লীলা মজুমদার

মোটেল – লীলা মজুমদার

বটুকদা যখন হঠাৎ জুয়ো খেলা ছেড়ে দিয়ে, শ্বশুরের কাঠগুদামের ব্যবসায় দস্তুরমতো পয়সা দিয়ে মোটা শেয়ার কিনে, সভ্যভব্য হয়ে কাজকর্ম নিয়ে দিন কাটাতে শুরু করলেন, তখন ওঁর বুড়ি মা, বৌ আর আত্মীয়স্বজনরা যত খুশি হলেন, বন্ধুরা ততটা হননি। এ আমার ছোটমামার…

Read Moreমোটেল – লীলা মজুমদার

তোজো – লীলা মজুমদার

নবুর বড় ভয়। বেজায় গরিব এখানকার লোকরা; খেতে পায় না, পরতে পায় না, মাটি দিয়ে, উলু-ঘাস দিয়ে উল্টোনো ঝুড়ির মতো কীসব বানায়, অনেকে তাকেই বলে ঘর। যাদের কুঁড়ে-ঘর আছে, তারা তো বড়লোক, গ্রামের মাতব্বর। হবে না গরিব? শুকনো খরা মাটি,…

Read Moreতোজো – লীলা মজুমদার

ভ—ভূত! – লীলা মজুমদার

আমাদের পাড়ায় একটা পুরনো বাড়ি আছে, তার বয়স হয়তো দুশো বছরের বেশি হবে। সেখানে কেউ থাকতে চায় না। তাই বলে যেন কেউ ভেবে না বসেন যে বাড়িটা খালি পড়ে থাকে। মোটেই তা নয়। তবে রাতে কেউ সামনের বারান্দাটাতে যায় না।…

Read Moreভ—ভূত! – লীলা মজুমদার

ভাগ্যদেবী ব্রাঞ্চ হোটেল – লীলা মজুমদার

নগার বাবার আন্নাপিসি ‘কাশীর গলিজীবন’ বলে একটা বই লিখে জাতীয় সাহিত্য পুরস্কার পেয়েছিলেন। সে নাকি অতি অভাবনীয় সব তথ্যে ভরা। একশো বছর আগেকার কাশীর সাধারণ একটা সরু গলির দৈনন্দিন জীবনযাত্রার এক রকম বলা যেতে পারে হুবহু আলোকচিত্র। এমনকী, জাতীয় চলচ্চিত্র…

Read Moreভাগ্যদেবী ব্রাঞ্চ হোটেল – লীলা মজুমদার

হরু হরকরার একগুঁয়েমি – লীলা মজুমদার

কলকাতায় গেঁড়িদির বিয়ে হল। তার নিমন্ত্রণ-পত্র বিয়ের সাত সপ্তাহ পরেও যখন বোলপুরের ভুবনডাঙায় বড়দাদুর কাছে পৌঁছল না, তিনি চটে কাঁই। নাকি লোকের অভাবে বাইরের চিঠি সব ডাকে দেওয়া হয়েছিল। বড়দাদু তাতে আরো চটে গেলেন, “ডাকে চিঠি! বলি, ডাকের চিঠি, কারো…

Read Moreহরু হরকরার একগুঁয়েমি – লীলা মজুমদার

গোলাবাড়ির সার্কিট হাউস – লীলা মজুমদার

যারা শহরে বাস করে তারা দুচোখ বুজে জীবনটা কাটায়। কোনো একটা বিদেশি তেল কোম্পানির সব থেকে ছোট সাহেব অরূপ ঘোষের মুখে এ কথা প্রায়ই শোনা যেত। সাহেব বলতে যে বাঙালি সাহেব বোঝাচ্ছে, আশা করি সে কথা কাউকে বলে দিতে হবে…

Read Moreগোলাবাড়ির সার্কিট হাউস – লীলা মজুমদার