হাসির গল্প মজার গল্প

গয়ানাথের হাতি (ছোটদের মজার গল্প) – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

একটা হাতি কেনার ভারি শখ ছিল গয়ানাথের। শখ সেই ছেলেবেলা থেকেই। গাঁয়ের মগনলালের হাতি ছিল। হাতিতে চেপে বুক ফুলিয়ে ঘুরে বেড়াত। হাতির ঠমক চমকই আলাদা রকমের। ঘোড়া বা গাধাতেও চাপা যায় বটে, তবে তাতে তেমন সুখ হয় না। কেউ তাকিয়েও…

Read Moreগয়ানাথের হাতি (ছোটদের মজার গল্প) – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

ভূতনাথের বাড়ি – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

‘আচ্ছা মশাই, এদিকটাতেই কি ভূতনাথবাবুর বাড়ি?’   ‘না না, এ পাড়ায় ভূতনাথ বলে কেউ থাকে না।’   ‘কী আশ্চর্য! কিন্তু আমার কাছে যে ঠিকানাটা দেওয়া আছে তাতে স্পষ্ট লেখা অশ্বিনী মিত্র রোড, হাকিমপাড়া, তা এটা কি হাকিমপাড়া নয়?’   ‘তা…

Read Moreভূতনাথের বাড়ি – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

সংবর্ধনা – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

‘এই যে বিশুবাবু, নমস্কার। শুনলাম আপনার মামাশ্বশুর নাকি লটারি পেয়েছেন?’   ‘ঠিকই শুনেছেন।’   ‘তা কত টাকা পেলেন তিনি?’   ‘ভালোই পেয়ে থাকবেন। পাঁচ—দশ লাখ পেলেও অবাক হওয়ার কিছু নেই।   ‘তাহলে বিশুবাবু, এ তো বেশ গৌরবের কথাই, কী বলেন?…

Read Moreসংবর্ধনা – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

শক্তিপরীক্ষা – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

রামরিখ পালোয়ান রাজবাড়ি চলেছে। সেখানে আজ বিরাট শক্তিপরীক্ষা। নানা দেশ থেকে বহু পালোয়ান জড়ো হবে। তারপর কার কত শক্তি তার পরীক্ষা দিতে হবে। কুস্তি—টুস্তি নয়, শুধু যে যতটা পারে নিজের শক্তি দেখাবে, তা যে যেভাবে পারে। রামরিখ ভেবেচিন্তে একটা পাঁচ…

Read Moreশক্তিপরীক্ষা – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

ঘুড়ি ও দৈববাণী – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

অঘোরবাবু নিরীহ মানুষ। বড়োই রোগা—ভোগা। তাঁর হার্ট খারাপ, মাজায় সায়াটিকার ব্যথা, পেটে এগারো রকমের অসুখ। অফিসে তাঁর উন্নতি হয় না। কেউ পাত্তা দেয় না তাঁকে।   অঘোরবাবু ঘুড়ি ওড়াতে খুবই ভালোবাসেন। তাঁর শখ—শৌখিনতা বলতে ওই একটাই। ঘুড়ি তিনি নিজেই তৈরি…

Read Moreঘুড়ি ও দৈববাণী – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

কুস্তির প্যাঁচ (ছোটদের মজার গল্প) – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

যে লোকটা রোজ ভোররাতে উঠে দেড়শো বুকডন আর তিনশো বৈঠক দেয়, তারপর জিমনাস্টিকস করে, বালির বস্তায় ঘুষি মারে এবং কুংফু ক্যারেট জুডো অভ্যাস করে, তার আবার মর্নিংওয়াকের কী প্রয়োজন, এটা অনেকেরই প্রশ্ন। কিন্তু গোয়েন্দা বরদাচরণ এর জবাব দিতে পারবেন না।…

Read Moreকুস্তির প্যাঁচ (ছোটদের মজার গল্প) – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়