রাত তখন তিনটে (ভাদুড়ি) – নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

শেয়ার করুনঃ

আঠের

অ্যাকসিডেন্টটা কুপল্লিতে হয়েছিল বলে চৌধুরিজি আর লজ্জার মাথা খেয়ে থানায় গিয়ে কেস লেখাননি, সদানন্দবাবুর এই থিয়োরিটাকে ভাদুড়িমশাই বিশেষ পাত্তা না-দেওয়ায় ভদ্রলোক একেবারে ঝিম মেরে গিয়েছিলেন। পিছনের সিটে চুপ করে বসে ছিলেন, কোনও কথাই বলছিলেন না। ব্যাপারটা ভাদুড়িমশাইও লক্ষ করে থাকবেন। গাড়ি যখন শহরের চৌহদ্দি ছাড়িয়েছে, তখন সম্ভবত সেই কারণেই তিনি বললেন, “কী হল সদানন্দবাবু, এত চুপচাপ কেন? শরীর ঠিক আছে তো?”

 

বেজার গলায় সদানন্দবাবু বললেন, “শরীর ইজ পার্ফেক্টলি অল রাইট। কিন্তু কাজটা আপনি ভাল করলেন না।”

 

“কোন কাজটা?”

 

“ওই যে গৌতম চা অফার করল, কিন্তু এক কথায় সেটা আপনি রিফিউজ করে দিলেন, ওটা উচিত হয়নি।”

 

“যাচ্চলে,” ভাদুড়িমশাই বললেন, “সে তো আপনার কথা ভেবেই রিফিউজ করলুম মশাই। আপনি তো দিনে তিন কাপের বেশি চা খান না, আর থার্ড কাপ তো একটু আগেই আপনি খেলেন।”

 

“আরে মশাই, চা মানে কি আর শুধুই চা? চায়ের সঙ্গে এক-এক প্লেট মিষ্টিও দিত নিশ্চয়।”

 

“বুঝেছি, আপনার খিদে পেয়েছে। তা একটু বাদেই তো চৌধুরি-বাড়িতে পৌঁছে যাচ্ছি, ততক্ষণ ধৈর্য ধরুন।”

 

“ধরতেই হবে।” সদানন্দবাবু বললেন, “তা ছাড়া আর উপায় কী।”

 

গৌতমের হাতে যে কাগজের টুকরোটা ধরিয়ে দেওয়া হল, সেটার কথা মনে পড়ে যাওয়ায় জিজ্ঞেস করলুম, “ওটা তো কালকের সেই এবিসিডি লেখা কাগজখানা, তাই না?”

 

“হ্যাঁ।” ভাদুড়িমশাই বললেন, “নেহাত এবিসিডি নয় কিন্তু। যা ভেবেছিলুম ঠিক তা-ই। একটা মেসেজ।”

 

“ডিসাইফার করতে পেরেছেন?”

 

“পেরেছি। কিন্তু মেসেজটা কী, এখন সেটা জিজ্ঞেস করবেন না।”

 

“মেসেজটা রিয়ার ঘরে ফেলে দিয়ে আসতে বললেন কেন, সেটা জিজ্ঞেস করতে পারি তো?”

 

“তা পারেন।” সামনের দিকে চোখ রেখে গাড়ি চালাতে চালাতেই ভাদুড়িমশাই বললেন, “আমি চাই যে, ঘরের মধ্যেই রিয়া ওটা দেখতে পাক। তাতে তার মনে হবে যে, ওটা রাস্তায় পড়ে যায়নি, রাস্তা থেকে সে যখন কাল ঘরে ফেরে, তখন অসাবধানে তার হাত থেকে ওটা ঘরের মধ্যেই পড়ে গিয়েছিল। কাগজটাকে ওইভাবে তার ঘরের মধ্যে পাচার করবার অবশ্য আরও একটা কারণ আছে।”

 

“সেটা কী?”

