বুদ্ধদেব গুহ

লিখন – বুদ্ধদেব গুহ

—এখনও রওয়ানাই হওয়া গেল না। কখন যে কী হবে তা ভগবানই জানেন!   অপা, স্বভাবজাত প্রাণপ্রাচুর্যের সঙ্গে স্বগতোক্তি করল, নয়নের দিকে তাকিয়ে।   সুস্মিতার সবে বিয়ে হয়েছে। একেবারে ছেলেমানুষ। স্বামী, নয়নের ওপর কতখানি জোর আছে ওর, এখনও তা পুরোপুরি পরখ…

Read Moreলিখন – বুদ্ধদেব গুহ

পাখিরা জানে না – বুদ্ধদেব গুহ

—বুঝলাম তো ইংরেজিতে বলে salt-lick। বাংলায় কী বলে?   রুনা কোমরে হাত দিয়ে অর্জুন গাছের ছায়ায় দাঁড়িয়ে সুজনকে শুধোল।   সুজন বলল, বলছি। বলে, একটা সিগারেট ধরাল, তারপর গাছের নীচের একটা পাথরে বসে বলল, বাংলায় বলে নোনামাটি। বনের জানোয়ারদের আফিঙের…

Read Moreপাখিরা জানে না – বুদ্ধদেব গুহ

প্রাপ্তি – বুদ্ধদেব গুহ

চাতরার বাসটা একটু আগে ধুলো উড়িয়ে চলে গেল। এখন অনেকক্ষণের জন্যে চাঁদোয়া গ্রামে আর কোনো শোরগোল নেই। এখন সকাল ন-টা।   বর্ষার বেলা। আকাশে রাশ রাশ মেঘ জমেছে। পাশের বাড়ির রামনাথ সিং-এর বাড়ির কুয়োর লাটাখাম্বা উঠছে নামছে। তার ‘ক্যাঁচর-কোঁচর’ শব্দ…

Read Moreপ্রাপ্তি – বুদ্ধদেব গুহ

দিনশেষে – বুদ্ধদেব গুহ

নাড়ুবাবু ইণ্ডিয়ান রেভিনিউ সার্ভিসে ছিলেন। একসময় দিল্লির সেন্ট্রাল সেক্রেটারিয়েটেও পোস্টেড ছিলেন। নর্থ ব্লকে। অল ইণ্ডিয়া সার্ভিস। চাকরিতে ঢোকার পর থেকে সারা ভারতবর্ষেই ঘুরতে হয়েছে। রিটায়ারমেন্টের আর বছর তিনেক বাকি আছে। তাই রিটায়ারমেন্টের আগে আবার মধ্যপ্রদেশেই ফিরে এসেছেন। এখানকারই লোক তিনি।…

Read Moreদিনশেষে – বুদ্ধদেব গুহ

বিকেলের দিকে – বুদ্ধদেব গুহ

এক-একটা দিন এমনিই কাটে। যেদিন সকাল থেকে মনে হয় আজ অনেক কিছু ঘটবে। সুন্দর কিছু। কিন্তু একঘেয়ে সেদিনও রাতে গড়িয়ে যায়। ঘটে না কিছুই।   লাইট নিভিয়ে বিছানায় শুয়ে পড়ল নীলা। কবে যে শেষপাশে একজন পুরুষ তার বিছানা ভাগ করে…

Read Moreবিকেলের দিকে – বুদ্ধদেব গুহ

ইশক কা আন্দাজ – বুদ্ধদেব গুহ

এবারে ‘মুলিমালোঁয়ার ছোটো মসজিদের চুড়োটা চোখে পড়ল। অস্তগামী সূর্যের আলোয় ঝকঝক করছে। গলার কাঠের ঘণ্টা দোলানো কতগুলো গোরু আমাদের আগে আগে তাড়িয়ে নিয়ে চলেছিল একটি ওরাওঁ ছেলে। ধুলো উড়ছিল খুব। কিন্তু শীতের আসন্ন সন্ধ্যায় জঙ্গলের গন্ধমাখা ধুলো খুব ভালো লাগে।…

Read Moreইশক কা আন্দাজ – বুদ্ধদেব গুহ