে ঋজুদা যেদিকে বসেছে সেইদিক থেকে আর…

Read Moreছোটিডোঙ্গরির চিতা (ঋজুদা) – বুদ্ধদেব গুহ

ফাগুয়ারা ভিলা (ঋজুদা) – বুদ্ধদেব গুহ

এক নেপালি দারোয়ান মস্ত বড় লালরঙা গেটটা ভিতর থেকে খুলে দিতেই ফাগুয়ারা ভিলা’র হাতার বাইরের লাল মাটির পথে পড়েই ভটকাই আমাকে বলেছিল, দেখলি, যা বলেছিলাম কলকাতাতে, ঠিক তাই-ই হল। তিতির বলেছিল, আমাদের উপরে যেন অভিশাপ লেগেছে। সত্যি! আমি বলেছিলাম। গাড়ি…

Read Moreফাগুয়ারা ভিলা (ঋজুদা) – বুদ্ধদেব গুহ