অর্জুন সমগ্র (সিরিজ)

অর্জুন হলো সমরেশ মজুমদার সৃষ্টি করা বাংলা সাহিত্যের একটি জনপ্রিয় গোয়েন্দা চরিত্র। তাঁর প্রথম বই “খুনখারাপি” ১৯৮৪ সালে প্রকাশিত হয়। অর্জুনের বাড়ি জলপাইগুড়ি শহরে এবং তার রহস্য গল্পের পটভূমি প্রধানত উত্তরবঙ্গ। তিনি নিজের পরিচয় পছন্দ করেন “সত্যসন্ধানী” হিসেবে, একজন গোয়েন্দা হলেও গোয়েন্দা হিসেবে নিজেকে বিশেষভাবে পরিচয় দিতে চান না। অর্জুনের গুরু ছিলেন প্রাক্তন গোয়েন্দা অমল সোম, এবং বিভিন্ন অভিযানে সঙ্গী হয় মেজর ও বিষ্টুসাহেব নামের চরিত্ররা। অর্জুন সিরিজে বর্ণনা হয় মূলত তার দৃষ্টিকোণ থেকে, যা পাঠকের সাথে সহজে সম্পর্ক স্থাপন করে। অর্জুন সিরিজ সমগ্র হিসেবে কয়েক খণ্ডে প্রকাশিত হয়েছে, এবং এটি বাংলা গোয়েন্দা সাহিত্যের একটি উল্লেখযোগ্য ধারাবাহিক কাজ।

অর্জুন@বিপবিপ ডট কম – সমরেশ মজুমদার

এক কদমতলার মোড়ে বিষণ্ণ মুখে দাঁড়িয়ে ছিল জগন্নাথদা। জলপাইগুড়ি শহরের কিছু এই মানুষ অনেক চেষ্টা করেও ব্যবসায় সফল হতে পারেননি। না পারার কারণ তাঁর সততা। এই জগন্নাথদাকে অনেকদিন ধরে চেনে অর্জুন। বাড়ির নীচে বড় রাস্তার উপর তাঁর দোকান। গত দশ…

Read Moreঅর্জুন@বিপবিপ ডট কম – সমরেশ মজুমদার

ড্রাকুলার সন্ধানে (অর্জুন) – সমরেশ মজুমদার

এক চিঠিটা এসেছিল তিনদিন আগে। কলকাতার একটি বিখ্যাত ডিটেকটিভ কোম্পানি অর্জুনকে চাকরির প্রস্তাব পাঠিয়েছে। প্রস্তাব গ্রহণ করলে আগামী মাসের এক তারিখে তাকে ওদের কলকাতার অফিসে রিপোর্ট করতে হবে।   চিঠিটা মাকে দেখিয়েছিল অর্জুন। ছেলে সত্যসন্ধানী বলে মায়ের নিশ্চয়ই গর্ব হয়,…

Read Moreড্রাকুলার সন্ধানে (অর্জুন) – সমরেশ মজুমদার

দিনদুপুরেই রাতদুপুর (অর্জুন) – সমরেশ মজুমদার

এক হাতে কোনও কাজ না থাকলে অমল সোমের বাড়িতে আড্ডা মারার সুযোগ হয়। আর এই সুযোগ মানে অনেক কিছু অজানা তথ্য জেনে নেওয়া। কিন্তু অমল সোম এখন জলপাইগুড়িতে নেই। তিনি আজকাল মাঝে-মাঝেই উধাও হয়ে যান। সত্যসন্ধানে তাঁর তেমন আগ্রহ নেই।…

Read Moreদিনদুপুরেই রাতদুপুর (অর্জুন) – সমরেশ মজুমদার

একমুখী রুদ্রাক্ষ (অর্জুন) – সমরেশ মজুমদার

এক নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশনে গিয়ে মাকে তুলে দিতে এসেছিল অর্জুন। অবশ্য মা একা নন, জলপাইগুড়ি শহরের আরও সাতজন প্রৌঢ়া মায়ের সঙ্গে আছেন। ওঁরা দার্জিলিং মেলে কলকাতায় পৌঁছেই দুন এক্সপ্রেস ধরে প্রথমে হরিদ্বার যাবেন। এই মহিলাদের সংগঠন তৈরি হওয়ার পর তাঁরা…

Read Moreএকমুখী রুদ্রাক্ষ (অর্জুন) – সমরেশ মজুমদার

ইয়েতির আত্মীয় (অর্জুন) – সমরেশ মজুমদার

এক ভানুদা বলেছিলেন, আজকের রাতটা থেকে যাও অর্জুন। রাস্তাটা ভাল নয়, দু ঘণ্টার রাস্তা তিন ঘণ্টাতে যেতে হয়। তা ছাড়া মেঘ জমেছে খুব।   তখন সবে সন্ধে নেমেছে। কথা হচ্ছিল সুভাষিণী চা-বাগানের ম্যানেজারের বাংলোর সামনে দাঁড়িয়ে। রাতে চাবাগানের কারখানা, অফিস,…

Read Moreইয়েতির আত্মীয় (অর্জুন) – সমরেশ মজুমদার

লবণহ্রদ লণ্ডভণ্ড (অর্জুন) – সমরেশ মজুমদার

এক আজ সাতই আষাঢ়, বৃহস্পতিবার। কাল মাঝরাত থেকে ঝুপঝুপিয়ে বৃষ্টি নেমেছে। একসময় বৃষ্টির দিনরাতগুলো আমার ভাল লাগত। তখন বয়স কম ছিল। এখন বৃষ্টি পড়লে বিরক্ত লাগে। এ সময় আমি কোনও কাজ করতে পারি না। মুক্ত আকাশ না হলে আমার মেশিনগুলো…

Read Moreলবণহ্রদ লণ্ডভণ্ড (অর্জুন) – সমরেশ মজুমদার