শিবরাম চক্রবর্তী

মূকং করোতি বাচালং – শিবরাম চক্রবর্তী

খাবারের টেবিলই হচ্ছে আমার পাকিস্থান। পাকঘর থেকে বেরিয়ে পাকাশয়ে পৌঁছে পাকাপাকি স্থান লাভ করার মাঝখানে যেখানে ওরা আশ্রয় নেয়, তারই নাম টেবিল। খাবার টেবিল, নিজে খাদ্য নয়, কিন্তু চরাচরের যাবতীয় খাদ্যাখাদ্যের বাহন।   কেউ খাবার টেবিলে আমন্ত্রণ জানালে আমার ভারি…

Read Moreমূকং করোতি বাচালং – শিবরাম চক্রবর্তী

আমার ভালুক শিকার – শিবরাম চক্রবর্তী

তোমরা আমাকে গল্প-লেখক বলেই জানো। কিন্তু আমি যে একজন ভালো শিকারি, এ খবর নিশ্চয়ই তোমাদের জানা নেই। আমি নিজেই এ কথা জানতাম না, শিকার করার আগের মুহূর্ত পর্যন্ত!   (আজকাল প্রায়ই শোনা যায়, কোথায় নাকি দশ-বারো বছরের ছেলেরা, দশ-বারো হাত…

Read Moreআমার ভালুক শিকার – শিবরাম চক্রবর্তী

ঘোড়ার সঙ্গে ঘোরাঘুরি – শিবরাম চক্রবর্তী

আর কিছু না, একটু মোটা হতে শুরু করেছিলাম, অমনি মামা আমার ব্যস্ত হয়ে পড়লেন। বললেন—‘সর্বনাশ! তোর খুড়তুতো দাদামশাই—কী সর্বনাশ!’   কথাটা শেষ করবার দরকার হয় না। আমার মাতুলের খুড়ো আর জ্যেঠা স্থুল- কায়তায় সর্বনাশের জাজ্জ্বল্যমান দৃষ্টান্ত। নামের উল্লেখেই আমি বুজতে…

Read Moreঘোড়ার সঙ্গে ঘোরাঘুরি – শিবরাম চক্রবর্তী

শিবরামের ছেরাদ্দ! – শিবরাম চক্রবর্তী

দুঃখু করছিলাম হর্ষবর্ধন বাবুর কাছে। ‘একটা ভারি আফশোস রয়ে গেল মশাই…!’   ‘কীসের আফশোস?’ তাঁর জিজ্ঞাসা।   ‘দেখুন, পরের দৌলতে তো অনেক খেলাম। জীবনভরই খাচ্ছি। বলতে গেলে পরের বাড়ি খেয়েই মানুষ….’   ‘পরের খেয়ে খেয়ে?’   ‘না। পরিও আছে তার…

Read Moreশিবরামের ছেরাদ্দ! – শিবরাম চক্রবর্তী

শ্রীকান্তের ভ্রমণকাহিনি – শিবরাম চক্রবর্তী

দেশ-বিদেশ বেড়াতে তোমরা সকলেই খুব ভালোবাস। সব ছেলেই ভালোবাসে। কিন্তু আমাদের শ্রীকান্তর ভ্রমণে আনন্দ নেই, তার কাছে ভ্রমণের মানেই হচ্ছে দেড় মন।   তার মামা ভারি কৃপণ—কোথাও যেতে হলে গোটা বাড়িখানাই সঙ্গে নিয়ে যেতে চান। কী জানি, বিদেশে কোনো জিনিসের…

Read Moreশ্রীকান্তের ভ্রমণকাহিনি – শিবরাম চক্রবর্তী

শুঁড়ওয়ালা বাবা – শিবরাম চক্রবর্তী

বইটই গুছিয়ে নিয়ে মন্টু বেরোবার উদ্যোগ করছে, এমন সময়ে দাদামশাই ডেকে বললেন—‘আজ আর স্কুল যেতে হবে না। তোর শুঁড়ওয়ালা বাবা আসচেন, দুপুরে এসে পৌঁছোবেন তার পেয়েচি। আজ আবার মেল ডে, আমার তো আপিস কামাই করা চলবে না। বাড়ি থাকবি তুই।’…

Read Moreশুঁড়ওয়ালা বাবা – শিবরাম চক্রবর্তী