বিকেলের দিকে – বুদ্ধদেব গুহ

এক-একটা দিন এমনিই কাটে। যেদিন সকাল থেকে মনে হয় আজ অনেক কিছু ঘটবে। সুন্দর কিছু। কিন্তু একঘেয়ে সেদিনও রাতে গড়িয়ে যায়। ঘটে না কিছুই। লাইট নিভিয়ে বিছানায় শুয়ে পড়ল নীলা। কবে যে শেষপাশে একজন পুরুষ তার বিছানা ভাগ করে…

এক-একটা দিন এমনিই কাটে। যেদিন সকাল থেকে মনে হয় আজ অনেক কিছু ঘটবে। সুন্দর কিছু। কিন্তু একঘেয়ে সেদিনও রাতে গড়িয়ে যায়। ঘটে না কিছুই। লাইট নিভিয়ে বিছানায় শুয়ে পড়ল নীলা। কবে যে শেষপাশে একজন পুরুষ তার বিছানা ভাগ করে…

এবারে ‘মুলিমালোঁয়ার ছোটো মসজিদের চুড়োটা চোখে পড়ল। অস্তগামী সূর্যের আলোয় ঝকঝক করছে। গলার কাঠের ঘণ্টা দোলানো কতগুলো গোরু আমাদের আগে আগে তাড়িয়ে নিয়ে চলেছিল একটি ওরাওঁ ছেলে। ধুলো উড়ছিল খুব। কিন্তু শীতের আসন্ন সন্ধ্যায় জঙ্গলের গন্ধমাখা ধুলো খুব ভালো লাগে।…

ভোরবেলা সেই নারী প্রবেশ করল আদিম উদ্যানে। তখন পৃথিবীর সৃষ্টিরও ঊষাকাল। কোথাও কোনো শব্দ নেই। যত দূর দৃষ্টি যায় মনুষ্য আকারের আর কোনো প্রাণী নেই। লতাগুল্মে, ক্ষুদ্র-বৃহৎ তরু-বৃক্ষে ফুটে আছে বিভিন্ন বর্ণের ফুল, সেগুলিরও নাম নেই। কোথাও ফুল থেকে…

তোমাকে তো আমি বললাম, আমার খুব দরকারি একটা কাজ ছিল! আর থাকতে পারব না। সেইজন্যই হঠাৎ তাড়াহুড়ো করে চলে এলাম। আসলে কিন্তু আমার কোনো কাজই ছিল না। দ্যাখো না, তোমার কাছ থেকে ফিরে এসেই বাড়িতে এখন তোমাকে এই চিঠি লিখতে…

প্রেমের দাঁত সব জায়গায় সহজে বসে না, কিন্তু একবার বসলে আর রক্ষে নেই! ঐরাবত ব্যতীতও—হস্তিনাপুরীর বাইরেও—দাঁতালো প্রেম দেখা দিতে পারে। মঞ্জুলা একেবারে গালে হাত দিয়েই হাজির!—‘ডলিদি যে এ কাজ করতে পারেন, আমি কোনোদিন স্বপ্নেও ভাবিনি।’ ‘কী কাজ করলেন…

কিছুদিন আগেও ভয়েল শাড়ীর চলন ছিল, এখন নাই। পয়সা দিয়া কেহই আর কিনিয়া পরে না। একদা যাহারা অনেক সাধে ও অনেক সাধনায় চড়া দাম দিয়া কিনিয়া ফেলিয়াছে, তাহারা এখন কাটিয়া কাটিয়া জানালার পর্দা অথবা খুকির ঘাগরা বানাইতেছে। ভালই…