শিবরাম চক্রবর্তী

ফিসটের ফিসটি – শিবরাম চক্রবর্তী

অনেক দিন পরে দেখা।   দেখতে পেয়েই পাকড়ালাম পরিতোষকে—‘এই, বিয়ে করেছিস শুনলাম, খাওয়াবিনে? বিয়ের খাওয়াটা ফাঁকি দিবি নাকি?’   ‘খাবি? তা—বললেই হয়!’ পরিতোষ বললে—‘যেদিন বলবি। আমার সব বন্ধুকেই খাইয়ে দেব একদিনে।’   বিয়ে করে মানুষ বদলে যায় শুনেছি। বিয়ের পর…

Read Moreফিসটের ফিসটি – শিবরাম চক্রবর্তী

বিবেক যদি দেখা দেয় – শিবরাম চক্রবর্তী

সকাল থেকেই মনটা খিঁচড়ে ছিল।   মুখ-হাত ধুয়ে সবেমাত্র বারান্দায় বেরিয়েছি—প্রাতঃকালীন বায়ু সেবনের মতলবেই, এমন সময়ে নীচের রাস্তা থেকে আকস্মিক আর্তনাদ—এক ভিখিরির!   ‘দু-দিন থেকে কিছু খাইনি বাবু!’   ভিখিরি আর ভিখিরি! সারা পৃথিবী যেন ভিখিরিতেই ছেয়ে গেছে। আর এই…

Read Moreবিবেক যদি দেখা দেয় – শিবরাম চক্রবর্তী

ভ্যা-জাল! – শিবরাম চক্রবর্তী

যেমন গাধার মতো চলেছে ট্রেনটা, তেমনি যাত্রীর গাদাগাদি। তিলধারণের ঠাঁই নেই কোথাও। গাড়ির দোরগোড়াতেই দাঁড়িয়ে ছিল জনান্তিক, ভিড় ঠেলে এগুতে পারেনি। আপিস টাইমের কলকাতা লোকাল, লোকাধিক্য হবেই। জানা কথা।   জনান্তিক রায়। নামটাই খালি নয়, জনান্তিকের বেশভূষা, চালচলন সবই আধুনিক।…

Read Moreভ্যা-জাল! – শিবরাম চক্রবর্তী

হাতির সঙ্গে হাতাহাতি – শিবরাম চক্রবর্তী

সংগ্রহ করার বাতিক কোনো কালেই ছিল না কাকার। কেবল টাকা ছাড়া। কিন্তু টাকা এমন জিনিস যে যথেষ্ট পরিমাণে সংগৃহীত হলে আপনিই অনেক গ্রহ এসে জোটে এবং তখন থেকেই সংগ্রহ শুরু।   একদিন ওদেরই একজন কাকাকে বললে, ‘দেখুন সব বড়োলোকেরই একটা…

Read Moreহাতির সঙ্গে হাতাহাতি – শিবরাম চক্রবর্তী

মন্টুর মাস্টার – শিবরাম চক্রবর্তী

বি এ পাস করে বসে আছে মিহির, কী করবে কিছুই স্থির নেই। এমন সময়ে দৈনিক আনন্দবাজার-এ একটা বিজ্ঞাপন দেখল কর্মখালির। কোনো বনেদি গৃহস্থের একমাত্র পুত্রের জন্য একজন বি এ পাস গৃহশিক্ষক চাই—আহার ও বাসস্থান দেওয়া হইবেক, তা ছাড়া বেতন মাসিক…

Read Moreমন্টুর মাস্টার – শিবরাম চক্রবর্তী

মাথা খাটানোর মুশকিল – শিবরাম চক্রবর্তী

কাঁধের উপর একটা না থাকলে নেহাত খারাপ দেখায়, এইজন্যই বিধাতার আমাকে ওটা দেওয়া! মাথা কেবল শোভার জন্য, ব্যবহারের জন্য নয়; যখনই কোনো ব্যাপারে ওকে খাটাতে গেছি তখনি এর প্রমাণ আমি পেয়েছি। একবার মাথা খাটাতে গিয়ে যা বিপদে পড়েছিলাম তার কাহিনি…

Read Moreমাথা খাটানোর মুশকিল – শিবরাম চক্রবর্তী