রুপকথার গল্প

গাব্বুগাগ্গার ডেরা (২৫ রূপকথা) – শৈলেন ঘোষ

আমার নাম সায়ন। বাবা আমায় বলেন ‘দিগগজ’। আসলে বলেন ঠাট্টা করে। অবশ্য ঠাট্টা করার কারণও আছে। তিনি বুঝতে পেরেছিলেন, ‘সায়ন’ নামের তাঁর এই ছেলেটি লেখাপড়ায় কোনোদিনই দিগগজ হয়ে উঠতে পারবে না। হলে, হবে একটা আস্ত গাধা।   ঠিকই বুঝেছিলেন। কারণ,…

Read Moreগাব্বুগাগ্গার ডেরা (২৫ রূপকথা) – শৈলেন ঘোষ

ছুম আর ছবি (২৫ রূপকথা) – শৈলেন ঘোষ

ছুম ছবি আঁকতে পারে।   অবিশ্যি ছুম যে খালি ছবিই আঁকে, তা নয়। ও যেমন ছোট্ট, তেমনি ওর একটা ছোট্ট ঘোড়া আছে, টুট্টু। যখনই মন চায় ও টুট্টুর পিঠে চাপে। তারপর টগবগ টগবগ ছুটতে ছুটতে হারিয়ে যায়। ওই যেখানে আকাশটা…

Read Moreছুম আর ছবি (২৫ রূপকথা) – শৈলেন ঘোষ

বন্ধু বটে (২৫ রূপকথা) – শৈলেন ঘোষ

ভোর হচ্ছে। রোদ উঠছে। সন্ধে নামছে। রাত গভীর হচ্ছে। আমরা ঘুমিয়ে পড়ছি। এই চলছে নিয়মমাফিক রোজ। এমনি করে নি:সাড়ে যেমন কাটছে দিন, তেমনই বাড়ছে বয়েস। বাড়ছে যেমন তোমার, তেমনই আমার। ওই পাখিরও। গাছেরও। সুতরাং, বেড়েছে ওই ঘোড়াটারও।   কোন ঘোড়াটার…

Read Moreবন্ধু বটে (২৫ রূপকথা) – শৈলেন ঘোষ

বন-সবুজের আয়নায় (২৫ রূপকথা) – শৈলেন ঘোষ

একটা বাগান। বাগানটা যে খুব বড়ো তেমন না। আবার খুব যে ছোটো তা-ও নয়। সেই বাগান জুড়ে কত গাছ। ফুলগাছের তো ছড়াছড়ি। তার ওপর আছে একটা আমগাছ আর একটা কদমগাছ। দুটিতে খুব বন্ধুত্ব। তারা তো আর হাঁটাচলা করতে পারে না।…

Read Moreবন-সবুজের আয়নায় (২৫ রূপকথা) – শৈলেন ঘোষ

কাক্কাবোক্কার মুখে হাসি (২৫ রূপকথা) – শৈলেন ঘোষ

অবাক কান্ড! কেন অবাক কান্ড? কান্ডটা কীসের? রাজা কাক্কাবোক্কার মুখে হাসি দেখা গেছে! অ্যাঁ! সে কী কথা? রাজা কাক্কাবোক্কার মুখে হাসি! রাজাকে তো কেউ কোনোদিন হাসতে দেখেনি। রাজার মুখে হাসি দেখে ছেলে, বুড়ো একেবারে থ! তা রাজার হাসির কথা এ-কান…

Read Moreকাক্কাবোক্কার মুখে হাসি (২৫ রূপকথা) – শৈলেন ঘোষ

আলোর জোনাকি (২৫ রূপকথা) – শৈলেন ঘোষ

এটাকে ঠিক শহর বলি না। বলতে গেলে শহরতলি বলাই ভালো। আবার অনেকে বলে শহরতলি নয়, এটা একটা ছোট্ট নগর। সত্যি, তাই নামও এই নগরের ছোট্টিপুর। সেই ছোট্টিপুরে থাকত একটি ছোট্ট মেয়ে। তার নাম জোনাকি। থাকত মা আর বাবার সঙ্গে। বাবাকে…

Read Moreআলোর জোনাকি (২৫ রূপকথা) – শৈলেন ঘোষ