সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

আমাদের মনোরমা – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

আমাদের এই খেপুতে জগুদার চায়ের দোকান ছিল খুব বিখ্যাত। এই খেপুতে আরও দুটো চায়ের দোকান আছে, কিন্তু সেগুলো হল রেস্টুরেন্ট। সে দুটোই বাজারের মধ্যে, একটা জুতোর দোকানের পাশে আর একটা বনশ্রী সিনেমা হলের গায়ে। সেখানে চায়ের সঙ্গে চপ-কাটলেটও পাওয়া যায়।…

Read Moreআমাদের মনোরমা – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

ব্যর্থ প্রেমিক – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

আহত বাঘ যেমন নিজের ক্ষতস্থানটা বার বার চাটে, সেই রকমই মণিময় তার দুঃখগুলোকে ভালোবাসে। কখনও একলা হয়ে পড়লেই সে তার নিজের দুঃখগুলোকে আদর করে।   সন্ধে সাড়ে ছ-টা, অফিস থেকে বেরিয়ে এসে মণিময় দাঁড়িয়ে আছে মনুমেন্টের কাছে। এরপর সে কোথায়…

Read Moreব্যর্থ প্রেমিক – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

স্বপ্নের একটি দিন – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

মনোলীনার মাথায় যত সব অদ্ভুত প্রশ্ন আসে। কখন যে সে কোন কথাটা বলবে, তার কোনো ঠিক নেই। প্রসঙ্গ বদলে ফেলতে তার এক মুহূর্তও লাগে না। সেই জন্যই মেয়েটিকে বড়ো বেশি রহস্যময়ী মনে হয়।   শুভ্র ভর দুপুরবেলা ওর সঙ্গে এসেছে…

Read Moreস্বপ্নের একটি দিন – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

বাইরের আলো – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

সারাদিন অসংখ্য কাজ। পর পর সব ছক-বাঁধা কাজ ঠিক হয়ে আছে আগে থেকেই। এমনকি দুপুরে খাওয়ার অবসর পর্যন্ত নেই, লাঞ্চের অ্যাপয়েন্টমেন্ট আছে একজনের সঙ্গে, সেখানেও কাজের কথা হবে।   দাড়ি কামাবার যন্ত্রটাতে ঘরর ঘরর করে আওয়াজ হচ্ছে, তবু মনীশ দ্রুত…

Read Moreবাইরের আলো – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

পূজারি – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

কলিং বেলটা বেশ মিষ্টিভাবে টুং টাং টুং টাং শব্দে বাজে।   সুপ্রিয়া একটি ইংরেজি উপন্যাসের মধ্যে গভীরভাবে ডুবে ছিল দুপুরবেলাটা। এই সময়ে সে বিছানায় শুয়ে বই পড়ে, কিন্তু ঘুমোয় না। কলিং বেলের শব্দ শুনে সে শিয়রের কাছে ঘড়িটা দেখল। তিনটে…

Read Moreপূজারি – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

সীমান্ত প্রদেশ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

দরজার আড়াল থেকে হীরেন দেখতে পেল, ওর স্ত্রী ললিতাকে ওর বন্ধু হেমকান্তি চুমু খাচ্ছে। হীরেন একটু হাসল।   হীরেন চিঠি ফেলতে গিয়েছিল, কাল বিকেলবেলা বেড়াতে গিয়ে ওরা যে দোকান থেকে ঢাকাই পরোটা খেয়েছে, তার পাশেই অশ্বত্থগাছের সঙ্গে লাগানো ডাকবাক্স, হেমকান্তির…

Read Moreসীমান্ত প্রদেশ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়