শৈলেন ঘোষ

টুপুর ও এক শয়তান (২৫ রূপকথা) – শৈলেন ঘোষ

[চরিত্রলিপি : টুপুর, একটি সাত-আট বছরের মেয়ে কাঞ্চন: টুপুরের দাদা, অলি, চম্পা, পারুল, মিতা, রাজা, নাবিক, রাজার সিপাই, রাজার দূত, ভিনদেশির বেশে শয়তান, গ্রামের লোকজন, আকাশের তারাবেশী মেয়েরা, টুপুরের সিপাই-পুতুল।]   প্রথম দৃশ্য   [দেখা যাচ্ছে, নদীর স্রোতে একটি ময়ূরপঙ্খি…

Read Moreটুপুর ও এক শয়তান (২৫ রূপকথা) – শৈলেন ঘোষ

আলোর সৌধ (২৫ রূপকথা) – শৈলেন ঘোষ

প্রথম দৃশ্য   [গ্রামের রাস্তা। অনেক মানুষের জটলা। সম্ভবমতো মানুষের সংখ্যা নির্ধারণ করতে হবে। তাদের সংলাপের সংখ্যাগুলিই নীচে দেওয়া হল। মুখে বসিয়ে নিতে হবে।]   ১ : ক-দিন ধরে একনাগাড়ে ঝড়বৃষ্টি চলছে। এখন একটু থেমেছে এই যা।   ২ :…

Read Moreআলোর সৌধ (২৫ রূপকথা) – শৈলেন ঘোষ

ফাটিস (২৫ রূপকথা) – শৈলেন ঘোষ

মিম আর ম্যাম এইটুকুনি পুঁচকে দুই বেড়ালছানা। দুই ভাই। মিম বড়ো, ম্যাম ছোটো। তাও কী, মাত্তর দেড় মিনিটের ছোটো-বড়ো। যাকগে, সে তো অন্য কথা। কিন্তু যে-কথাটা নিয়ে আজ দু-ভাই সকাল থেকে ভীষণ ভাবনায় পড়েছে, সেটাই আসল কথা। কী, না মা…

Read Moreফাটিস (২৫ রূপকথা) – শৈলেন ঘোষ

বাঘ নয়তো হ্যাংলা (২৫ রূপকথা) – শৈলেন ঘোষ

বনটা খুব গভীর। তেমনি গা-ছমছম। সেই বনে একটা বাঘ থাকত। বাঘটা এমন বুনো যে, বলবার কথা নয়। যেমন বুনো, তেমনি আবার হাঁদা। শুনলে হেসে মরি, বাঘটা কোনোদিন মানুষ দেখেনি। দেখা তো দূরের কথা, মানুষের নাম পর্যন্ত কানে শোনেনি। একদিন সেই…

Read Moreবাঘ নয়তো হ্যাংলা (২৫ রূপকথা) – শৈলেন ঘোষ

নাচন-নাচন বেড়ালছানা (২৫ রূপকথা) – শৈলেন ঘোষ

ছেলেটির নাম বাদাম। খুব বেশি হলে আট বছর বয়েস। কাপড়টা ছেঁড়া—কোমরে বাঁধা। জামাটা ছেঁড়া-ময়লা, গায়ে। মাথায় টুপি—তালপাতার। টুপি খুললে একমাথা চুল উশকোখুশকো। ডাগর চোখ—বড্ড ক্লান্ত। মিষ্টি নিটোল মুখ—যত্ন নেই, শুকিয়ে গেছে। কেউ নেই তার। একা একা ঘুরে বেড়ায়—পাহাড়ে, শালবনে। আপন…

Read Moreনাচন-নাচন বেড়ালছানা (২৫ রূপকথা) – শৈলেন ঘোষ

রাজার ঘরে টিকটিকি (২৫ রূপকথা) – শৈলেন ঘোষ

মন্ত্রীর ডাক পড়ল।   কে ডাকলেন এই সাতসকালে?   কে আবার, যিনি মন্ত্রীকে ডেকে থাকেন যখন-তখন, এ-ডাক সেই রাজা কাক্কাবোক্কার।   যখন-তখন ডাকেন বলেই মন্ত্রীরও কেমন যেন গা-সওয়া হয়ে গেছে। আগে, অসময়ে রাজার ডাক শুনলেই, যেমন বুক ধড়ফড় করে উঠত,…

Read Moreরাজার ঘরে টিকটিকি (২৫ রূপকথা) – শৈলেন ঘোষ