সত্যজিৎ রায়

টেলিফোন – সত্যজিৎ রায়

ক্রিং-ক্রিং…ক্রিং ক্রিং…ক্রিং ক্রিং…   বীরেশবাবু বিরক্ত হয়ে খাটের পাশের টেবিলের ওপর রাখা টেলিফোনটার দিকে দেখলেন। টেলিফোনের পাশেই ঘড়ি, তাতে বারোটা বাজে। রাত বারোটা। বীরেশবাবু সবে হাতের বইটা বন্ধ করে ঘরের বাতিটা নেভাতে যাচ্ছিলেন। এদিকে টেলিফোনটা বেজেই চলেছে। বীরেশবাবু রিসিভারটা তুলে…

Read Moreটেলিফোন – সত্যজিৎ রায়

মৃগাঙ্কবাবুর ঘটনা – সত্যজিৎ রায়

মৃগাঙ্কবাবু তাঁর সহকর্মী সলিল বসাকের কাছ থেকে প্রথম জানতে পারলেন যে বানর থেকে মানুষের উদ্ভব হয়েছে। এ খবর আজকের দিনে শিক্ষিত লোক মাত্রই জানে, কিন্তু ঘটনাচক্রে খবরটা মৃগাঙ্কবাবুর গোচরে আসেনি। আসলে তাঁর জ্ঞানের পরিধিটা নেহাৎই সংকীর্ণ। ইস্কুলে মাঝারি ছাত্র ছিলেন,…

Read Moreমৃগাঙ্কবাবুর ঘটনা – সত্যজিৎ রায়

নতুন বন্ধু – সত্যজিৎ রায়

বর্ধমান স্টেশনের রেস্টোর‍্যান্টে ভদ্রলোক নিজেই যেচে এসে আলাপ করলেন। ফ্রেঞ্চকাট দাড়ি আর গোঁফ, মোটামুটি আমারই বয়সী—অর্থাৎ বছর চল্লিশ-বেয়াল্লিশ—বেশ হাসিখুশি অমায়িক হাবভাব। বারোটা বাজে, তাই লাঞ্চটা সেরে নিচ্ছিলাম। আসলে চলেছি শান্তিনিকেতন আমার সদ্য কেনা মারুতি ভ্যান-এ। ড্রাইভার সন্তোষকেও বলেছি খেয়ে নিতে।…

Read Moreনতুন বন্ধু – সত্যজিৎ রায়

শিশু সাহিত্যিক – সত্যজিৎ রায়

ছোটদের মাসিক পত্রিকা ‘বহুরূপী’ এক বছর হল বেরোচ্ছে। সম্পাদক সুপ্রকাশ সেনগুপ্ত আপ্রাণ চেষ্টা করেন কাগজটাকে ভালো করতে। টাকার জোর নেই, তাই কাজটা সহজ নয়। গ্রাহক সংখ্যা দেড় হাজারের মতো; বিজ্ঞাপন যা আসে তার থেকেই টেনেটুনে চলে যায়। লাভ থাকে না…

Read Moreশিশু সাহিত্যিক – সত্যজিৎ রায়

মহিম সান্যালের ঘটনা – সত্যজিৎ রায়

তারিণীখুড়ো তাকিয়াটা বুকের কাছে টেনে নিয়ে বললেন, ‘চমকলালের কথা ত তোদের বলেছি, তাই না?’   ‘হ্যাঁ হ্যাঁ,’ বলল ন্যাপলা। সেই ম্যাজিশিয়ান ত? যার আপনি ম্যানেজার ছিলেন?’   ‘হ্যাঁ। কিন্তু আরেকজন জাদুকর আছেন—অবিশ্যি যখনকার কথা বলছি তখন তিনি রিটায়ার করেছেন—যাঁর আমি…

Read Moreমহিম সান্যালের ঘটনা – সত্যজিৎ রায়

গণৎকার তারিণীখুড়ো – সত্যজিৎ রায়

তারিণীখুড়োর এক ভাইপো এক চা কোম্পানিতে ভালো কাজ করে, সে খুড়োকে এক টিন স্পেশাল কোয়ালিটির চা দিয়েছে। খুড়ো টিনটা আমার হাতে চালান দিয়ে বললেন, ‘এটা খোলাবার ব্যবস্থা কর; আজ তোদের চা না খেয়ে এইটে খাবো।’   বৈশাখ মাসের এক রবিবারের…

Read Moreগণৎকার তারিণীখুড়ো – সত্যজিৎ রায়