বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (উপন্যাস)

দেবী চৌধুরাণী (উপন্যাস) – বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

প্রথম খণ্ড প্রথম পরিচ্ছেদ   “ও পি–ও পিপি–ও প্রফুল্ল–ও পোড়ারমুখী ।”   “যাই মা ।”   মা ডাকিল–মেয়ে কাছে আসিল। বলিল, “কেন মা?”   মা বলিল, “যা না–ঘোষেদের বাড়ী থেকে একটা বেগুন চেয়ে নিয়ে আয় না ।”   প্রফুল্লমুখী বলিল,…

Read Moreদেবী চৌধুরাণী (উপন্যাস) – বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

যুগলাঙ্গুরীয় (উপন্যাস) – বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

প্রথম পরিচ্ছেদ দুইজনে উদ্যানমধ্যে লতামণ্ডপতলে দাঁড়াইয়াছিলেন। তখন প্রাচীন নগর তাম্রলিপ্তের চরণ ধৌত করিয়া অনন্ত নীল সমুদ্র মৃদু মৃদু নিনাদ করিতেছিল। তাম্রলিপ্ত নগরের প্রান্তভাগে, সমুদ্রতীরে এক বিচিত্র অট্টালিকা ছিল। তাহার নিকট একটি সুনির্ম্মিত বৃক্ষবাটিকা। বৃক্ষবাটিকার অধিকারী ধনদাস নামক একজন শ্রেষ্ঠী। শ্রেষ্ঠীর…

Read Moreযুগলাঙ্গুরীয় (উপন্যাস) – বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

সীতারাম (উপন্যাস) – বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

প্রথম খণ্ড দিবা-গৃহিণী প্রথম পরিচ্ছেদ   পূর্বকালে, পূর্ববাঙ্গালায় ভূষণা নামে এক নগরী ছিল। এখন উহার “ভূষ্য‍ণো |” যখন কলিকাতা নামে ক্ষুদ্র গ্রামের কুটীরবাসীরা বাঘের ভয়ে রাত্রে বাহির হইতে পারিত না, তখন সেই ভূষণায় একজন ফৌজদার বাস করিতেন। ফৌজদারেরা স্থানীয় গবর্ণর…

Read Moreসীতারাম (উপন্যাস) – বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

রজনী (উপন্যাস) – বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

প্রথম খণ্ড রজনীর কথা   প্রথম পরিচ্ছেদ তোমাদের সুখদু:খে আমার সুখদু:খ পরিমিত হইতে পারে না। তোমরা আর আমি ভিন্নপ্রকৃতি। আমার সুখে তোমরা সুখী হইতে পারিবে না-আমার দু:খ তোমরা বুঝিবে না-আমি একটি ক্ষুদ্র যূথিকার গন্ধে সুখী হইব; আর ষোলকলা শশী আমার…

Read Moreরজনী (উপন্যাস) – বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

কৃষ্ণকান্তের উইল (উপন্যাস) – বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

প্রথম খণ্ড  প্রথম পরিচ্ছেদ   হরিদ্রাগ্রামে এক ঘর বড় জমীদার ছিলেন। জমীদার বাবুর নাম কৃষ্ণকান্ত রায়। কৃষ্ণকান্ত রায় বড় ধনী; তাঁহার জমীদারীর মুনাফা প্রায় দুই লক্ষ টাকা। এই বিষয়টা তাঁহার ও তাঁহার ভ্রাতা রামকান্ত রায়ের উপার্জিত। উভয় ভ্রাতা একত্রিত হইয়া…

Read Moreকৃষ্ণকান্তের উইল (উপন্যাস) – বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

দুর্গেশনন্দিনী (উপন্যাস) – বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

প্রথম খণ্ড প্রথম পরিচ্ছেদ : দেবমন্দির   ৯৯৭ বঙ্গাব্দের নিদাঘশেষে একদিন একজন অশ্বারোহী পুরুষ বিষ্ণুপুর হইতে মান্দারণের পথে একাকী গমন করিতেছিলেন। দিনমণি অস্তাচলগমনোদ্যোগী দেখিয়া অশ্বারোহী দ্রুতবেগে অশ্ব সঞ্চালন করিতে লাগিলেন। কেন না, সম্মুখে প্রকাণ্ড প্রান্তর; কি জানি, যদি কালধর্মে প্রদোষকালে…

Read Moreদুর্গেশনন্দিনী (উপন্যাস) – বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়