বুদ্ধদেব গুহ

কম্পাস – বুদ্ধদেব গুহ

কুকু-র সঙ্গে হঠাৎ দেখা হয়ে গেল সেদিন আমার এক সাহিত্যিক বন্ধুর বাড়িতে। কুকু এসেছিল, পরিচালক এবং প্রযোজকের সঙ্গে একটি উপন্যাস নিয়ে ছবি করার বিষয়ে আলোচনা করতে।   কুকুকে শেষ দেখেছিলাম আজ থেকে তিরিশ বছর আগে। তখন আমি সবে স্কুল ফাইনাল…

Read Moreকম্পাস – বুদ্ধদেব গুহ

গন্ধী – বুদ্ধদেব গুহ

একটু আগেই এক পশলা জোর বৃষ্টি হয়ে গেছে। কাক আর শালিকেরা গলা তুলে ডাকাডাকি শুরু করেছে। প্রবোধবাবু দোতলার জানালা দিয়ে বাইরে তাকালেন।   ঘোষেদের বাড়ির কার্নিশে একটি অশ্বত্থ চারা গজিয়েছে বেশ কবছর হল। বাড়ির দেওয়াল আস্তে আস্তে ফেটে যাচ্ছে, প্রবোধবাবুর…

Read Moreগন্ধী – বুদ্ধদেব গুহ

ছানি – বুদ্ধদেব গুহ

আজ মহাষ্টমী। এবারে রবিবার পড়ে গিয়ে সপ্তমীর ছুটিটাই মারা গেল। কাল রাতে মা বললেন, বড়ো মাসিমা মেসোমশায়রা দিল্লি থেকে এসেছেন। আমার মাসতুতো ভাই স্টেট ব্যাঙ্কের বড়ো অফিসার। মাসিমার একই ছেলে। ওঁর কাছেই উঠেছেন ওঁরা। ওঁদের ফোন থাকলেও আমাদের নেই বলে…

Read Moreছানি – বুদ্ধদেব গুহ

টাকার গাছ – বুদ্ধদেব গুহ

ভোর হয়ে গেছে। আকাশ পরিষ্কার থাকলে এতক্ষণে রোদে ঝকমক করত চারদিক। এখন উদোম আকাশের নীচে কাজল-রঙা মেঘলা-ভোরের জলজ আবহাওয়া থমথম করছে।   নিশ্বাস নিতেও ভার লাগে বুকে। কচু বনের ভিতরে আর গভীরে সিঁদুর-রঙা ব্যাঙের ছাতার নীচে নীচে অনেকগুলো কটকটে ব্যাংকুটুর…

Read Moreটাকার গাছ – বুদ্ধদেব গুহ

কাঁচপোকার দিন – বুদ্ধদেব গুহ

বৈশাখের দুপুরের একটা নিজস্ব গায়ের গন্ধ আছে। সে গন্ধ সাবান, পাউডার কি আতরের গন্ধের মতো নয়। এ গন্ধ কোথাও খুঁজে ফিরতে হয় না, এ গন্ধ আপনিই ভাসে। নিকানো দাওয়ার উপর হলুদ কাঁঠাল পাতা ঝরে পড়ে, ধুলো ওড়ে, বেতবনে সড়সড় শব্দ…

Read Moreকাঁচপোকার দিন – বুদ্ধদেব গুহ

কাজিরাঙা – বুদ্ধদেব গুহ

ক্যালকাটা ক্লাবে গত শনিবার হঠাৎ মণীসদার সঙ্গে দেখা সুব্রতর। সুদর্শন, প্রাণচঞ্চল মণীসদা এখনও সেরকমই আছেন। হাই কোর্ট থেকে সোজা আসছেন বলে মনে হল। সঙ্গে এক ভদ্রলোক।   কী ব্যাপার? স্টিল গোয়িং স্ট্রং সুব্রত বলল।   কী করব? তুমি তো জানো,…

Read Moreকাজিরাঙা – বুদ্ধদেব গুহ