অতীন বন্দ্যোপাধ্যায়

জলচোর – অতীন বন্দ্যোপাধ্যায়

মেয়ে দুটো যায় কোথায়? কে জানে কোথায় যায়। তামাটে অন্ধকারে বিবর্ণ মেয়ে দুটো হেঁটে যায়। কেউ কোনও প্রশ্ন করে না। তবে যখন-তখন মানুষজন সুযোগ পেলেই তাড়া করে। থাকে খালপাড়ের বস্তিতে। বস্তি উচ্ছেদ হবার কথা। বস্তি উচ্ছেদ হলে কোথায় যে যাবো।…

Read Moreজলচোর – অতীন বন্দ্যোপাধ্যায়

বয়ঃসন্ধি – অতীন বন্দ্যোপাধ্যায়

জগদীশ পাঁচটা না বাজতেই ঘুম থেকে উঠে পড়েন। খড়ম পায়ে বাইরে বের হয়ে সূর্যপ্রণাম, তারপর নুয়ে এই বসুন্ধরা এবং যাকে তিনি জগজ্জননী ভাবেন তাঁদের উদ্দেশে চোখ বুজে কিছুক্ষণ ধ্যান, ফের ঘরে ঢুকে পেতলের গাড়টি হাতে নিয়ে হাঁটা দেন—সামনের সুপারিবাগানে ঢুকে…

Read Moreবয়ঃসন্ধি – অতীন বন্দ্যোপাধ্যায়

থার্ড ক্লাস – অতীন বন্দ্যোপাধ্যায়

জহর দাঁড়িয়েই আছে স্টেশনে। টিকিটের ঘণ্টাও পড়ে গেছে। লোকজন লাইন দিয়েছে টিকিট কাউন্টারে।   সে পকেট হাতড়ে টিকিট ঠিক জায়গায় রেখেছে কি না, যদি হারিয়ে যায়, এখানে ক্রসিং আছে, সব সময় কেমন এক সন্ত্রাস যেন তাকে তাড়া করছে। সে রেলে…

Read Moreথার্ড ক্লাস – অতীন বন্দ্যোপাধ্যায়

মাশুল – অতীন বন্দ্যোপাধ্যায়

সম্পর্কে জোটন বিবি আবেদালীর দিদি হয়। কিছুদিন পূর্বে পর্যন্ত জোটন বিবি ছিল, এখন বেওয়া হয়েছে। জোটনের সব সমেত তিনবার নিকাহ। তালাক অথবা স্বামীর মৃত্যুর পর জোটন প্রতিবার আবেদালীর কাছে চলে আসে। আবেদালী তখন লতা এবং খড়ের সাহায্যে উত্তর দুয়ারী ছোট্ট…

Read Moreমাশুল – অতীন বন্দ্যোপাধ্যায়

শত্রুপক্ষ – অতীন বন্দ্যোপাধ্যায়

সকালেই অরূপার গলা পাওয়া গেল।   সে কী যেন বলছে। বেশ জোরে জোরে। কিছুটা তিরস্কারের ঝাঁঝ আছে কথায়।   সাধারণত এত সকালে কেউ বাড়িতে জোরে কথা বলে না। তিরস্কার তো নয়ই। জোরে কেউ কথা বললেই সে রেগে যায়।   তার…

Read Moreশত্রুপক্ষ – অতীন বন্দ্যোপাধ্যায়

প্রহসন – অতীন বন্দ্যোপাধ্যায়

বয়স যত বাড়ে মেজাজ তত তিরিক্ষি হয়ে যাবার কথা। কিন্তু প্রিয়নাথ সারাদিন মেজাজ ঠান্ডা রাখার চেষ্টা করেন। কিছুতেই তিনি নিজেকে আর রিপুর তাড়নার মধ্যে ফেলে দিতে চান না।   সকাল থেকেই শুরু।   লোডশেডিং। জল তোলা যাচ্ছে না। বাড়িতে এতগুলি…

Read Moreপ্রহসন – অতীন বন্দ্যোপাধ্যায়