সত্যজিৎ রায়

গণেশ মুৎসুদ্দির পোর্ট্রেট – সত্যজিৎ রায়

সুখময় সেনের বয়স পঁয়ত্রিশ। এই বয়সেই সে চিত্রকর হিসাবে বেশ খ্যাতি অর্জন করেছে। পোর্ট্রেটেই তার দক্ষতা বেশি। সমঝদারেরা বলে সুখময় সেনের আঁকা কোনো মানুষের প্রতিকৃতি দেখলে সেই মানুষের জ্যান্ত রূপ দেখতে পাওয়া যায়। বহু প্রদর্শনীতে তার আঁকা পোর্ট্রেট দেখানো হয়েছে,…

Read Moreগণেশ মুৎসুদ্দির পোর্ট্রেট – সত্যজিৎ রায়

নিতাইবাবুর ময়না – সত্যজিৎ রায়

নিতাইবাবুর অনেক দিনের শখ একটা ময়না কেনার। তাঁর বন্ধু শশাঙ্ক সেনের বাড়িতে একটা ময়না আছে। সেটা হেন বাংলা কথা নেই যে বলে না। তার কথা শুনতেই নিতাইবাবু মাসে অন্তত তিনবার করে শশাঙ্কবাবুর বাড়িতে যান। সেদিন ত শশাঙ্কবাবুর বৈঠকখানায় ঢুকতেই নিতাইবাবু…

Read Moreনিতাইবাবুর ময়না – সত্যজিৎ রায়

রণ্টুর দাদু – সত্যজিৎ রায়

রন্টুর বয়স পনেরো, কিন্তু এর মধ্যেই তার গানের গলা হয়েছে চমৎকার। সে সকালে ওস্তাদের কাছে একঘণ্টা গান শেখে। যে তার গান শোনে সেই বলে, এ ছেলে আর কয়েক বছরের মধ্যেই আসরে গান গাইবে। এ গুণটা যে সে কোথা থেকে পেল…

Read Moreরণ্টুর দাদু – সত্যজিৎ রায়

সহযাত্রী – সত্যজিৎ রায়

ত্রিদিববাবুর সাধারণত একটা হালকা বই পড়েই সময়টা কেটে যায়। কলকাতা থেকে দিল্লি ট্রেনে যাওয়া। কাজের জন্যই যেতে হয় দু মাসে অন্তত একবার। একটা ইলেকট্রনিক্স কোম্পানিতে উচ্চপদস্থ কর্মচারী তিনি, হেড আপিস দিল্লিতে। প্লেনটা একদম পছন্দ করেন না ত্রিদিববাবু, অতীতে একবার ল্যান্ডিং-এর…

Read Moreসহযাত্রী – সত্যজিৎ রায়

ব্রজবুড়ো – সত্যজিৎ রায়

শঙ্কর চৌধুরী আধখানা হাতের রুটি ছিঁড়ে ডালে চুবিয়ে মুখে পুরে একবার পাশে বসা ছেলের দিকে চেয়ে নিলেন। তারপর চিবোতে চিবোতে বললেন, ‘তোকে একটা কথা বলব বলব করেও বলা হয়নি। আমাদের ডাইনে একটা বাড়ির পরে একটা দোতলা বাড়িতে এক বুড়ো থাকে…

Read Moreব্রজবুড়ো – সত্যজিৎ রায়

দুই বন্ধু – সত্যজিৎ রায়

মহিম বাঁ হাতের কবজি ঘুরিয়ে হাতের ঘড়িটার দিকে এক ঝলক দৃষ্টি দিল। বারোটা বাজতে সাত। কোয়ার্টজ ঘড়ি—সময় ভুল হবে না। সে কিছুক্ষণ থেকেই তার বুকের মধ্যে একটা স্পন্দন অনুভব করছে যেটা অত্যন্ত স্বাভাবিক। বিশ বছর! আজ হল ১৯৮৯-এর সাতই অক্টোবর।…

Read Moreদুই বন্ধু – সত্যজিৎ রায়