লীলা মজুমদার

সেজোমামার চন্দ্র-যাত্রা – লীলা মজুমদার

আমার ছোটোকাকা মাঝে মাঝে আমাদের বলেন, এই যে তোরা আজকাল চাঁদে যাওয়া নিয়ে এত নাচানাচি করিস, সেকথা শুনলে আমার হাসি পায়। কই, এত খরচাপাতি, খবরের কাগজে লেখালেখি করেও তো শুনলাম না কেউ চাদে গিয়ে আবার ফিরে এসেছে! তোরা আবার এটাকে…

Read Moreসেজোমামার চন্দ্র-যাত্রা – লীলা মজুমদার

পেয়ারা গাছের নীচে – লীলা মজুমদার

বুড়ো দাদু আর মনুয়া দিনভর পেয়ারা গাছতলায় বসে থাকে। শীত এসে যায়, পেয়ারা গাছের পাতা বড়ো কম, ডালের মাঝখান দিয়ে রোদ এসে ওদের গায়ে পড়ে, ডালপালার আঁকাবাঁকা ছায়া ওদের গায়ে পড়ে। সেই ছায়ার দিকে অনেকক্ষণ তাকিয়ে থেকে, ওপর দিকে চেয়ে…

Read Moreপেয়ারা গাছের নীচে – লীলা মজুমদার

সেইখানে (ছোটগল্প) – লীলা মজুমদার

আমার মেজোদাদামশাই কখনো কখনো ডেকে বলতেন, ও রে, টুনু মিনু নেগো ধেলো ইলু বিলু মন্টু, শোন। পরিদের দেশে গেছিস কখনো?   শুনে আমরা হেসেই খুন। পরিদের দেশ আবার হয় নাকি? ও তো ঠাকুমাদের বানানো গল্প!   মেজোদাদামশাই বিরক্ত হয়ে বলতেন,…

Read Moreসেইখানে (ছোটগল্প) – লীলা মজুমদার

আমি (ছোটগল্প) – লীলা মজুমদার

এই যেটাকে আমি কাঁধে করে নিয়ে যাচ্ছি, সেটাকে কি লাঠি ভেবেছ? মোটেই না। ওটা হল গিয়ে আমাদের চাকর জগুর ছাতার বাঁট। জগু ওটাকে হাঁটুর ফাঁকে খুঁজে ট্রামে চেপে বাজারে যাচ্ছিল, এমন সময় একটা দুষ্টু লোক ওর মধ্যে একটা আধপোড়া বিড়ি…

Read Moreআমি (ছোটগল্প) – লীলা মজুমদার

বন্দুক ও ছোরা – লীলা মজুমদার

ভাই বন্দুক, কাল যখন গুপ্তস্থানে তোমার চিঠি পেলুম না, তখন আমার মনের অবস্থা যে কী হয়েছিল, সে আর কী বলব! তবে কি তুমি এত সহজেই ভয় খেয়ে গেলে? চিরকাল তো দেখে এসেছি যে, স্বয়ং হেড-সার পেছন ফিরে বোর্ডে কিছু লিখতে…

Read Moreবন্দুক ও ছোরা – লীলা মজুমদার

লক্ষ্মী ছেলে গল্প লীলা মজুমদার

এক বেজায় জ্যাঠা ছেলে ছিল। যতদিন বাবা বেঁচে ছিলেন, ততদিন সে লেখাপড়া ছেড়ে দিয়ে টো টো করে বেড়িয়েছে। শেষটায় যখন বাবা মারা গেলেন, তখন ছেলে ভারি বিপদে পড়ল। কী করে। লেখাপড়া তো আর বেশি জানে না, যে কাজ করে খাবে?…

Read Moreলক্ষ্মী ছেলে গল্প লীলা মজুমদার