শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

রক্ত-খদ্যোত – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

সন্ধ্যার সময় প্রাত্যহিক অভ্যাসমত গুটিকয়েক সভা ক্লাবঘরের মধ্যে সমবেত হইয়াছিলাম।   বরদা সিগারেটের ক্ষুদ্র শেষাংশটুকুতে লম্বা একটা সুখটান দিয়া সেটা সযত্নে অ্যাশ্‌-ট্রের উপর রাখিয়া দিল। তারপর আস্তে আস্তে ধোঁয়া ছাড়িতে ছাড়িতে বলিল, “ভূতের গল্প তোমরা অনেকেই শুনেছ, কিন্তু ভূতের মুখে…

Read Moreরক্ত-খদ্যোত – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

টিকটিকির ডিম – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

শীতের সন্ধ্যায় আমরা কয়েকজন ক্লাবে বসিয়া রাজনৈতিক আলোচনা করিতেছিলাম, যদিও ক্লাবে বসিয়া উক্তরূপ আলোচনা করা ক্লাবের আইনবিরুদ্ধ। বেহার প্রদেশে বাস করিয়া বাঙালীর ক্লাব করিতে হইলে ঐ রকম গুটিকয়েক আইন খাতায় লিপিবদ্ধ করিয়া রাখিতে হয়।   আলোচনা ক্রমশ দুইজন সভ্যের মধ্যে…

Read Moreটিকটিকির ডিম – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

আদিম রিপু (ব্যোমকেশ বক্সী) – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

এক দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের সময় হইতে বাংলা দেশে, বিশেষত কলিকাতা শহরে, মানুষের জীবনের মূল্য খুবই কমিয়া গিয়াছে। পঞ্চাশের মন্বন্তরে আমরা জীবনমৃত্যুকে পায়ের ভৃত্য করিয়া ফেলিয়াছিলাম। তারপর জিন্না সাহেবের সম্মুখ সমর যখন আরম্ভ হইল, তখন আমরা মৃত্যুদেবতাকে একেবারে ভালবাসিয়া ফেলিলাম। জাতি হিসাবে…

Read Moreআদিম রিপু (ব্যোমকেশ বক্সী) – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

বহ্নি-পতঙ্গ (ব্যোমকেশ বক্সী) – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

এক ‘পাটনায় পৌঁছিয়া দশ-বারো দিন বেশ নিরুপদ্রবে কাটিল। তারপর একদিন পুরন্দর পাণ্ডের সহিত দেখা হইয়া গেল। পাণ্ডেজি বছরখানেক হইল বদলি হইয়া পাটনায় আসিয়াছেন। সেই যে দুর্গরহস্য সম্পর্কে তাঁহার সংস্পর্শে আসিয়াছিলাম, তারপর আর দেখা হয় নাই। পাণ্ডেজি খুশি হইলেন, আমরাও কম…

Read Moreবহ্নি-পতঙ্গ (ব্যোমকেশ বক্সী) – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

অদ্বিতীয় (ব্যোমকেশ বক্সী) – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

এক প্রকৃতির অলঙ্ঘনীয় বিধানে ব্যোমকেশের সহিত যখন সত্যবতীর দাম্পত্য কলহ বাধিয়া যাইত, তখন আমি নিরপেক্ষভাবে বসিয়া তাহা উপভোগ করিতাম। কিন্তু দাম্পত্য কলহে যখন স্ত্রীজাতি এবং পুরুষজাতির আপেক্ষিক উৎকর্ষের প্রসঙ্গ আসিয়া পড়িত তখন বাধ্য হইয়া আমাকে ব্যোমকেশের পক্ষ অবলম্বন করিতে হইত।…

Read Moreঅদ্বিতীয় (ব্যোমকেশ বক্সী) – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

হেঁয়ালির ছন্দ (ব্যোমকেশ বক্সী) – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

এক ব্যোমকেশ সরকারী কাজে কটকে গিয়াছিল, আমিও সঙ্গে ছিলাম। দু’চার দিন সেখানে কাটাইবার পর দেখা গেল, এ দু’চার দিনের কাজ নয়, সরকারী দপ্তরের পর্বতপ্রমাণ দলিল দস্তাবেজ ঘাঁটিয়া সত্য উদ্‌ঘাটন করিতে সময় লাগিবে। তখন ব্যোমকেশ কটকে থাকিয়া গেল, আমি কলিকাতায় ফিরিয়া…

Read Moreহেঁয়ালির ছন্দ (ব্যোমকেশ বক্সী) – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়