হাসির গল্প মজার গল্প

ওয়ারিশান – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

ঘরের বাহিরে পা রাখতেই প্রফুল্লবাবু দেখতে পেলেন, চারদিকে বেশ একটা হাসিখুশি ভাব। টমেটোর মতো টুকটুকে রাঙা রোদ উঠেছে, আমলকি গাছে বসে একটা দোয়েল পাখি ফচকে ছেলেদের মতো শিস দিচ্ছে, ঘাসের ওপরে হোমিয়োপ্যাথি ওষুধের ফোঁটার মতো শিশির জমে আছে, হিমেল একটা…

Read Moreওয়ারিশান – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

নফরগঞ্জের রাস্তা – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

ও মশাই, নফরগঞ্জের যাওয়ার রাস্তাটা কোন দিকে বলতে পারেন?   নফরগঞ্জে যাবেন বুঝি? তা আর বেশি কথা কী! গেলেই হয়। বেশি দূরের রাস্তাও নয়। নফরগঞ্জে একরকম পৌঁছে গেছেন বলেই ধরে নিন।   বাঁচালেন মশাই, স্টেশন থেকে এই রোদ্দুরে মাইল পাঁচেক…

Read Moreনফরগঞ্জের রাস্তা – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

ডবল পশুপতি – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

পশুপতিবাবু নিতান্তই ভালোমানুষ। তবে দোষের মধ্যে তাঁর মনটা বড়ো ভুলো। তিনি সর্বদা এতই আনমনা যে, আচমকা যদি কেউ তাঁকে তাঁর নামটা জিজ্ঞেস করে, তা হলেও তিনি চট করে সেটা মনে করতে পারবেন না। একটু ভেবে বলতে হয়। পশুপতিবাবুদের অবস্থা একসময়ে…

Read Moreডবল পশুপতি – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

নিত্যানন্দ পালের খোঁজে – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

আচ্ছা মশাই, মহেশ চাটুজ্জের বাড়িটা কোন দিকে বলতে পারেন?   মহেশ চাটুজ্জের বাড়ি খুঁজছেন? কেন মশাই, এ শহরে এত বাড়ি থাকতে মহেশ চাটুজ্জের বাড়িই খুঁজছেন কেন? মহেশ কিন্তু বজ্জাতের ধাড়ি। আপনি কি পাওনাদার নাকি?   আজ্ঞে ঠিক তা নয়। আসলে…

Read Moreনিত্যানন্দ পালের খোঁজে – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

লাটুর ঘরবাড়ি – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

লাটু নস্কর মোটেই তেজালো লোক নয়। তাকে মেনিমুখো বললেও বেশি বলা হয় না। চেহারাখানা লম্বা চওড়া বটে, কিন্তু ভিতুর ডিম। তার তিন কুলে কেউ নেই। জমিজমা নেই, বাড়ি—ঘর নেই। বদন ঘোষের জমিতে খেতমজুরি করে পেট চলে তার। আর খালধারে যে…

Read Moreলাটুর ঘরবাড়ি – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

গণেশের মূর্তি – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

মহাদেববাবু মানুষটি বড়ো ভালো। দোষের মধ্যে তিনি গরিব। নুন আনতে পান্তা ফুরোয়। আর সেইজন্য বাড়িতে তাঁকে যথেষ্ট গঞ্জনা সহ্য করতে হয়। তাঁর স্ত্রী মনে করেন ভালোমানুষির জন্য মহাদেববাবু কোনো উন্নতি করতে পারলেন না। একটা দোকানে সামান্য কর্মচারীর কাজ করেন তিনি।…

Read Moreগণেশের মূর্তি – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়