 

“মেসেজটা আসলে কয়েকটা ইনস্ট্রাকশন। কার ইনস্ট্রাকশন তা জানি না। তবে আমি চাইছি যে, ওতে যে ইনস্ট্রাকশন দেওয়া হয়েছে, সেই অনুয়ায়ী কাজ হোক। …ব্যস, এখন আর কোনও কথা নয়, আমরা প্রায় এসে পড়েছি।”

 

ডাইনে টার্ন নিলেন ভাদুড়িমশাই। খানিকক্ষণের মধ্যেই আমরা চৌধুরি-বাড়ির দেউড়ির সামনে পৌঁছে গেলুম।

 

গেস্ট-হাউসের দোতলায় উঠে দেখি, মুকুন্দবাবু ড্রইংরুমে বসে আছেন। আমরা গিয়ে ঢুকবামাত্র সোফা ছেড়ে দাঁড়িয়ে উঠে ভাদুড়িমশাইকে বললেন, “রাম রাম, বাবুজি। আপনাদের জন্যেই বসে ছিলাম।”

 

“কোনও খবর আছে?”

 

“রাজাবাবু আসানসোলসে এসে গেছেন।”

 

“কী করছেন এখন?”

 

“গাড়ি চালিয়ে এসেছেন, খুব ধকল গেল, তাই আরাম করছেন।

 

“তার মানে ঘুমুচ্ছেন, কেমন?”

 

“হাঁ, বাবুজি। নিদ ভাঙলে কুছু বলব?”

 

“বলবেন যে, তাঁর সঙ্গে দু-একটা কথা বলা দরকার। পারলে যেন রাত্তিরের দিকে একবার খবর নেন।”

 

ভাদুড়িমশাই বেডরুমের দিকে পা বাড়িয়েছিলেন, কিন্তু মুকুন্দবাবুর কথা শুনে তাঁকে দাঁড়িয়ে পড়তে হল। “অওর একঠো খবর আছে, বাবুজি।”

 

“আবার কী খবর?”

 

“আজ সকালে আপনারা বেরিয়ে পড়ার পরে দুপরবেলায় আমি গিরিডিতে গিয়েছিলাম।”

 

“কোনও কাজ ছিল?”

 

এ-দিক ও-দিক তাকিয়ে, গলার স্বর খানিকটা নামিয়ে নিয়ে মুকুন্দবাবু বললেন, “রোজ যে কাজ থাকে, সেই কাজ। বাঙ্গালোরে ফোন করেছিলাম।”

 

“বড়িদিদি কিছু বললেন?”

 

“তিনি বাঙ্গালোরে নাই। যে ফোন ধরেছিল, সে বলল, বড়িদিদি কলকাতা গেছেন, সিখান থেকে ইখানে আসবেন।”

 

“বটে?” ভাদুড়িমশাই বললেন, “যদি প্লেনে করে কলকাতা গিয়ে থাকেন, আর আজ রাত্তিরের দানাপুর এক্সধে সর রিজার্ভেশন জোগাড় করতে পারেন, তা হলে তো কাল ভোরবেলাতেই গিরিডি পৌঁছে যাবেন :

 

বললুম, “নয়তো কাল এয়ারকন্ডিশনড এক্সপ্রেস ধরে আমাদের মতো দুপুর দুটো নাগাদ এসে পৌঁছবেন।”

 

ভাদুড়িমশাই বললেন, “চৌধুরিজি জানেন?”

 

“কী করে জানবেন?” মুকুন্দবাবু বললেন, “আমি কুছু বলিনি।”

 

ভাদুড়িমশাই বললেন, “বলার দরকার নেই। আপনি আর এখানে থাকবেন না। শুধু যাবার সময় নীচে বলে দিয়ে যান যে, চা-জলখাবার যেন উপরে পাঠিয়ে দেয়।”

 

মুকুন্দবাবু নীচে নেমে গেলেন। সদানন্দবাবুর দিকে তাকিয়ে বললুম, “তাড়াতাড়ি মুখ-হাত ধুয়ে নিন মশাই। ভীষণ খিদে পেয়েছে।”

