শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

শৈলরহস্য (ব্যোমকেশ বক্সী) – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

সহ্যাদ্রি হোটেল মহাবলেশ্বর—পুণা ৩রা জানুআরি   ভাই অজিত,   বোম্বাই এসে অবধি তোমাদের চিঠি দিতে পারিনি। আমার পক্ষে চিঠি লেখা কি রকম কষ্টকর কাজ তা তোমরা জানো। বাঙালীর ছেলে চিঠি লিখতে শেখে বিয়ের পর। কিন্তু আমি বিয়ের পর দু’দিনের জন্যেও…

Read Moreশৈলরহস্য (ব্যোমকেশ বক্সী) – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

কহেন কবি কালিদাস (ব্যোমকেশ বক্সী) – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

যে শহরে আমি ও ব্যোমকেশ হপ্তাখানেকের জন্য প্রবাসযাত্রা করিয়াছিলাম তাহাকে কয়লা-শহর বলিলে অন্যায় হইবে না। শহরকে কেন্দ্র করিয়া তিন-চার মাইল দূরে দূরে গোটা চারেক কয়লার খনি। শহরটি যেন মাকড়সার মত জাল পাতিয়া মাঝখানে বসিয়া আছে, চারিদিক হইতে কয়লা আসিয়া রেলওয়ে…

Read Moreকহেন কবি কালিদাস (ব্যোমকেশ বক্সী) – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

অদৃশ্য ত্রিকোণ (ব্যোমকেশ বক্সী) – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

গল্পটি শুনিয়াছিলাম পুলিস ইন্সপেক্টর রমণীমোহন সান্যালের মুখে। ব্যোমকেশ এবং আমি পশ্চিমের একটি বড় শহরে গিয়াছিলাম গোপনীয় সরকারী কাজে, সেখানে রমণীবাবুর সহিত পরিচয় হইয়াছিল। সরকারী কাজে লাল ফিতার জট ছাড়াইতে বিলম্ব হইতেছিল, তাই আমরাও নিষ্কর্মার মত ডাকবাংলোতে বসিয়া ছিলাম। রমণীবাবু প্রায়…

Read Moreঅদৃশ্য ত্রিকোণ (ব্যোমকেশ বক্সী) – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

খুঁজি খুঁজি নারি (ব্যোমকেশ বক্সী) – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

রামেশ্বরবাবুর সঙ্গে ব্যোমকেশের পরিচয় প্রায় পনেরো বছরের। কিন্তু এই পনেরো বছরের মধ্যে তাঁহাকে পনেরো বার দেখিয়াছি কিনা সন্দেহ। শেষের পাঁচ-ছয় বছর একেবারেই দেখি নাই। কিন্তু তিনি যে আমাদের ভোলেন নাই তাহার প্রমাণ বছরে দুইবার পাইতাম। প্রতি বৎসর পয়লা বৈশাখ ও…

Read Moreখুঁজি খুঁজি নারি (ব্যোমকেশ বক্সী) – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

মগ্নমৈনাক (ব্যোমকেশ বক্সী) – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

স্বাধীনতা লাভের পর পনেরো বছর অতীত হইয়াছে। সনাতন ভারতীয় আইন অনুসারে আমাদের স্বাধীনতা দেবী সাবালিকা হইয়াছেন, পলায়নী মনোবৃত্তি ত্যাগ করিয়া কঠিন সত্যের সম্মুখীন হওয়ার সময় উপস্থিত। সুতরাং এ কাহিনী বলা যাইতে পারে।   নেংটি দত্ত নামধারী অকালপক্ক বালককে লইয়া কাহিনী…

Read Moreমগ্নমৈনাক (ব্যোমকেশ বক্সী) – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

দুষ্টচক্র (ব্যোমকেশ বক্সী) – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

ডাক্তার সুরেশ রক্ষিত বলিলেন, ‘আপনাকে একবার যেতেই হবে, ব্যোমকেশবাবু। রোগীর যেরকম অবস্থা, আপনি গিয়ে আশ্বাস না দিলে বাঁচানো শক্ত হবে।’   ডাক্তার সুরেশ রক্ষিতের বয়স চল্লিশের আশেপাশে, একটু রোগা শুষ্ক গোছের চেহারা, দামী এবং নূতন বিলাতি পোশাক তাঁহার গায়ে যেন…

Read Moreদুষ্টচক্র (ব্যোমকেশ বক্সী) – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়