মিসির আলি সমগ্র (সিরিজ)

মিসির আলি হুমায়ূন আহমেদ সৃষ্ট বাংলা সাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় ও রহস্যময় কাল্পনিক চরিত্র। মিসির আলি সিরিজের বইগুলো মনস্তাত্ত্বিক রহস্যভিত্তিক—এগুলো পুরোপুরি গোয়েন্দা উপন্যাস নয়, বরং বিজ্ঞাননির্ভর ও যুক্তিনির্ভর কাহিনিতে নির্মিত।

 

  • মিসির আলির পূর্ণ পরিচয়: তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞানের আংশিক সময়ের অধ্যাপক ও প্যারাসাইকোলজিতে বিশেষ জ্ঞান রাখেন। যদিও তিনি পেশাগতভাবে মনোরোগ বিশেষজ্ঞ নন, নানা মানুষ মানসিক সমস্যার সমাধানের জন্য তার কাছে আসেন। তিনি কখনোই সম্মানী গ্রহণ করেন না। মূলত যুক্তিবাদী—অলৌকিক বিষয়ে তিনি বিশ্বাস করেন না এবং রহস্য সমাধান করেন যুক্তি ও বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণে।

 

  • চরিত্রের বৈশিষ্ট্য: গম্ভীর, নিঃসঙ্গ, কালো বর্ণ, লম্বা ও কখনও রোগাটে দেখানো হলেও কোনো গল্পে খাটো বলেও উল্লেখ আছে। তার একটি ডায়েরি রয়েছে—‘UNSOLVED’—যেখানে তিনি অপূর্ণ রয়ে যাওয়া রহস্যগুলো লিখে রাখেন।

 

  • মিসির আলির প্রথম উপস্থিতি: উপন্যাস ‘দেবী’ (১৯৮৫ সালে প্রকাশিত)।

 

  • জনপ্রিয় বই: দেবী, নিশীথিনী, বিপদ, নিষাদ, অমিমাংসিত রহস্য, অনীশ সহ মোট ২০টিরও বেশি বই রয়েছে এই সিরিজে।

 

  • চরিত্র সৃষ্টির পেছনের গল্প: হুমায়ূন আহমেদ যুক্তরাষ্ট্র সফরের সময় নর্থ ডাকোটা রাজ্যের এক শহর ঘুরতে গিয়ে এই চরিত্রটির চিন্তা করেন এবং পরে বাংলাদেশে ফিরে ‘দেবী’ লেখেন।

 

বাংলাদেশি সাহিত্যে, টেলিভিশন ও চলচ্চিত্রে মিসির আলি চরিত্রটি গত তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে ব্যাপক জনপ্রিয় ও প্রভাবশালী।

অনীশ – হুমায়ূন আহমেদ (মিসির আলি)

এক হাসপাতালের কেবিন ধরাধরি ছাড়া পাওয়া যায় না, এই প্রচলিত ধারণা সম্ভবত পুরোপুরি সত্যি নয়। মিসির আলি পেয়েছেন, ধরাধরি ছাড়াই পেয়েছেন। অবশ্যি জেনারেল ওয়ার্ডে থাকার সময় একজন ডাক্তারকে বিনীতভাবে বলেছিলেন, ‘ভাই একটু দেখবেন—একটা কেবিন পেলে বড় ভালো হয়।’ এই সামান্য…

Read Moreঅনীশ – হুমায়ূন আহমেদ (মিসির আলি)

বিপদ – হুমায়ূন আহমেদ (মিসির আলি)

এক আফসারউদ্দিন খুব গম্ভীর ধরনের একটা দেশি জাহাজ কোম্পানির বড় অফিসার। বড় অফিসাররা এমনিতেই গাড়ীর হয়ে থাকেন। ইচ্ছে না-করলেও তাঁদের গাষ্ঠীর থাকতে হয়। আফসার সাহেবের ক্ষেত্রে ব্যাপারটা সে-রকম নয়। তিনি এই গান্তীর্য নিয়েই জন্মগ্রহণ করেছেন। কঠিন হয়ে থাকতেই তাঁর ভালো…

Read Moreবিপদ – হুমায়ূন আহমেদ (মিসির আলি)

সঙ্গিনী (গল্পগ্রন্থ, ভয়) – হুমায়ূন আহমেদ

মিসির আলি বললেন, ‘গল্প শুনবেন নাকি?’   আমি ঘড়ির দিকে তাকালাম। রাত মন্দ হয় নি। দশটার মতো বাজে। বাসায় ফেরা দরকার। আকাশের অবস্থাও ভালো না। গুড়গুড় করে মেঘ ডাকছে। আষাঢ় মাস। যে-কোনো সময় বৃষ্টি নামতে পারে।   আমি বললাম, ‘…

Read Moreসঙ্গিনী (গল্পগ্রন্থ, ভয়) – হুমায়ূন আহমেদ

জিন-কফিল (গল্পগ্রন্থ, ভয়) – হুমায়ূন আহমেদ

এক জায়গাটার নাম ধুন্দুল নাড়া।   নাম যেমন অদ্ভুত, জায়গাও তেমন জঙ্গুলে। একবার গিয়ে পৌঁছলে মনে হবে সভ্যসমাজের বাইরে চলে এসেছি। সেখানে যাবার ব্যবস্থাটা বলি—প্রথমে যেতে হবে ঠাকরোকোণা। ময়মনসিংহ-মোহনগঞ্জ ব্রাঞ্চ-লাইনের ছোট্ট স্টেশন। ঠাকরোকোণা থেকে গয়নার নৌকা যায় হাতির বাজার পর্যন্ত।…

Read Moreজিন-কফিল (গল্পগ্রন্থ, ভয়) – হুমায়ূন আহমেদ

চোখ (গল্পগ্রন্থ, ভয়) – হুমায়ূন আহমেদ

এক ভোর ছ’টায় কেউ কলিং বেল টিপতে থাকলে মেজাজ বিগড়ে যাবার কথা। মিসির আলির মেজাজ তেমন বিগড়াল না। সকাল দশটা পর্যন্ত কেন জানি তাঁর মেজাজ বেশ ভালো থাকে। দশটা থেকে খারাপ হতে থাকে, চূড়ান্ত রকমের খারাপ হয় দু’টার দিকে। তারপর…

Read Moreচোখ (গল্পগ্রন্থ, ভয়) – হুমায়ূন আহমেদ

বৃহন্নলা – হুমায়ূন আহমেদ (মিসির আলি)

এক অতিপ্রাকৃত গল্পে গল্পের চেয়ে ভূমিকা বড় হয়ে থাকে।   গাছ যত-না বড়, তার ডালপালা তার চেয়েও বড়। এই গল্পেও তাই হবে। একটা দীর্ঘ ভূমিকা দিয়ে শুরু করব। পাঠকদের অনুরোধ করছি তাঁরা যেন ভূমিকাটা পড়েন। এর প্রয়োজন আছে।   .…

Read Moreবৃহন্নলা – হুমায়ূন আহমেদ (মিসির আলি)