 

বাথরুমে ঢুকতে-ঢুকতে সদানন্দবাবু বললেন, “অথচ আপনাদের কথা শুনলে মনে হয় যেন খিদে শুধু আমারই পায়।”

 

চা-জলখাবার খাওয়া শেষ হতে-হতে সাতটা বাজল। ভাদুড়িমশাই তার পরেই সেই যে তাঁর ঘরে গিয়ে ঢুকলেন, আটটায় আগে আর দরজা খুলে বেরুলেন না। বললূম, “কী করছিলেন এতক্ষণ?”

 

ভাদুড়িমশাই হেসে বললেন, “কাল সকালে সেই যে ঘুম থেকে উঠেছিলুম, তারপর থেকে তো দু’চোখের পাতা আর এক করতে পারিনি। এক ঘন্টা ঘুমিয়ে নিলুম। শরীরটা এখন আবার বেশ ঝরঝরে লাগছে।”

 

সদানন্দবাবু বললেন, “সে কী, কাল রাত্তিরে ঘুমোননি?”

 

“কিরণবাবুকে জিজ্ঞেস করুন, তা হলেই জানতে পারবেন।”

 

বললুম, “আপনি মশাই পারেন বটে!”

 

“না-পেরে উপায় কী?” ভাদুড়িমশাই বললেন, “কিন্তু না, আর নয়। এবারে ছুটি নেব।”

 

“যাক তা হলে সুবুদ্ধি হয়েছে। তা কবে ছুটি নিচ্ছেন?”

 

“এই কাজটা মিটিয়ে দিয়েই।” ভাদুড়িমশাই বললেন, “তারপরে কী করব বলুন তো?”

 

“কী করবেন?”

 

“স্রেফ লোটা-কম্বল নিয়ে হরিদ্বারে কি লছমনঝুলায় গিয়ে গঙ্গাতীরে ধ্যানস্থ হয়ে বসে পড়ব।”

 

সদানন্দবাবু বললেন, “সে নেহাত খারাপ হবে না, মশাই। ওখেনে আমিষ চলে না ঠিকই, কিন্তু যে দুধ-ঘি-পাওয়া যায়, তার গন্ধে শুনিচি বাতাস একেবারে ম-ম করতে থাকে। বলেন তো আমিও আপনার সঙ্গে যাই।”

 

“সে আর বলতে,” ভাদুড়িমশাই বললেন, “আপনি যাবেন, কিরণবাবুও যাবেন। ও-সব জায়গায় কি আর একলা গিয়ে সুখ হয়? তিনজনে মিলে দিব্যি বসে ধর্মচর্চা করা যাবে। এরপরে তো আর সময়ও পাওয়া যাবে না।”

 

সময় থাকতে-থাকতে কীভাবে সংসারের শেকল কেটে হরিদ্বারে পালানো যায়, তাই নিয়ে আলোচনা চলছিল, এমন সময় দরজার ওপাশ থেকে গম্ভীর গলায় প্রশ্ন উঠল, “ভিতরে আসতে পারি?’

 

মুখ তুলে দেখি, রামাশ্রয় চৌধুরি। ভাদুড়িমশাই বললেন, “আরে আসুন, আসুন।”

 

চৌধুরিজি ভিতরে ঢুকে একটা সোফায় বসে বললেন, “হঠাৎ একটু বাইরে যাওয়ার দরকার পড়েছিল। আজ দুপুরে ফিরলাম। আপনাদের কোনও অসুবিধা হয়নি তো?”

 

ভাদুড়িমশাই বললেন, “কিচ্ছু অসুবিধে হয়নি। তা আপনি কোথায় গিয়েছিলেন?”

 

চৌধুরিজি একটা চোখ একটু ছোট করে বললেন, “বাড়ির সবাইকে বলেছি আসানসোলে গিয়েছিলাম। সেটা ঝুট বাত। আসলে গিয়েছিলাম ধানবাদে।”

 

“জরুরি কাজ ছিল?”

