শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

রুম নম্বর দুই (ব্যোমকেশ বক্সী) – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

নিরুপমা হোটেলের ম্যানেজার হরিশচন্দ্র হোড় ঘুম ভেঙেই ঘড়ি দেখলেন— সাড়ে ছ’টা। তিনি ধড়মড় করে বিছানায় উঠে বসলেন। ইঃ, আজ বেজায় দেরি হয়ে গেছে। তিনি ডাকলেন, ‘গুণধর!’   তকমা-উর্দি পরা সর্দার খানসামা গুণধর এসে দাঁড়াল। শীর্ণকান্তি অত্যন্ত কর্মকুশল চৌকশ লোক, হোটেলের…

Read Moreরুম নম্বর দুই (ব্যোমকেশ বক্সী) – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

ছলনার ছন্দ (ব্যোমকেশ বক্সী) – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

টেলিফোন তুলে নিয়ে ব্যোমকেশ বলল— ‘হ্যালো!’   ইন্সপেক্টর রাখালবাবুর গলা শোনা গেল— ‘ব্যোমকেশদা, আমি রাখাল। নেতাজী হাসপাতাল থেকে কথা বলছি। একবার আসবেন?’   ‘কি ব্যাপার?’   ‘খুনের চেষ্টা। একটা লোককে কেউ গুলি করে মারবার চেষ্টা করেছিল, কিন্তু মারতে পারেনি। আহত…

Read Moreছলনার ছন্দ (ব্যোমকেশ বক্সী) – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

বিশুপাল বধ (ব্যোমকেশ বক্সী) – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

এক কালীচরণ দাসকে পাড়ার লোকে আড়ালে শালীচরণ দাস বলে উল্লেখ করত। শুধু হাস্যরস সৃষ্টি করাই উদ্দেশ্য ছিল না, উদ্দেশ্য গভীরতর। নামের আদ্যাক্ষর বদল করে কোনো রসিক ব্যক্তি কালীচরণ দাসের প্রকৃতি উদ্‌ঘাটনের চেষ্টা করেছিলেন। আমরা এই কাহিনীতে তাকে শালীচরণ দাস বলেই…

Read Moreবিশুপাল বধ (ব্যোমকেশ বক্সী) – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

অগ্নিবাণ (ব্যোমকেশ বক্সী) – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

এক খবরের কাগজখানা হতাশ হস্ত-সঞ্চালনে আমার কোলের উপর ফেলিয়া দিয়া ব্যোমকেশ বলিল, ‘নাঃ—কোথাও কিছু নেই, একেবারে ফাঁকা। এর চেয়ে কাগজওয়ালারা সাদা কাগজ বের করলেই পারে। তাতে ছাপার খরচটা অন্তত বেঁচে যায়।’   আমি খোঁচা দিয়া বলিলাম, ‘বিজ্ঞাপনেও কিছু পেলে না?…

Read Moreঅগ্নিবাণ (ব্যোমকেশ বক্সী) – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

উপসংহার (ব্যোমকেশ বক্সী) – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

এক হাইকোর্টে দেবকুমারবাবুর মামলা শেষ হইয়া গিয়াছিল।   মাঘ মাসের মাঝামঝি। শীতের প্রকোপ অল্পে অল্পে কমিতে আরম্ভ করিয়াছে। মাঝে মাঝে দক্ষিণা বাতাস গায়ে লাগিয়া অদূর বসন্তের বার্তা জানাইয়া দিলেও, সকালবেলায় সোনালী রৌদ্রটুকু এখনও বেশ মিঠা লাগে।   সেদিন সকালে আমি…

Read Moreউপসংহার (ব্যোমকেশ বক্সী) – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

ব্যোমকেশ ও বরদা (ব্যোমকেশ বক্সী) – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

এক বেশি দিনের কথা নয়, ভূতান্বেষী বরদাবাবুর সহিত সত্যান্বেষী ব্যোমকেশের একবার সাক্ষাৎকার ঘটিয়াছিল। ব্যোমকেশের মনটা স্বভাবত বহির্বিমুখ, ঘরের কোণে মাকড়সার মত জাল পাতিয়া বসিয়া থাকিতেই সে ভালবাসে। কিন্তু সেবার সে পাক্কা তিনশ’ মাইলের পাড়ি জমাইয়া সকলকে চমকিত করিয়া দিয়াছিল।  …

Read Moreব্যোমকেশ ও বরদা (ব্যোমকেশ বক্সী) – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়