হুমায়ূন আহমেদ

অনীশ – হুমায়ূন আহমেদ (মিসির আলি)

এক হাসপাতালের কেবিন ধরাধরি ছাড়া পাওয়া যায় না, এই প্রচলিত ধারণা সম্ভবত পুরোপুরি সত্যি নয়। মিসির আলি পেয়েছেন, ধরাধরি ছাড়াই পেয়েছেন। অবশ্যি জেনারেল ওয়ার্ডে থাকার সময় একজন ডাক্তারকে বিনীতভাবে বলেছিলেন, ‘ভাই একটু দেখবেন—একটা কেবিন পেলে বড় ভালো হয়।’ এই সামান্য…

Read Moreঅনীশ – হুমায়ূন আহমেদ (মিসির আলি)

বিপদ – হুমায়ূন আহমেদ (মিসির আলি)

এক আফসারউদ্দিন খুব গম্ভীর ধরনের একটা দেশি জাহাজ কোম্পানির বড় অফিসার। বড় অফিসাররা এমনিতেই গাড়ীর হয়ে থাকেন। ইচ্ছে না-করলেও তাঁদের গাষ্ঠীর থাকতে হয়। আফসার সাহেবের ক্ষেত্রে ব্যাপারটা সে-রকম নয়। তিনি এই গান্তীর্য নিয়েই জন্মগ্রহণ করেছেন। কঠিন হয়ে থাকতেই তাঁর ভালো…

Read Moreবিপদ – হুমায়ূন আহমেদ (মিসির আলি)

সঙ্গিনী (গল্পগ্রন্থ, ভয়) – হুমায়ূন আহমেদ

মিসির আলি বললেন, ‘গল্প শুনবেন নাকি?’   আমি ঘড়ির দিকে তাকালাম। রাত মন্দ হয় নি। দশটার মতো বাজে। বাসায় ফেরা দরকার। আকাশের অবস্থাও ভালো না। গুড়গুড় করে মেঘ ডাকছে। আষাঢ় মাস। যে-কোনো সময় বৃষ্টি নামতে পারে।   আমি বললাম, ‘…

Read Moreসঙ্গিনী (গল্পগ্রন্থ, ভয়) – হুমায়ূন আহমেদ

জিন-কফিল (গল্পগ্রন্থ, ভয়) – হুমায়ূন আহমেদ

এক জায়গাটার নাম ধুন্দুল নাড়া।   নাম যেমন অদ্ভুত, জায়গাও তেমন জঙ্গুলে। একবার গিয়ে পৌঁছলে মনে হবে সভ্যসমাজের বাইরে চলে এসেছি। সেখানে যাবার ব্যবস্থাটা বলি—প্রথমে যেতে হবে ঠাকরোকোণা। ময়মনসিংহ-মোহনগঞ্জ ব্রাঞ্চ-লাইনের ছোট্ট স্টেশন। ঠাকরোকোণা থেকে গয়নার নৌকা যায় হাতির বাজার পর্যন্ত।…

Read Moreজিন-কফিল (গল্পগ্রন্থ, ভয়) – হুমায়ূন আহমেদ

চোখ (গল্পগ্রন্থ, ভয়) – হুমায়ূন আহমেদ

এক ভোর ছ’টায় কেউ কলিং বেল টিপতে থাকলে মেজাজ বিগড়ে যাবার কথা। মিসির আলির মেজাজ তেমন বিগড়াল না। সকাল দশটা পর্যন্ত কেন জানি তাঁর মেজাজ বেশ ভালো থাকে। দশটা থেকে খারাপ হতে থাকে, চূড়ান্ত রকমের খারাপ হয় দু’টার দিকে। তারপর…

Read Moreচোখ (গল্পগ্রন্থ, ভয়) – হুমায়ূন আহমেদ

বৃহন্নলা – হুমায়ূন আহমেদ (মিসির আলি)

এক অতিপ্রাকৃত গল্পে গল্পের চেয়ে ভূমিকা বড় হয়ে থাকে।   গাছ যত-না বড়, তার ডালপালা তার চেয়েও বড়। এই গল্পেও তাই হবে। একটা দীর্ঘ ভূমিকা দিয়ে শুরু করব। পাঠকদের অনুরোধ করছি তাঁরা যেন ভূমিকাটা পড়েন। এর প্রয়োজন আছে।   .…

Read Moreবৃহন্নলা – হুমায়ূন আহমেদ (মিসির আলি)