শৈলেন ঘোষ

হাঁ-চন্দর (২৫ রূপকথা) – শৈলেন ঘোষ

বাবার সঙ্গে চিড়িয়াখানায় বেড়াতে যাবার সময় ফুলটু রাস্তার ফিরিওলার কাছ থেকে একটা স্প্রিং-আঁটা নাচন-নাচন পাখি কিনেছিল। স্প্রিংটা পিঠের সঙ্গে আঁটা। টানলেই পাখিটা তিড়িং তিড়িং করে লাফায় আর ধিনিক ধিনিক করে নাচে। ভারি মজাদার দেখতে লাগে। এমন একটা পাখি হঠাৎ যদি…

Read Moreহাঁ-চন্দর (২৫ রূপকথা) – শৈলেন ঘোষ

তাক্কাদুম (২৫ রূপকথা) – শৈলেন ঘোষ

তার নাম ছিল তাক্কাদুম। তাক্কাদুম একজনই সেপাই। এইসা মোটা গোঁফ তার। ভাঁটার মতো চোখ তার। ইয়া পেল্লাই পেটখানা। হাঁড়ির মতো মুখখানা। তাকে দেখলে তুমি হাসতেও পারবে না, কাঁদতেও পারবে না। দেখলেই থমকে থমথম করবে তোমার চোখ। তাক্কাদুম সেপাই বলে বন্দুক…

Read Moreতাক্কাদুম (২৫ রূপকথা) – শৈলেন ঘোষ

এক বুড়ো আর একটি পাখি (২৫ রূপকথা) – শৈলেন ঘোষ

এক ছিল বুড়ো-মানুষ। ভারি একা-একা বয়েসের ভারে নুয়ে পড়েছে মানুষটি। তবুও ওই সকালের আলো দেখে দেখে তাকে পথ হাঁটতে হয়। নয়তো সন্ধ্যার তারা দেখে দেখে তাকে ভাবতে হয়, আঃ! কী সুন্দর এই পৃথিবী।   সুন্দর এই পৃথিবীর চারিদিকে চোখ মেলে…

Read Moreএক বুড়ো আর একটি পাখি (২৫ রূপকথা) – শৈলেন ঘোষ

প্যাঁক-প্যাঁক (২৫ রূপকথা) – শৈলেন ঘোষ

পেট ফাঁপা রবারের হাঁস—প্যাঁক প্যাঁক। প্যাঁক-প্যাঁকের ফাঁপা পেট টিপলেই প্যাঁ-অ্যাঁ-অ্যাঁ অ্যাঁক করে ডেকে উঠবে। উরি ব্বাস! বাছাধনের ফাঁপা পেটের ফাঁকে ফাঁকে কি যত রাজ্যের দুষ্টু মতলব? রাতের ঘুরঘুট্টি কেটে গেল, দিনের আলো ছড়িয়ে পড়ল—পুতুলদের সবার চোখে ঘুম এল। গাবদা-গাবুস হাতি…

Read Moreপ্যাঁক-প্যাঁক (২৫ রূপকথা) – শৈলেন ঘোষ

যাঃ বাব্বা (২৫ রূপকথা) – শৈলেন ঘোষ

সে অনেকদিন আগের কথা। হঠাৎ একদিন মা দুগ্গার সিংগির মাথায় ভূত চাপল। ভূত! কী ব্যাপার? সে মনস্থির করল, স্বগ্গ থেকে লাফ মেরে একাই একদিন মর্তভ্রমণে যাবে। পৃথিবীর হালচালটা সে একবার নিজের চোখে একা একা দেখে আসবে।   তা যেমন ভাবা,…

Read Moreযাঃ বাব্বা (২৫ রূপকথা) – শৈলেন ঘোষ

বাগডুম সিং (২৫ রূপকথা) – শৈলেন ঘোষ

[চরিত্রলিপি: বাগডুম সিং, পুতুল-পরি, অন্যান্য পুতুল, ঘড়ি, রাজা-পুতুল, রাজা-পুতুলের সেপাই, প্যাঁচা, ছাগল, কাকতাড়ুয়ার দল, বুড়ি।]   প্রথম দৃশ্য   [পর্দা উঠলে দেখা যাবে একটি পুতুলের ঘর। অনেক পুতুল সাজানো ঘরের এপাশে ওপাশে। তারই মধ্যে দেখা যাবে, বাগডুম সিং নামে এক…

Read Moreবাগডুম সিং (২৫ রূপকথা) – শৈলেন ঘোষ