 

“মাইফেল ছিল। বহোত ভারী মাইফেল। পরপর দো রাত গানা শুনলাম। ‘তু মুঝে ছোড়কে না যাও কানহাইয়া…’ আহাহা…” বাঁ হাতের তালু দিয়ে বাঁ কান ঢেকে, দু’চোখ বুজে, সমের মাথায় ডান হাত দিয়ে সোফার হাতলে চাপড় মেরে চৌধুরিজি বললেন, “বানারস থেকে রঙ্গনবাই এসেছিল। বুড়টি হয়ে গেছে, লেকিন গলার কী দাপট, সবকোইকো বিলকুল পাগলা করে ছাড়ল। আহাহা…”

 

ভাদুড়িমশাই বললেন, “তা তো বুঝলুম। কিন্তু কাজটা কী ছিল?”

 

“কাজ?” চৌধুরিজি যেভাবে ভাদুড়িমশাইয়ের দিকে তাকালেন, তাতে মনে হল, এমন অদ্ভুত কথা ইতিপূর্বে আর কখনও তিনি শোনেননি। সেকেন্ড কয়েক সেইভাবে তাকিয়ে থেকে বললেন, “আবার কী কাজ থাকবে? রঙ্গনবাইয়ের গানা শুনলাম, লখনউ থেকে রেশমিবাই এসেছিল, তার নাচ ভি দেখলাম—তা সেটা একটা কাজ হল না?”

 

“একশো বার হল, হাজার বার হল।” ভাদুড়িমশাই হেসে বললেন, “গান শোনা, নাচ দেখা, এ তো খুবই ভাল কাজ। সত্যি বলতে কী, আপনি যে এই রকমের একটা চমৎকার কাজ করবার জন্যে ধানবাদ গিয়েছিলেন, সেটা জানতে পারলে আমরাও আপনার সঙ্গে ধানবাদ চলে যেতুম, তা হলে আর মাথার ঘাম পায়ে ফেলে এইখানে এই চোর ধরার মতো বিচ্ছিরি কাজে আমাদের সময় নষ্ট করতে হত না।”

 

কথাগুলি ভাদুড়িমশাই হাসতে-হাসতেই বললেন বটে, কিন্তু হাসিটা যে বিদ্রুপের সেটা বুঝতে পারা আমার পক্ষে শক্ত হয়নি। তাঁর কথার মধ্যে যে একটা তিরস্কার প্রচ্ছন্ন রয়েছে, অনুমান করি চৌধুরিজিও সেটা বুঝতে পেরেছিলেন। সম্ভবত সেই জন্যেই হঠাৎ একটু কুণ্ঠিত হয়ে গিয়ে তিনি বললেন, “না না, এইভাবে ইখান থেকে চলে যাওয়াটা যে আমার উচিত হয়নি, সেটা আমি মানব। তো আমি ছিলাম না বলে আপনাদের কাজের কুছু অসুবিধা হয়নি তো?”

 

ভাদুড়িমশাইয়ের মুখে এবারে যে হাসি ফুটল, তাতে ব্যঙ্গবিদ্রুপের ঝাঁজ ছিল না। গলার স্বরও দেখলুম আগের তুলনায় অনেক নরম হয়েছে। বললেন, “কিছু অসুবিধে হয়নি। কিন্তু আজও যদি আপনি না ফিরতেন, সত্যিই তা হলে অসুবিধেয় পড়তে হত। কথাটা এইজন্যে বলছি যে, আমার তদন্তের কাজ মোটামুটি শেষ হয়ে এসেছে। তাতে যা আমার ধারণা হয়েছে, সেই অনুযায়ী কয়েকটা কাজ এখন আমাকে করতে হবে। সাম হার্ড ডিসিশনস হ্যাভ টু বি টেকন। কিন্তু আপনি এ-বাড়ির কর্তা। তাই আপনার পার্মিশন ছাড়া সে-কাজ হবে না।”

 

“চোরির বেপারটা কিছু ধরতে পারলেন?”

