উপলখন্ড

গল্পগ্রন্থ, লেখক বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

পৈতৃক ভিটা (গল্প) – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

মধুমতী নদীর ওপরেই সেকালের প্রকাণ্ড কোঠাবাড়িটা। রাধামোহন নদীর দিকের বারান্দাতে বসে একটা বই হাতে নিয়ে পড়বার চেষ্টা করল বটে, কিন্তু বই-এ মন বসাতে পারলে না। কেমন সুন্দর ছোট্ট গ্রাম্য নদীটি, ওপারে বাঁশবন, আমবন—বহুকালের। ফলের বাগান যেন প্রাচীন অরণ্যে পরিণত হয়েছে।…

Read Moreপৈতৃক ভিটা (গল্প) – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

ফকির (গল্প) – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

ইচু মণ্ডলের আজ বেজায় সর্দি হয়েছে। ভাদ্রমাসের বর্ষণমুখর শীতল প্রভাত। তালি দেওয়া কাঁথা, ওর বউ, তার নাম নিমি, শেষরাত্রে গায়ে দিয়ে দিয়েছিল। এমন সর্দি হয়েছে যেন মনে হচ্ছে সমস্ত শরীর ভারী। ইচু শুয়েই পা দিয়ে চালের হাঁড়িটা নেড়ে দেখলে, সেটা…

Read Moreফকির (গল্প) – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

দুর্মতি (গল্প) – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

নিশ্চিন্তপুর গ্রামের প্রান্তে হরিচরণ রায়ের ছোটো একখানা কোঠাবাড়ি ছিল। সংসারে থাকিবার মধ্যে তাহার স্ত্রী আর এক ছেলে। হরিচরণ রায়ের বয়স বছর ত্রিশেক, স্ত্রীর বয়স একুশ-বাইশ। হরিচরণ রায়ের লেখাপড়া এমন বিশেষ কিছুই জানা ছিল না, তাহার উপর নিতান্তই পাড়াগেঁয়ে মানুষ; কাজেই…

Read Moreদুর্মতি (গল্প) – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

নসুমামা ও আমি (গল্প) – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

ছেলেমানুষ তখন আমি। আট বছর বয়স। দিদিমা বলতেন, তোর বিয়ে দেব ওই অতুলের সঙ্গে। মামারবাড়িতে মানুষ, বাবা ছিলেন ঘরজামাই—এসব কথা অবিশ্যি আরও বড়ো হয়ে বুঝেছিলাম। অতুল আমার দিদিমার সইয়ের ছেলে, কোথায় পড়ে, বেশ লম্বামত আধফর্সা গোছের ছেলেটা। আমাদের রান্নাঘরে বসে…

Read Moreনসুমামা ও আমি (গল্প) – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

আইনস্টাইন ও ইন্দুবালা (গল্প) – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

আইনস্টাইন কেন যে দার্জিলিং যাইতে যাইতে রানাঘাটে নামিয়াছিলেন বা সেখানে স্থানীয় মিউনিসিপ্যাল হলে ‘On…ইত্যাদি ইত্যাদি’ সম্বন্ধে বক্তৃতা করিতে উৎসুক হইয়াছিলেন—এ কথা বলিতে পারিব না। আমি ঠিক সেইসময়ে উপস্থিত ছিলাম না। কাজেই প্রত্যক্ষদর্শীর বিবরণ আমি আপনাদের নিকট সরবরাহ করিতে অপারগ, তবে…

Read Moreআইনস্টাইন ও ইন্দুবালা (গল্প) – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়