শিবরাম চক্রবর্তী

গুরুচন্ডালি – শিবরাম চক্রবর্তী

সীতানাথবাবু ছিলেন সেকেণ্ড পন্ডিত, বাংলা পড়াতেন। ভাষার দিকে তাঁর দৃষ্টি একটুও ভাসা ভাসা ছিল না—ছিল বেশ প্রখর। ছেলেদের লেখার মধ্যে গুরুচন্ডালি তিনি মোটেই সইতে পারতেন না।   সপ্তাহের একদিন ছিল ছেলেদের রচনার জন্যে ধরা। ছেলেরা বাড়ি থেকে রচনা লিখে আনত—একেক…

Read Moreগুরুচন্ডালি – শিবরাম চক্রবর্তী

গোবর্ধনের কেরামতি – শিবরাম চক্রবর্তী

আসাম সরকারের নোটিশ এসেছে প্রত্যেক আসামির কাছেই। হর্ষবর্ধনরাও বাদ যায়নি। যদিও বহুকাল আগে দেশ ছেড়ে কলকাতায় এসে কাঠের ব্যবসায় লিপ্ত রয়েছেন, তাহলেও আসাম সরকারের কঠোর দৃষ্টি এড়াতে পারেননি তাঁরা। সরকারি কড়া নজর পড়েছে তাঁদের ওপরেও।   শুধু হর্ষবর্ধনই নন। তাঁর…

Read Moreগোবর্ধনের কেরামতি – শিবরাম চক্রবর্তী

গল্পের উপসংহার – শিবরাম চক্রবর্তী

ভজহরি গল্প লেখে।   ভাষার তার অভাব নেই, ভাবের তো খরস্রোত,—ছাপানোর কাগজও যথেষ্ট। অভাব যা কিছু প্লটের।   মাথা খাটিয়ে একটা প্লট যদি সেকোনোরকমে বাগিয়ে আনতে পারে গল্প, গল্প বানিয়ে ফেলতে তার কতক্ষণ?   ক্ষণজন্মা লোকদের বিপদ পদে পদে; জীবিত…

Read Moreগল্পের উপসংহার – শিবরাম চক্রবর্তী

কল-স্বর – শিবরাম চক্রবর্তী

অবিনাশের আপিসে এসেছে অভিলাষ। সাড়ে চারটা পার তখন, ছুটি হব-হব, কিন্তু তখনও অবিনাশের হাত কামাই নেই। তখনও সেনিজের মেশিনে বসে; মেশিনের মতোই কাজ করে যাচ্ছে দু-হাতে।   রাশি রাশি আঁক। লম্বা লম্বা যোগ। বড়ো বড়ো হিসেবের ফিরিস্তি। সেসব চক্ষের পলকে…

Read Moreকল-স্বর – শিবরাম চক্রবর্তী

রিক্সায় কোনো রিস্ক নেই! – শিবরাম চক্রবর্তী

পাড়ায় গদাইয়ের গাড়ি চেপে একবার ভারি বিপাকে পড়েছিলাম, এবার ভোঁদাইয়ের মোটরে চড়ে এতদিন পরে আগেকার সেই গদাঘাতের দুঃখও ভুলতে হল!   বাস্তবিক, আমার বিবেচনায় রিক্সাই ভালো সবচেয়ে। এমনকী পা-গাড়িও তেমন নিরাপদ নয়। চালিয়ে গেলে কি হয় জানিনে, চালাইনি কখনো, কিন্তু…

Read Moreরিক্সায় কোনো রিস্ক নেই! – শিবরাম চক্রবর্তী

কালোবাজার – শিবরাম চক্রবর্তী

রজনী স্খলিত পায়ে মই বেয়ে উঠছিল। সিদ্ধিলাভের পর অবিচলিত থাকা সকলের পক্ষে সহজ নয়। তখন পদে পদেই পতনের সম্ভাবনা। বড়ো বড়ো সাধকেরও। সিদ্ধির মাত্রাটা একটু বেশিই হয়ে গেছে বুঝি। ভারতের স্বাধীনতা আর পাকিস্তান লাভের পর এই প্রথম বিজয়া-ইদ সম্মিলনী। বিজয়ীদের…

Read Moreকালোবাজার – শিবরাম চক্রবর্তী