অতীন বন্দ্যোপাধ্যায়

দেবী দর্শন – অতীন বন্দ্যোপাধ্যায়

আজকাল টের পাচ্ছি, জীবনের সব বিস্ময় কেমন ক্রমে হারিয়ে যাচ্ছে। কিছুই আর অসম্ভব মনে হয় না। অথবা মনে হয় না, এরপর আর কিছু থাকতে পারে না। অহরহ পৃথিবীটা বদলাচ্ছে। আজ যেখানে দাঁড়িয়ে আছি, কাল সেখানে নেই। এক জীবনে মানুষ সব…

Read Moreদেবী দর্শন – অতীন বন্দ্যোপাধ্যায়

মানিকলালের জীবনচরিত – অতীন বন্দ্যোপাধ্যায়

এতক্ষণে সে নিশ্চিত হল। ঘাম দিয়ে ওর জ্বর সেরে গেল।   কিছুক্ষণ আগেও সে থরথর করে কাঁপছে। এখন কপালে তার বিন্দু বিন্দু ঘাম। যারা ওকে তাড়া করেছিল সে তাদের পিছনে ফেলে চলে এসেছে। সে বার বার পেছন ফিরে তাকিয়েছে—কপালে তার…

Read Moreমানিকলালের জীবনচরিত – অতীন বন্দ্যোপাধ্যায়

টেলিপ্রিন্টার – অতীন বন্দ্যোপাধ্যায়

সে প্রথমে একটা হাই তুলল। তারপর এক গ্লাস জল চাইল রাখহরির কাছে। এসে বসতে না বসতে তিনটি ফোন—একজন জানতে চেয়েছে রাজীব রাজনীতিতে সত্যি আসছে কি না। একজন কাটোয়ার ট্রেন দুর্ঘটনা—অন্যজন। বিয়েটা কেমন হবে। তিনটি প্রশ্নই একজন মানুষকে পাগল করে দেবার…

Read Moreটেলিপ্রিন্টার – অতীন বন্দ্যোপাধ্যায়

মীন রহস্য – অতীন বন্দ্যোপাধ্যায়

নিরাময়দাকে কিছুতেই রাজি করাতে পারছিলাম না। তাঁর এক কথা, না। তোমাদের সঙ্গে নিয়ে মরি। ছোটো কর্তার মেজাজ খারাপ। সকাল থেকে শুরু হয়ে গেছে। খবরদার নিরাময় ওদের নিবি না। জ্বর জ্বালা হলে কে দেখবে। জায়গাটাও ভালো না। তোর যে কী মতিভ্রম…

Read Moreমীন রহস্য – অতীন বন্দ্যোপাধ্যায়

ঈশা – অতীন বন্দ্যোপাধ্যায়

মাথায় কোনো গল্প আসছে না। কী করি? আর তখনই তিনি এসে সামনে দাঁড়ান। অর্থাৎ নিরাময়দার কথা মনে হয়, ঈশার কথা মনে হয়। তারা সশরীরে যেন হাজির।   তাদের তো সশরীরে হাজির হবার কথা না। সেই কবে পুব-বাংলার এক জলা জায়গায়…

Read Moreঈশা – অতীন বন্দ্যোপাধ্যায়

কুসুম শুয়ে আছে তার অন্ধকার ঘরে – অতীন বন্দ্যোপাধ্যায়

বছর পঁচিশেক আগে জায়গাটা ছিল জলাজমি ধানের খেত অথবা ভেরির জঙ্গল। যেদিকে চোখ যায় শুধু শূন্য প্রান্তরে ইতস্তত গাছপালা। মাঠ এবং গরিব মানুষের জন্য বসবাসের কিছু ঘরবাড়ি। কাঁচা রাস্তা। গোরুর গাড়ির কোঁ কোঁ আওয়াজ। সারাদিনে দু-চারটে গোরুর গাড়ি বহুদূর বিস্তৃত…

Read Moreকুসুম শুয়ে আছে তার অন্ধকার ঘরে – অতীন বন্দ্যোপাধ্যায়