 

“এ নিয়ে কিছু বলবার আগে আই জাস্ট ওয়ান্ট টু স্টেট ওয়ান থিং ভেরি ক্লিয়ারলি। আপনাকে যা কিছুই বলি না কেন, আর কাউকে সেটা আপনি বলতে পারবেন না। তাতে আপনি রাজি আছেন?”

 

“তা কেন থাকব না? আমি রাজি।”

 

“বেশ,” ভাদুড়িমশাই বললেন, “আপনাকে তা হলে বলতে পারি যে, শুধু চুরি নয়, অ্যাকসিডেন্টের ব্যাপারটাও আমি মোটামুটি ধরতে পেরেছি।”

 

“কোন অ্যাকসিডেন্ট?”

 

“আপনার ছেলে যে-অ্যাকসিডেন্টে ভীষণভাবে জখম হয়েছেন।”

 

“তার সঙ্গে চোরির কী সম্পর্ক? আপনাকে তো চোরির বেপারটা নিয়ে খোঁজ করতে বলেছি।”

 

“সম্পর্ক আছে।” ভাদুড়িমশাই স্থির চোখে চৌধুরিজির দিকে তাকিয়ে বললেন, “তা যদি না থাকত, তা হলে অ্যাকসিডেন্টটা সেপ্টেম্বর মাসে হয়েছিল না অগস্ট মাসে, তা নিয়ে আমি মাথা ঘামাতে যেতুম না।”

 

চৌধুরিজি দাপুটে মানুষ, কিন্তু ভাদুড়িমশাইয়ের কথা শুনে যে-ভাবে তিনি চোখ নামিয়ে নিলেন, তাতে মনে হল তিনি একটু অস্বস্তি বোধ করতে শুরু করেছেন। মেঝের দিকে তাকিয়ে নিচু গলায় বললেন, “লেকিন একটা কথা তো আপনাকে …”

 

তাঁকে বাধা দিয়ে ভাদুড়িমশাই বললেন, “না, চৌধুরিজি, আর আমাকে মিসলিড করবেন না। আমার যা বুঝবার, তা আমি বুঝে গিয়েছি। এখন আর এ নিয়ে কোনও কথা নয়। পরপর দু’রাত আপনি জেগেছেন, এখন আপনার ঘুম দরকার। যান, নিজের ঘরে গিয়ে ঘুমিয়ে পড়ুন। কাল সকালে আমাকে একবার বেরুতে হবে। দুপুরে ফিরে এসে আপনার সঙ্গে কথা বলব। শুধু একটা কথা এখনই আপনি জেনে রাখুন। আমি যা করছি, তা আপনার ভালর জন্যই করছি। আমার কাজে বাধা দেবেন না। দিলে আপনার বিপদ আরও বাড়বে।”

 

চৌধুরিজি আর কোনও কথা বললেন না। সোফা ছেড়ে উঠে পড়লেন। তাঁর মুখে যে একটা ভয়ের ছায়া নেমে এসেছিল, সেটা আমার নজর এড়ায়নি।

 

ঘর থেকে তিনি বেরিয়ে যাবার পরে ভাদুড়িমশাই বললেন, “কী জানেন, কিরণবাবু, লোকটা স্বভাবে মিথ্যুক নয়। তা যদি হত, তা হলে আসানসোলে যাবার নাম করে ওই যে ধানবাদ গিয়ে দু’দুটো রাত স্রেফ গান শুনে আর নাচ দেখে কাটিয়ে এল, আমাদের কাছে সেটা স্বীকার করত না।”

 

“অথচ অ্যাকসিডেন্টের ব্যাপারে মিথ্যে কথা বলেছেন।”

 

“হ্যাঁ, তা বলেছে।” ভাদুড়িমশাই বললেন, “কিন্তু কেন বলেছে, সেটা আন্দাজ করতে পারছি বলেই লোকটাকে আর এখন তত খারাপ লাগছে না, মশাই।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *